ঢাকা ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাব ২৫ কোটি ৮৭ লাখ-বাড়ছে ডিজিটাল সেবা

দেশে মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) গ্রাহক সংখ্যা প্রতি মাসেই বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস শেষে দেশে মোট এমএফএস হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫টি, যা আগের মাস জুনের তুলনায় প্রায় ১৭ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৮ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-ব্যাংকিং অ্যান্ড ই-কমার্স স্ট্যাটিসটিকস ইউনিটের তথ্য বলছে, জুলাইয়ে মোট হিসাবের মধ্যে পুরুষ গ্রাহকের সংখ্যা ১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৩টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৫৭ শতাংশ। আর নারী গ্রাহকের হিসাব সংখ্যা ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৭টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৪২ শতাংশ।

এছাড়া লিঙ্গ পরিচয় জানানো হয়নি এমন হিসাব রয়েছে ৮ লাখ ৯০ হাজার ৪৯৭টি।

বেড়েছে শিশু-কিশোরদের
তথ্য অনুযায়ী, ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী গ্রাহকের সংখ্যায় বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে।
জুলাইয়ে কিশোরদের হিসাব সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১০০ আর কিশোরীদের হিসাব সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৮টি।

এজেন্ট ও মার্চেন্ট হিসাবে মিশ্র প্রবণতা
লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম এজেন্ট হিসাবের সংখ্যা জুলাইয়ে কিছুটা কমেছে।
জুলাইয়ে এজেন্ট হিসাব নেমে এসেছে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৫-এ। আগের মাস জুনে যা ছিল ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৫২২টি।

তবে মার্চেন্ট হিসাব ও ব্যক্তিগত খুচরা হিসাবে (পিআরএ) প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জুনে মার্চেন্ট হিসাব ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ৪১৩টি, জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ১৭৮টি। একই সময়ে পারসোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্টস বা পিআরএ হিসাব ১০ লাখ ২৯ হাজার ৪০৯ থেকে বেড়ে ১০ লাখ ৬২ হাজার ৫৯৪-এ পৌঁছেছে।

নগদের তথ্য যুক্ত হওয়ায় বড় উত্থান
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নগদ তাদের হিসাবের তথ্য জমা দিতে পারেনি। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে নগদের তথ্য পুনরায় যুক্ত হওয়ার পর মোট হিসাবের সংখ্যায় লাফ দেখা যায়– ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ১৪ কোটি ৫১ লাখের কিছু বেশি, মার্চে তা এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ কোটি ৩২ লাখ ৭৯ হাজারে। তারপর থেকে প্রতি মাসেই ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে মোট হিসাবের সংখ্যা, মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত চার মাসে যোগ হয়েছে আরও প্রায় ৫৪ লাখ হিসাব।

গ্রামীণ এলাকায় এখনো এমএফএস হিসাবের সংখ্যা শহরের কাছাকাছি বা কিছুটা বেশি রয়েছে। জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে মোট হিসাব ছিল ১৩ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৩টি, যেখানে শহরাঞ্চলে তা ১২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৪ হাজার ৬২২টি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

জুরাইনে গণশৌচাগারের ভেতর থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের হিসাব ২৫ কোটি ৮৭ লাখ-বাড়ছে ডিজিটাল সেবা

আপডেট সময় ১০:৩২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) গ্রাহক সংখ্যা প্রতি মাসেই বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস শেষে দেশে মোট এমএফএস হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি ৮৬ লাখ ৮৪ হাজার ২৮৫টি, যা আগের মাস জুনের তুলনায় প্রায় ১৭ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৮ বেশি।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের ই-ব্যাংকিং অ্যান্ড ই-কমার্স স্ট্যাটিসটিকস ইউনিটের তথ্য বলছে, জুলাইয়ে মোট হিসাবের মধ্যে পুরুষ গ্রাহকের সংখ্যা ১৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৩টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৫৭ শতাংশ। আর নারী গ্রাহকের হিসাব সংখ্যা ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৭টি, যা মোট হিসাবের প্রায় ৪২ শতাংশ।

এছাড়া লিঙ্গ পরিচয় জানানো হয়নি এমন হিসাব রয়েছে ৮ লাখ ৯০ হাজার ৪৯৭টি।

বেড়েছে শিশু-কিশোরদের
তথ্য অনুযায়ী, ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরী গ্রাহকের সংখ্যায় বড় ধরনের উল্লম্ফন ঘটেছে।
জুলাইয়ে কিশোরদের হিসাব সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ১০০ আর কিশোরীদের হিসাব সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৮৮টি।

এজেন্ট ও মার্চেন্ট হিসাবে মিশ্র প্রবণতা
লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম এজেন্ট হিসাবের সংখ্যা জুলাইয়ে কিছুটা কমেছে।
জুলাইয়ে এজেন্ট হিসাব নেমে এসেছে ২০ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৫-এ। আগের মাস জুনে যা ছিল ২০ লাখ ৮৩ হাজার ৫২২টি।

তবে মার্চেন্ট হিসাব ও ব্যক্তিগত খুচরা হিসাবে (পিআরএ) প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জুনে মার্চেন্ট হিসাব ছিল ৬ লাখ ৫০ হাজার ৪১৩টি, জুলাইয়ে তা বেড়ে হয়েছে ৬ লাখ ৬১ হাজার ১৭৮টি। একই সময়ে পারসোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্টস বা পিআরএ হিসাব ১০ লাখ ২৯ হাজার ৪০৯ থেকে বেড়ে ১০ লাখ ৬২ হাজার ৫৯৪-এ পৌঁছেছে।

নগদের তথ্য যুক্ত হওয়ায় বড় উত্থান
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে ২০২৫ সালের মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নগদ তাদের হিসাবের তথ্য জমা দিতে পারেনি। ২০২৬ সালের মার্চ থেকে নগদের তথ্য পুনরায় যুক্ত হওয়ার পর মোট হিসাবের সংখ্যায় লাফ দেখা যায়– ফেব্রুয়ারিতে যা ছিল ১৪ কোটি ৫১ লাখের কিছু বেশি, মার্চে তা এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ কোটি ৩২ লাখ ৭৯ হাজারে। তারপর থেকে প্রতি মাসেই ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে মোট হিসাবের সংখ্যা, মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত চার মাসে যোগ হয়েছে আরও প্রায় ৫৪ লাখ হিসাব।

গ্রামীণ এলাকায় এখনো এমএফএস হিসাবের সংখ্যা শহরের কাছাকাছি বা কিছুটা বেশি রয়েছে। জুলাইয়ে গ্রামাঞ্চলে মোট হিসাব ছিল ১৩ কোটি ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৩টি, যেখানে শহরাঞ্চলে তা ১২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৪ হাজার ৬২২টি।