বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হার এখনও টাটকা। তবে হতাশা পেছনে ফেলে নতুন পথচলার প্রস্তুতি নিতেই পারে আর্জেন্টিনা। কেননা সামনে কোচ লিওনেল স্কালোনির ভবিষ্যৎ, ২০৩০ বিশ্বকাপের নতুন চক্র, ২০২৮ কোপা আমেরিকা আর মেসি-পরবর্তী দলের রূপরেখা- সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় অপেক্ষা করছে আলবিসেলেস্তেদের।
প্রথম প্রশ্ন স্কালোনিকে ঘিরেই। চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে তার চুক্তি। এরপর দায়িত্বে থাকবেন কিনা, সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন নিজেই। ফলে বিশ্বকাপ-পরবর্তী আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অপেক্ষা এখন কোচের ভবিষ্যৎ।
২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরপরই সামনের আন্তর্জাতিক সূচি প্রকাশ করেছে ফিফা। নতুন চক্রের প্রথম উইন্ডো ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর। ওই সময় দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। বছরের শেষ উইন্ডো ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর, সেখানেও হবে দুটি প্রীতি ম্যাচ।
বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে ২০৩০ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজন করবে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়ে। আয়োজক হওয়ায় তিন দেশই সরাসরি বিশ্বকাপে খেলবে। তবু তারা দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইপর্বে অংশ নেবে।
কারণ সামনেই কনমেবল ও উয়েফার যৌথ উদ্যোগে নেশনস লিগের আদলে নতুন একটি প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা চলছে বলে জানিয়েছেন প্যারাগুয়ে ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রবার্ট হ্যারিসন।
কনমেবলের বাছাইপর্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি। তবে সব ঠিক থাকলে ২০২৭ সালের মার্চে শুরু হবে দক্ষিণ আমেরিকার বাছাইপর্ব, আগের মতোই লিগ পদ্ধতিতে।
এরপর আর্জেন্টিনার নজর দিতে হবে ২০২৮ সালের কোপা আমেরিকায়। সেই আসরটি কোথায় হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের আলোচনা রয়েছে। সেটি হলে ২০০৪ সালের পর প্রথমবারের মতো লিওনেল মেসিকে ছাড়া কোপা আমেরিকা খেলতে পারে আর্জেন্টিনা।
অনিশ্চয়তায় আছে ফিনালিসিমার ভবিষ্যৎও। কোপা আমেরিকা ও ইউরো চ্যাম্পিয়নদের ম্যাচটি এ বছর কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সেটি বাতিল হয়।
পরে নতুন ভেন্যু ও সূচি নিয়েও সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি সংশ্লিষ্ট দুই পক্ষ। তাই এখন প্রশ্ন একটাই- ২০২৮ সালে নতুন মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের আগে আদৌ আরেকটি ফিনালিসিমা দেখা যাবে কি কোপা ও ইউরো চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে?
স্পোর্টস ডেস্ক 


























