ষাটের দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরিচিত মুখ নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বড় ছেলে শাবাব নাসিম রহমান দেশে ফেরার পর তার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে। সে পর্যন্ত অভিনেত্রীর মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও অভিনেতা সনি রহমান।
তিনি জানান, নাসিমা খানের বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলে বৃহস্পতিবার জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা হবে। মায়ের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে ইতোমধ্যে দেশে ফেরার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন শাবাব।
নাসিমা খানের ছোট ছেলে নাবিল নাছির রহমান কুশল কয়েক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে জীবনের শেষ সময়ে দুই ছেলের কারও সঙ্গেই দেখা হয়নি এই অভিনেত্রীর।
রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাসিমা খান। হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের শুরুর দিকের অভিনেত্রীদের মধ্যে নাসিমা খান ছিলেন উল্লেখযোগ্য একজন। তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আজীবন সদস্য ছিলেন। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। পরে ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে পরিচিতি লাভ করেন।
দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাংলা ও উর্দু ভাষার বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন নাসিমা খান। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’,
বিনোদন ডেস্ক 

































