ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বলগেট-ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন, রৌমারীতে নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত মানুষ

বলগেট ও ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে, যার কারণে হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় বা অপর্যাপ্ত। যার ফলে বালুখেকো চক্র আইনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, নিয়মিত তীরবর্তী এলাকায় বালুর স্তুপে পাহাড় সাজিয়ে প্রতিদিন বিক্রি করছে। দীর্ঘদিন থেকে বালু লুটপাট করে, অঢেল অর্থ সম্পদে বিত্তবান বণে যাচ্ছেন সাবেক সরকার দলের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বালুর পয়েন্টের মালিক আমজাদ হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, শাহজাহান, আব্দুল মজিদ, মোতালেব অবসর আর্মি ও ফজলুল হক গং। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রম্মপুত্র নদের পাড়ে বলদমারা ও বাইশ পাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন নদীতে এই সংকটের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
ব্রম্মপুত্র নদে দীর্ঘদিন ধরে বলগেট দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থামছেই না। বলগেট দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় কৃষিজমি ও বসতভিটার ব্যাপক ক্ষতি করায় সম্প্রতি প্রতিকার এবং স্থায়ী ব্যবস্থার দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। অপরদিকে প্রতিনিয়ত এলাকার মানুষ কষ্ট, দুঃখ, চোখে কান্না নিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধে মানববন্ধন করে সরকারকে জানান দিচ্ছে।
এদিকে জিঞ্জিরাম, ধর্ণী, সোনাভরি ও হলহলি নদী থেকে দিনে রাতে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলনের ফলে তীব্র নদীভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক ও জনবসতি চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ অভিযোগ তুলেছেন।
বলদমারা, বাইশ পাড়া এলাকার ঘরবাড়ি, জমাজমি, গাছপালা হারানো ভুক্তভোগী জাকির হোসেন, দিলবর, ফাহিমা বেগম, নাসিমা বেগম, জয়নাল হকসহ অনেকেই জানান, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নদীর পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আমরা নিঃস্ব হয়েছি। এ বিষয়ে কতবার প্রশাসনকে অভিযোগের মাধ্যমে জানানো হলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই।
প্রশাসনের নীরবতার পেছনে প্রভাবশালী মহলের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক চাপ এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবকে মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেন এলাকার সুধীমহল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল হাসানকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ভিডিও চিত্র দেখানো হলে, তিনি তার নোট বইয়ে ঠিকানা লিখে রেখে বলেন, বিষয়টি আমি দেখছি।

 

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

বৃহস্পতিবার নাসিমা খানের জানাজা ও দাফন

বলগেট-ড্রেজারে অবৈধ বালু উত্তোলন, রৌমারীতে নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত মানুষ

আপডেট সময় ০৫:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

বলগেট ও ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে রৌমারী উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে, যার কারণে হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসনের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় বা অপর্যাপ্ত। যার ফলে বালুখেকো চক্র আইনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, নিয়মিত তীরবর্তী এলাকায় বালুর স্তুপে পাহাড় সাজিয়ে প্রতিদিন বিক্রি করছে। দীর্ঘদিন থেকে বালু লুটপাট করে, অঢেল অর্থ সম্পদে বিত্তবান বণে যাচ্ছেন সাবেক সরকার দলের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী বালুর পয়েন্টের মালিক আমজাদ হোসেন, রাশেদুল ইসলাম, শাহজাহান, আব্দুল মজিদ, মোতালেব অবসর আর্মি ও ফজলুল হক গং। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রম্মপুত্র নদের পাড়ে বলদমারা ও বাইশ পাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন নদীতে এই সংকটের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
ব্রম্মপুত্র নদে দীর্ঘদিন ধরে বলগেট দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন থামছেই না। বলগেট দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় কৃষিজমি ও বসতভিটার ব্যাপক ক্ষতি করায় সম্প্রতি প্রতিকার এবং স্থায়ী ব্যবস্থার দাবিতে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। অপরদিকে প্রতিনিয়ত এলাকার মানুষ কষ্ট, দুঃখ, চোখে কান্না নিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধে মানববন্ধন করে সরকারকে জানান দিচ্ছে।
এদিকে জিঞ্জিরাম, ধর্ণী, সোনাভরি ও হলহলি নদী থেকে দিনে রাতে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বালু উত্তোলনের ফলে তীব্র নদীভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে করে ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক ও জনবসতি চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এতে স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ অভিযোগ তুলেছেন।
বলদমারা, বাইশ পাড়া এলাকার ঘরবাড়ি, জমাজমি, গাছপালা হারানো ভুক্তভোগী জাকির হোসেন, দিলবর, ফাহিমা বেগম, নাসিমা বেগম, জয়নাল হকসহ অনেকেই জানান, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নদীর পারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আমরা নিঃস্ব হয়েছি। এ বিষয়ে কতবার প্রশাসনকে অভিযোগের মাধ্যমে জানানো হলেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই।
প্রশাসনের নীরবতার পেছনে প্রভাবশালী মহলের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক চাপ এবং নিয়মিত মনিটরিংয়ের অভাবকে মূল কারণ হিসেবে দায়ী করেন এলাকার সুধীমহল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল হাসানকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ভিডিও চিত্র দেখানো হলে, তিনি তার নোট বইয়ে ঠিকানা লিখে রেখে বলেন, বিষয়টি আমি দেখছি।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন