বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ এবং তার স্ত্রী সুনীতা আহুজার দাম্পত্য জীবন নিয়ে বলিপাড়ায় কৌতূহলের শেষ নেই। ১৯৮৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া এই জুটি দীর্ঘকাল ধরে নিজেদের রসায়ন ধরে রেখেছেন। তবে সম্প্রতি এক রিয়্যালিটি শো-তে এসে স্বামী গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন এবং তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সুনীতা আহুজা। তিনি প্রকাশ্যেই জানিয়েছেন, বিয়ের পর গোবিন্দের একাধিক পরকীয়া বা প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল।
শনিবার (২৭ জুন) থেকে শুরু হয়েছে রিয়্যালিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’-এর নতুন সিজন। রিতেশ দেশমুখ এবং ফারাহ খানের সঞ্চালনায় এই শো-এর অন্যতম প্রতিযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন সুনীতা। শো-এর উদ্বোধনী পর্বে জমকালো প্রবেশের পর নিজের বৈবাহিক জীবন নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। অনুষ্ঠান চলাকালীন সঞ্চালক ফারাহ খান সুনীতাকে উদ্দেশ্য করে অতীতে প্রকাশিত একটি শিরোনাম পড়ে শোনান, যেখানে লেখা ছিল— আমি গোবিন্দের মতো ছেলে চাই, কিন্তু তার মতো স্বামী চাই না।
এই শিরোনামের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সুনীতা অকপটে বলেন, ভালোবাসায় মানুষের সবকিছুই সহ্য করা বা মানিয়ে নেওয়া উচিত। তিনি জানান, গোবিন্দ তার জীবনে বহু নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, যা নায়ক-নায়িকাদের ক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। তবে এতগুলো বছর তিনি যেভাবে গোবিন্দের পাশে থেকেছেন এবং সংসার টিকিয়ে রেখেছেন, সেই কারণেই তিনি মনে করেন তার স্বামী হিসেবে নয়, বরং গোবিন্দের মতো একজন গুণী ছেলে পাওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানের আরেক সঞ্চালক রিতেশ দেশমুখ মজা করে গোবিন্দের জনপ্রিয় গানের সূত্র ধরে আরেকটি শিরোনাম পড়েন, যতক্ষণ স্বামী-স্ত্রী একসাথে থাকে, ততক্ষণ চোখ দিয়ে গুলি চলে (আঁখিও সে গোলি মারে)। কিন্তু যখন কোনো তৃতীয় ব্যক্তি মাঝে আসে, তখন হাঁটুতে গুলি লাগে।
এর জবাবে বেশ রসিকতা করেই সুনীতা তার স্বামীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, চি চি (গোবিন্দের ডাকনাম), যদি শুনে থাকো তবে ভালো করে শুনে নাও; জীবনে অন্য কেউ আসলেই কিন্তু হাঁটুতে গুলি লাগবে। একই সঙ্গে গোবিন্দের পায়ে গুলি লাগার সাম্প্রতিক একটি ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি মজা করে বলেন, তিনি তখন মুম্বাইতেই ছিলেন না, ছিলেন খাতু শ্যামে। অথচ অনেকেই রটিয়ে দিয়েছিল যে গুলিটি হয়তো তিনিই চালিয়েছেন।
বিনোদন ডেস্ক 
































