ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ভেরিফিকেশনের নামে শিক্ষক নিয়োগে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক: ভিপি সাদিক কায়েম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক, অন্যায্য ও অন্যায় সিদ্ধান্ত। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যবিরোধী জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক, অন্যায্য ও অন্যায় সিদ্ধান্ত। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যবিরোধী জুলাই বিপ্লবের সাথে সুস্পষ্ট প্রতারণা।’

‘বাংলাদেশের সংবিধানের ২৯ নং ধারা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সুস্পষ্ট কোনো কারণ না দেখিয়েই শত শত মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেওয়া হলো। যে তরুণকে বাদ দেওয়া হলো, সে নিজেই জানে না কেন তাকে বাদ দেওয়া হলো। যারা বাদ পড়েছে তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই, কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার রেকর্ড নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই।’

‘সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ ও ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগ বাতিল করার এই প্যাটার্ন বর্তমান সরকার ধার করেছে ফ্যাসিবাদী আমল থেকে। এটা সেই ফ্যাসিস্ট কাঠামোরই পুনরাবৃত্তি, যেখানে মেধা ও যোগ্যতার চেয়ে পরিচয়, আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বড় করে দেখা হয়। আজ একজন তরুণকে তার যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, ভেরিফিকেশনের মতো অস্পষ্ট প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে; কাল সেই একই ভয় দেখিয়ে পুরো একটি প্রজন্মকে নতজানু করে রাখার চেষ্টা করা হবে।’

তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষিত তরুণ নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। উচ্চশিক্ষা শেষ করে একটি চাকরি পাওয়া তাদের কাছে কেবল ক্যারিয়ার গড়ার বিষয় নয়; পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও একটু ভালোভাবে বাঁচার একমাত্র উপায়। সেই স্বপ্নকে ভেরিফিকেশনের নামে জিম্মি করে রেখে সরকার এই দেশের শিক্ষিত প্রজন্মকে দলীয় আজ্ঞাবহ প্রজন্মে পরিণত করতে চায়।’
বিজ্ঞাপন

সাদিক কায়েম লিখেন, ‘আমরা সরকারের কাছে এই ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই। ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি ও অনিশ্চয়তা বন্ধ করে অন্যায্যভাবে বাদ পড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর ব্যাপারে পুনঃসিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থীর ব্যাপারে সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকলে তা উক্ত পরীক্ষার্থীকে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল করার সুযোগ রাখতে হবে। সরকারি চাকরির প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে সম্পূর্ণ পক্ষপাতমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন। মেধা ও যোগ্যতাই হতে হবে নিয়োগের একমাত্র মাপকাঠি।’

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

জুরাইনে গণশৌচাগারের ভেতর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

ভেরিফিকেশনের নামে শিক্ষক নিয়োগে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক: ভিপি সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ০৫:১৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক, অন্যায্য ও অন্যায় সিদ্ধান্ত। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যবিরোধী জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ তরুণদের ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক, অন্যায্য ও অন্যায় সিদ্ধান্ত। সহস্রাধিক শহীদের রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বিএনপি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যবিরোধী জুলাই বিপ্লবের সাথে সুস্পষ্ট প্রতারণা।’

‘বাংলাদেশের সংবিধানের ২৯ নং ধারা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সুস্পষ্ট কোনো কারণ না দেখিয়েই শত শত মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেওয়া হলো। যে তরুণকে বাদ দেওয়া হলো, সে নিজেই জানে না কেন তাকে বাদ দেওয়া হলো। যারা বাদ পড়েছে তাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই, কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার রেকর্ড নেই, কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই।’

‘সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ ও ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগ বাতিল করার এই প্যাটার্ন বর্তমান সরকার ধার করেছে ফ্যাসিবাদী আমল থেকে। এটা সেই ফ্যাসিস্ট কাঠামোরই পুনরাবৃত্তি, যেখানে মেধা ও যোগ্যতার চেয়ে পরিচয়, আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বড় করে দেখা হয়। আজ একজন তরুণকে তার যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, ভেরিফিকেশনের মতো অস্পষ্ট প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে; কাল সেই একই ভয় দেখিয়ে পুরো একটি প্রজন্মকে নতজানু করে রাখার চেষ্টা করা হবে।’

তিনি আরও লিখেন, ‘বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষিত তরুণ নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। উচ্চশিক্ষা শেষ করে একটি চাকরি পাওয়া তাদের কাছে কেবল ক্যারিয়ার গড়ার বিষয় নয়; পরিবারের পাশে দাঁড়ানো ও একটু ভালোভাবে বাঁচার একমাত্র উপায়। সেই স্বপ্নকে ভেরিফিকেশনের নামে জিম্মি করে রেখে সরকার এই দেশের শিক্ষিত প্রজন্মকে দলীয় আজ্ঞাবহ প্রজন্মে পরিণত করতে চায়।’
বিজ্ঞাপন

সাদিক কায়েম লিখেন, ‘আমরা সরকারের কাছে এই ঘটনার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাই। ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি ও অনিশ্চয়তা বন্ধ করে অন্যায্যভাবে বাদ পড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর ব্যাপারে পুনঃসিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো পরীক্ষার্থীর ব্যাপারে সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকলে তা উক্ত পরীক্ষার্থীকে জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল করার সুযোগ রাখতে হবে। সরকারি চাকরির প্রতিটি নিয়োগ হতে হবে সম্পূর্ণ পক্ষপাতমুক্ত, দলীয় প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন। মেধা ও যোগ্যতাই হতে হবে নিয়োগের একমাত্র মাপকাঠি।’