ঢাকা ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বিশ্ব মা দিবস আজ

‘মা’-মাত্র এক অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ও শ্রুতিমধুর শব্দ এটি। সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা শব্দও এটি। এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্নেহ, আদর, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব সুখের কথা।

আজ মায়েদের দিন। বিশ্ব মা দিবস আজ। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হয় বিশ্ব মা দিবস। সেই হিসেবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে আজ ১০ মে।

মা দিবসের আধুনিক ধারণার সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৮ সালে সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করেছিলেন আন্না জার্ভিস নামে এক ব্যক্তি। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের মায়ের স্মৃতির জন্য এই বিশেষ দিনটি উৎসর্গ করেছিলেন তিনি।

পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে সরকারি মা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের প্রথম শিক্ষক, আশ্রয় ও সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, বিশ্ব মা দিবস সেই অনুভূতিকে আরও বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মা দিবস উপলক্ষে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক নানা আয়োজন করা হয়। কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, কেউ কেক কাটেন, কেউ বা উপহার দিচ্ছেন। আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন।

যদিও মনীষীরা বলেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনের আচরণে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও যত্ন প্রকাশই হওয়া উচিত সবচেয়ে বড় উদযাপন। কারণ সন্তানের জীবনে মা শুধু একজন অভিভাবক নন, তিনি প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় এবং অনেকের কাছে পুরো পৃথিবীর আরেক নাম।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন সভাপতি শরিফুল ইসলাম

বিশ্ব মা দিবস আজ

আপডেট সময় ০৯:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

‘মা’-মাত্র এক অক্ষরের ছোট্ট একটি শব্দ। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ও শ্রুতিমধুর শব্দ এটি। সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা শব্দও এটি। এই শব্দের মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সব মায়া, মমতা, অকৃত্রিম স্নেহ, আদর, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সব সুখের কথা।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

আজ মায়েদের দিন। বিশ্ব মা দিবস আজ। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার পালিত হয় বিশ্ব মা দিবস। সেই হিসেবে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে আজ ১০ মে।

মা দিবসের আধুনিক ধারণার সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৮ সালে সর্বপ্রথম মা দিবস উদযাপন করেছিলেন আন্না জার্ভিস নামে এক ব্যক্তি। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় নিজের মায়ের স্মৃতির জন্য এই বিশেষ দিনটি উৎসর্গ করেছিলেন তিনি।

পরে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে সরকারি মা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

মা শুধু একজন অভিভাবক নন, সন্তানের প্রথম শিক্ষক, আশ্রয় ও সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। জন্মের পর থেকে সন্তানের বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, মূল্যবোধ ও জীবনের প্রতিটি ধাপে মায়ের অবদান অনস্বীকার্য। তাই মায়ের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশের জন্য আলাদা কোনো দিনের প্রয়োজন না হলেও, বিশ্ব মা দিবস সেই অনুভূতিকে আরও বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মা দিবস উপলক্ষে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পারিবারিক নানা আয়োজন করা হয়। কেউ মাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান, কেউ কেক কাটেন, কেউ বা উপহার দিচ্ছেন। আবার অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করছেন।

যদিও মনীষীরা বলেন, শুধু একটি দিন নয়, প্রতিদিনের আচরণে মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও যত্ন প্রকাশই হওয়া উচিত সবচেয়ে বড় উদযাপন। কারণ সন্তানের জীবনে মা শুধু একজন অভিভাবক নন, তিনি প্রথম শিক্ষক, প্রথম আশ্রয় এবং অনেকের কাছে পুরো পৃথিবীর আরেক নাম।