লিওনেল মেসির এই রেকর্ডটা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। তবু দৈব দুর্বিপাকের একটা শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছিল না। তবে সব শঙ্কা একপাশে রেখে বিশ্বকাপের ফাইনালে শুরু থেকেই খেলছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তাতেই গড়া হয়ে গেছে এমন এক বিশ্বরেকর্ড, যা ৯৬ বছরেও দেখেনি বিশ্বকাপ।
প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরুর একাদশে তিনবার নামছেন মেসি। এর আগে ব্রাজিলের কাফু তিনটা ফাইনালে খেলেছিলেন, তবে সব ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন না।
এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশের গড় বয়স ৩০ বছর ১০১ দিন। এটা বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গড় বয়সের একাদশ। এর আগে ১৯৬২ সালে চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশের গড় বয়স ছিল ৩০ বছর ২১৬ দিন, সেটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। সেবার বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল, আর্জেন্টিনাও নিশ্চয়ই তাদের পদাঙ্কই অনুসরণ করতে চাইবে!
আর্জেন্টিনার আটজন খেলোয়াড় ২০২২ সালে ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালেও শুরুর একাদশে ছিলেন। তারা হলেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, নিকোলাস তালিয়াফিকো, রদ্রিগো দে পল, এনজো ফের্নান্দেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, লিওনেল মেসি আর হুলিয়ান আলভারেজ।
স্পেনের লামিন ইয়ামালও একটা বিরল কীর্তির সামনে দাঁড়িয়ে। মাত্র ১৯ বছর ৬ দিন বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলতে নামা তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় তিনি। তাঁর আগে আছেন শুধু দুজন। ১৯৫৮ সালে ব্রাজিলের পেলে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে খেলেছিলেন। আর ১৯৮২ সালে ইতালির জিউসেপে বেরগোমি খেলেছিলেন ১৮ বছর ২০১ দিন বয়সে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা টিনএজ খেলোয়াড় মাত্র দুজন। একজন পেলে, যিনি ১৯৫৮ সালে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে গোল করেছিলেন। আরেকজন কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি ২০১৮ সালে ১৯ বছর ২০৭ দিন বয়সে গোল করেছিলেন। আজ গোল করলে ইয়ামাল এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে এই তালিকার দুইয়ে অবস্থান করবেন।
স্পোর্টস ডেস্ক 


























