২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হারানোর পর প্রতিপক্ষের শ্রেষ্ঠত্ব অকপটে স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তবে একই সঙ্গে তিনি নিজের খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতার প্রশংসা করেছেন এবং রানার্সআপ হওয়ার পথচলাকেও যথাযথ মূল্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘ওরাই ভালো খেলেছে, এটাই সত্যি। কিন্তু আমার খেলোয়াড়রা যা অর্জন করেছে এবং এতদূর পৌঁছানোর যে গুরুত্ব, সেটাই আমি মনে রাখব। এটিকে আমাদের অনেক বড় অর্জন হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে, কারণ এখানে পৌঁছাতে অসাধারণ পরিশ্রম করতে হয়।’
স্কালোনির মতে, সাম্প্রতিক সাফল্য উদ্যাপনের সময় যেমন মর্যাদা দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা, তেমনি পরাজয়কেও একই মর্যাদার সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে।
‘জয়ের সময় আমরা কীভাবে মর্যাদা বজায় রাখতে হয়, তা জানি। পরাজয়ের সময়ও আমাদের সেই মর্যাদা ধরে রাখতে হবে। আজ আমরা দেখিয়েছি, কীভাবে হার মেনে নিতে হয়। আমরা ম্যাচ হেরেছি এবং সেটি মেনে নিচ্ছি। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা জীবন থামিয়ে দেব বা এখানে পৌঁছাতে যা করেছি, তা ভুলে যাব,’ বলেন তিনি।
সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এবং খেলোয়াড়দের নিবেদন তুলে ধরে স্কালোনি বলেন, ‘সমর্থক, আমার খেলোয়াড় এবং পুরো দেশের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, আমরা আমাদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। বাস্তবতা জেনেই আমরা এখানে এসেছিলাম। কিন্তু খেলোয়াড়রা যখন আজকের মতো নিজেদের সর্বস্ব দিয়ে লড়ে, তখন সেটি আমাদের জনগণ ও দেশের জন্য একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকে। আমাদের আবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে। এর বাইরে আর কোনো পথ নেই।’
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে জেতা শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও বিশ্বকাপের রানার্সআপ হওয়াকেও বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন আর্জেন্টিনা কোচ।
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি রানার্সআপ হওয়াকেও মূল্য দিই, কারণ বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা ভীষণ কঠিন। আমার মনে হয়, এটি বিশাল স্বীকৃতির দাবিদার। স্বাভাবিকভাবেই আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার অনুভূতি কৃতজ্ঞতার। অবশ্যই দুঃখও আছে। তবে যখন একটি দল মাঠে নিজেদের সবকিছু দিয়ে দেয়, তারা ভালো খেলুক বা খারাপ, তখন তাদের দোষ খুঁজে বের করা খুব কঠিন।’
স্পোর্টস ডেস্ক 


























