ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

পরিবারে কদর নেই অনিল কাপুরের, স্ত্রীর কাছ থেকে নেন পকেট খরচ

বলিউডে বয়স বাড়লে নায়কেরা সাধারণত চরিত্রাভিনয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু অনিল কাপুর এটা মানতে যেন রাজি নন। বয়স এখন ৬৯, তবু নতুন সিনেমা ‘সুবেদার’-এ আবারও দেখালেন নায়কোচিত দাপট। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি, চোখের ভাষা আর অ্যাকশন—সব মিলিয়ে তিনি যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন যে বয়স শুধুই একটা সংখ্যা।

পরিচালক সুরেশ ত্রিবেণির ‘সুবেদার’ মূলত অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা অর্জুন মৌর্যের গল্প। সীমান্তে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর নিজের শহরে ফিরে আসেন তিনি। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও জটিল হয়ে ওঠে। অতীতের দায়িত্ব আর ব্যক্তিগত জীবনের দূরত্ব—এ দ্বন্দ্বই ছবিটির আবেগের কেন্দ্র। ছবি ও অনিলের অভিনয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

এমন গল্পে ছবিটি মুক্তির আগে মুম্বাইয়ের আরব সাগরের তীরবর্তী এক রেস্তোরাঁয় জমজমাট আয়োজনে প্রকাশ করা হয় ‘সুবেদার’-এর ট্রেলার। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনিল কাপুর, সৌরভ শুক্লা, মোনা সিং, আদিত্য রাওয়াল, রাধিকা মদন, ফয়জল মালিক, খুশবু সুন্দর, সুরেশ ত্রিবেণিসহ ছবির তারকারা।

বয়স শুধুই সংখ্যা
‘সুবেদার’ ছবিতে অনিল কাপুরের মেয়ে ‘শ্যামা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাধিকা মদন। রাধিকার মতে, ছবির শক্তিশালী দিকই হলো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক। তিনি বলেন, অ্যাকশন-প্যাকড বাণিজ্যিক সিনেমা হলেও ছবিটির ভেতরে গভীর আবেগ আছে। বাবা-মেয়ের যে সম্পর্ক, সেটাই ছবিটিকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করে। অনিল কাপুরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে রাধিকা বলেন, সেটে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে উদ্যমী মানুষ। তাঁর মধ্যে যেন সবচেয়ে বেশি প্রাণশক্তি।

ছবির গল্পে কিছু দুর্বলতা থাকলেও অনিল কাপুরের অভিনয়ই ছবির প্রাণ। সংলাপ কম, কিন্তু চোখের ভাষা আর উপস্থিতিতেই তিনি চরিত্রটিকে শক্ত করে ধরেছেন। ৬৯ বছর বয়সে তাঁর অ্যাকশন, দৃঢ়তা ও পর্দা দখলের ক্ষমতা দেখলে মনে হয়, ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ কথাটি হয়তো বয়স দিয়ে মাপা যায় না। অনিল কাপুর যেন সে কথাই আবার মনে করিয়ে দিলেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহত: ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেফতার

পরিবারে কদর নেই অনিল কাপুরের, স্ত্রীর কাছ থেকে নেন পকেট খরচ

আপডেট সময় ০৩:১০:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বলিউডে বয়স বাড়লে নায়কেরা সাধারণত চরিত্রাভিনয়ের দিকে ঝুঁকে পড়েন। কিন্তু অনিল কাপুর এটা মানতে যেন রাজি নন। বয়স এখন ৬৯, তবু নতুন সিনেমা ‘সুবেদার’-এ আবারও দেখালেন নায়কোচিত দাপট। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে তাঁর উপস্থিতি, চোখের ভাষা আর অ্যাকশন—সব মিলিয়ে তিনি যেন নতুন করে প্রমাণ করলেন যে বয়স শুধুই একটা সংখ্যা।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

পরিচালক সুরেশ ত্রিবেণির ‘সুবেদার’ মূলত অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা অর্জুন মৌর্যের গল্প। সীমান্তে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর নিজের শহরে ফিরে আসেন তিনি। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও জটিল হয়ে ওঠে। অতীতের দায়িত্ব আর ব্যক্তিগত জীবনের দূরত্ব—এ দ্বন্দ্বই ছবিটির আবেগের কেন্দ্র। ছবি ও অনিলের অভিনয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

এমন গল্পে ছবিটি মুক্তির আগে মুম্বাইয়ের আরব সাগরের তীরবর্তী এক রেস্তোরাঁয় জমজমাট আয়োজনে প্রকাশ করা হয় ‘সুবেদার’-এর ট্রেলার। অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অনিল কাপুর, সৌরভ শুক্লা, মোনা সিং, আদিত্য রাওয়াল, রাধিকা মদন, ফয়জল মালিক, খুশবু সুন্দর, সুরেশ ত্রিবেণিসহ ছবির তারকারা।

বয়স শুধুই সংখ্যা
‘সুবেদার’ ছবিতে অনিল কাপুরের মেয়ে ‘শ্যামা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাধিকা মদন। রাধিকার মতে, ছবির শক্তিশালী দিকই হলো বাবা-মেয়ের সম্পর্ক। তিনি বলেন, অ্যাকশন-প্যাকড বাণিজ্যিক সিনেমা হলেও ছবিটির ভেতরে গভীর আবেগ আছে। বাবা-মেয়ের যে সম্পর্ক, সেটাই ছবিটিকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করে। অনিল কাপুরের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে রাধিকা বলেন, সেটে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে উদ্যমী মানুষ। তাঁর মধ্যে যেন সবচেয়ে বেশি প্রাণশক্তি।

ছবির গল্পে কিছু দুর্বলতা থাকলেও অনিল কাপুরের অভিনয়ই ছবির প্রাণ। সংলাপ কম, কিন্তু চোখের ভাষা আর উপস্থিতিতেই তিনি চরিত্রটিকে শক্ত করে ধরেছেন। ৬৯ বছর বয়সে তাঁর অ্যাকশন, দৃঢ়তা ও পর্দা দখলের ক্ষমতা দেখলে মনে হয়, ‘অ্যাংরি ইয়াং ম্যান’ কথাটি হয়তো বয়স দিয়ে মাপা যায় না। অনিল কাপুর যেন সে কথাই আবার মনে করিয়ে দিলেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন