ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

মাগুরায় বিদ্যুৎ বিলের ‘ভেলকিবাজি’? এক পরিবারের বিল ৫০৬ কোটি টাকা

মাগুরা সদর উপজেলা মঘি ইউনিয়ন মঘি গ্রামে মোচ্ছা. আলেয়া খাতুন নামে এক গ্রাহকের চলতি সেপ্টেম্বর মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে অস্বাভাবিক। মাত্র ২৩৫ ইউনিয়ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করারয় তার বিল এসেছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

বিদ্যুতের এমন ভুতুড়ে বিল হওয়া গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের বিলে গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারে রিডিং ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টে রিডিং ১৬০।

এক মাসে বিদ্যুৎ বিলের ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। সাথে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট যোগ করে চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

আবার বিদ্যুৎ বিলে লেখা রয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না কলে বিলম্ব জরিমানাসহ বিলের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল হওয়া কথা মাত্র এক হাজার ৯৬৩ টাকা।

যা বিলম্ব মাগুসহ দাঁড়ায় দুই হাজার ৫৬ টাকা।

কেচুয়াডুবি গ্রামে বিদ্যুতের গ্রাহক আলেয়া খাতুন বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের এমন উদাসীনতায় গ্রাহকদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। সাথে অধিক পরিমাণ অর্থ দণ্ড দিতে হয়। এ ধরনের ভূতুড়ে বিল হয় প্রায়ই শোনা যায়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বেশি করে সতর্ক হয়ে বিদ্যুতের মিটার রিডিং করলে এমন ভোগান্তি সৃষ্টি হবে না।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম এমন ভুতুড়ে বিল হয়েছে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মিটার পরিবর্তন করার সময় ভুল করে মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়েছে। যার ফলে এমন অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে। তবে ওই গ্রাহকের বিলটি আজ মঙ্গলবার দুপুরে সংশোধন করে জমা দিয়েছেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

নিউগিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা-ভাঙচুর: গ্রেপ্তার মিজানুর কারাগারে

মাগুরায় বিদ্যুৎ বিলের ‘ভেলকিবাজি’? এক পরিবারের বিল ৫০৬ কোটি টাকা

আপডেট সময় ১২:২৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাগুরা সদর উপজেলা মঘি ইউনিয়ন মঘি গ্রামে মোচ্ছা. আলেয়া খাতুন নামে এক গ্রাহকের চলতি সেপ্টেম্বর মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে অস্বাভাবিক। মাত্র ২৩৫ ইউনিয়ন বিদ্যুৎ ব্যবহার করারয় তার বিল এসেছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বিদ্যুতের এমন ভুতুড়ে বিল হওয়া গোটা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসের বিলে গত ৮ সেপ্টেম্বর মিটারে রিডিং ৩৯৫ এবং ৮ আগস্টে রিডিং ১৬০।

এক মাসে বিদ্যুৎ বিলের ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয়েছে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। সাথে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট যোগ করে চলতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

আবার বিদ্যুৎ বিলে লেখা রয়েছে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না কলে বিলম্ব জরিমানাসহ বিলের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা। ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিল হওয়া কথা মাত্র এক হাজার ৯৬৩ টাকা।

যা বিলম্ব মাগুসহ দাঁড়ায় দুই হাজার ৫৬ টাকা।

কেচুয়াডুবি গ্রামে বিদ্যুতের গ্রাহক আলেয়া খাতুন বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের এমন উদাসীনতায় গ্রাহকদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। সাথে অধিক পরিমাণ অর্থ দণ্ড দিতে হয়। এ ধরনের ভূতুড়ে বিল হয় প্রায়ই শোনা যায়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বেশি করে সতর্ক হয়ে বিদ্যুতের মিটার রিডিং করলে এমন ভোগান্তি সৃষ্টি হবে না।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিম এমন ভুতুড়ে বিল হয়েছে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মিটার পরিবর্তন করার সময় ভুল করে মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়েছে। যার ফলে এমন অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়েছে। তবে ওই গ্রাহকের বিলটি আজ মঙ্গলবার দুপুরে সংশোধন করে জমা দিয়েছেন।