ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বিএনপির অভিযোগ আমলে, জামায়াত-এনসিপিসহ চার দলকে সতর্কতা

বিএনপির অভিযোগের পর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্ধারিত সময়ের আগে ভোটের প্রচারকাজ না করতে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) চারটি রাজনৈতিক দলকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে এসব দলের প্রধানদের কাছে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্র এ তথ্য ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেছে। ইসির চিঠি ও বিএনপির করা অভিযোগপত্র পেয়েছে ঢাকা মেইল।

ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয় যে, ২১ জানুয়ারির আগে নির্বাচনি প্রচার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে, যা ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১৮-এর পরিপন্থী।
এতে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন উল্লিখিত অভিযোগ পর্যালোচনা করে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে নির্বাচনি প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রধান ও দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত অভিযোগে বলা হয়েছে যে, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের বিভিন্ন নির্বাচনি আসনে নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে (অনুলিপি সংযুক্ত)। তফসিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে এ ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১৮ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪খ অনুচ্ছেদের (৩ক) (ছ) বি দফার বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্যক্তিগত সফরে তাঁর নিজ গ্রামের বাড়ি ও জাতীয় নেতা মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং ২৪-এর শহীদ আবু সাঈদের মাজার জিয়ারত ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে গমনের সফরসূচি প্রদান করলেও নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে সফর স্থগিত ঘোষণা করে কমিশনের কাজে সহযোগিতা করেছেন। অথচ আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলসমূহ যেভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে, তা একদিকে নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন এবং অন্যদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করছে। অথচ নির্বাচন কমিশন রহস্যজনকভাবে নির্লিপ্ত রয়েছে।

এমতাবস্থায়, সব প্রার্থী যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এদিকে রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের এনআইডি কপি, বিকাশ নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছে, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন এবং একটি ‘ক্রিমিনাল অফেন্স’। এ বিষয়ে ইসিকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় কমিশনকে সহযোগিতা করতে চাই। তাদের মাঝে চেষ্টা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে বায়াসড (পক্ষপাতমূলক) আচরণ দেখা যাচ্ছে। এই ত্রুটিগুলো সংশোধন করলে এবং আমাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো সমাধান করলে এই কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, বাংলাদেশে ঘোষিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমাদের অবস্থান আমরা সবসময়ই স্পষ্ট করে জানিয়ে আসছি। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি ভালো নির্বাচন নিশ্চিত করতে অতীতের সব গ্লানি, তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন থেকে মুক্ত হয়ে দেশ ও জাতিকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বারবার দাবি জানিয়ে আসছি।

হামিদুর রহমান বলেন, আমরা একটি নির্বাচনি সমঝোতার প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছি। সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে পাঁচ দফার ভিত্তিতে আন্দোলনও করেছি। সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের কয়েকটি মৌলিক দাবি ছিল, যার মধ্যে অন্যতম হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, তফসিল অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচার শুরু হওয়ার কথা এবং ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসাবে এখন প্রচার-প্রচারণা হওয়ার কথা নয়। অথচ দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু এলাকায় বিশেষ কয়েকটি দলের প্রার্থীরা অবাধে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে আমাদের দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে—তারা নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারছেন না। দলীয় সভা-সমাবেশ করা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার শামিল নয়।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হবে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায়। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাবান্ধব সরকার- বাবুল

বিএনপির অভিযোগ আমলে, জামায়াত-এনসিপিসহ চার দলকে সতর্কতা

আপডেট সময় ০৫:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

বিএনপির অভিযোগের পর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্ধারিত সময়ের আগে ভোটের প্রচারকাজ না করতে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) চারটি রাজনৈতিক দলকে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে এসব দলের প্রধানদের কাছে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্র এ তথ্য ঢাকা মেইলকে নিশ্চিত করেছে। ইসির চিঠি ও বিএনপির করা অভিযোগপত্র পেয়েছে ঢাকা মেইল।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয় যে, ২১ জানুয়ারির আগে নির্বাচনি প্রচার নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে, যা ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১৮-এর পরিপন্থী।
এতে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশন উল্লিখিত অভিযোগ পর্যালোচনা করে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে নির্বাচনি প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রধান ও দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের স্বাক্ষরিত অভিযোগে বলা হয়েছে যে, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটভুক্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস তাদের বিভিন্ন নির্বাচনি আসনে নির্বাচনি প্রচার অব্যাহত রেখেছে (অনুলিপি সংযুক্ত)। তফসিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারির আগে এ ধরনের নির্বাচনি প্রচারণা ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি ১৮ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪খ অনুচ্ছেদের (৩ক) (ছ) বি দফার বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এতে আরও বলা হয়, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ব্যক্তিগত সফরে তাঁর নিজ গ্রামের বাড়ি ও জাতীয় নেতা মৌলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং ২৪-এর শহীদ আবু সাঈদের মাজার জিয়ারত ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে গমনের সফরসূচি প্রদান করলেও নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে সফর স্থগিত ঘোষণা করে কমিশনের কাজে সহযোগিতা করেছেন। অথচ আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলসমূহ যেভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছে, তা একদিকে নির্বাচনি আইনের লঙ্ঘন এবং অন্যদিকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ক্ষুণ্ন করছে। অথচ নির্বাচন কমিশন রহস্যজনকভাবে নির্লিপ্ত রয়েছে।

এমতাবস্থায়, সব প্রার্থী যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
এদিকে রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াতের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের এনআইডি কপি, বিকাশ নম্বর ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছে, যা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন এবং একটি ‘ক্রিমিনাল অফেন্স’। এ বিষয়ে ইসিকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় কমিশনকে সহযোগিতা করতে চাই। তাদের মাঝে চেষ্টা থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে বায়াসড (পক্ষপাতমূলক) আচরণ দেখা যাচ্ছে। এই ত্রুটিগুলো সংশোধন করলে এবং আমাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো সমাধান করলে এই কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি।
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ডা. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, বাংলাদেশে ঘোষিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমাদের অবস্থান আমরা সবসময়ই স্পষ্ট করে জানিয়ে আসছি। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি ভালো নির্বাচন নিশ্চিত করতে অতীতের সব গ্লানি, তামাশা ও প্রহসনের নির্বাচন থেকে মুক্ত হয়ে দেশ ও জাতিকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বারবার দাবি জানিয়ে আসছি।

হামিদুর রহমান বলেন, আমরা একটি নির্বাচনি সমঝোতার প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছি। সেই প্ল্যাটফর্ম থেকে পাঁচ দফার ভিত্তিতে আন্দোলনও করেছি। সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের কয়েকটি মৌলিক দাবি ছিল, যার মধ্যে অন্যতম হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড। প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, তফসিল অনুযায়ী ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচার শুরু হওয়ার কথা এবং ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। সেই হিসাবে এখন প্রচার-প্রচারণা হওয়ার কথা নয়। অথচ দেখা যাচ্ছে, বেশ কিছু এলাকায় বিশেষ কয়েকটি দলের প্রার্থীরা অবাধে নির্বাচনি প্রচারণা চালাচ্ছেন। অন্যদিকে আমাদের দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিযোগ রয়েছে—তারা নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারছেন না। দলীয় সভা-সমাবেশ করা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার শামিল নয়।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হবে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকাল ৫টায়। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন