ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

জায়গা সংকটে মহাদেবপুর হাট, দেড় কোটি টাকার লোকসানের শঙ্কা

হাটের নির্ধারিত জায়গা না থাকায় উপজেলার পশু হাসপাতালের সামনে প্রধান সড়কে ধানের বেচাকেনা চলছে। পাশাপাশি নির্মাণাধীন ভূমি অফিস ও দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসা গরুর হাটের চিত্র।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাদেবপুর হাটের ইজারা নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন ইজারাদার কামাল হোসেন। হাটের নির্ধারিত জায়গা আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে না পাওয়ায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, সম্ভাব্য লোকসানের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

জানা যায়, মহাদেবপুর হাট সপ্তাহে দুই দিন—বুধবার ও শনিবার বসে। এর মধ্যে শনিবার গরুর হাট অনুষ্ঠিত হয়। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য ২ কোটি ৫১ লাখ ২৯ হাজার টাকায় হাটটির ইজারা নেন কামাল হোসেন। ইজারা গ্রহণের পর থেকেই হাটের নির্ধারিত জায়গা বুঝে পাওয়ার জন্য তিনি একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেন। তবে ইজারার মেয়াদ প্রায় শেষ হলেও এখন পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাটের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইজারার পরপরই লোকসানের আশঙ্কা শুরু হয় ইজারাদারের। প্রায় এক যুগ ধরে যেখানে ছাগলের হাট বসত, সেই সরকারি জায়গায় বর্তমানে নতুন ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় ছাগলের হাট বসানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অপরদিকে, পূর্বে ব্যবহৃত গরুর হাটের জায়গাও ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি ঘিরে নেওয়ার কারণে ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে বর্তমানে বড় আকারের গরুর হাটটি কোনোরকমে টিকে রয়েছে—সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ধানের অন্যতম বড় মোকাম হিসেবে পরিচিত মহাদেবপুর উপজেলায় একাধিক বড় ধানের হাট রয়েছে, যার মধ্যে মহাদেবপুর হাট অন্যতম। সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার এখানে ধানের হাট বসে। তবে নির্ধারিত জায়গা না থাকায় উপজেলার পশু হাসপাতালের সামনে আঞ্চলিক প্রধান সড়কের ওপরই ধানের বাজার বসছে। এতে যানজটসহ চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
ধানের বাজারের জন্য নির্ধারিত জায়গা না থাকায় টোল আদায় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন ইজারাদার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যাংক ঋণের সুদের চাপ। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। এ কারণে তিনি একাধিকবার ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

আরও জানা যায়, ইজারার চুক্তি সম্পন্ন হয় চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি। অথচ চুক্তি হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ১৩ এপ্রিল। এছাড়া হাটের জায়গা বুঝে নিতে ইজারাদার গত বছরের ২৫ মে ও ১৫ সেপ্টেম্বর লিখিত আবেদন করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে জায়গা বুঝে পাননি। উল্টো, ছাগলের হাট বসার জায়গায় বর্তমানে ভূমি অফিসের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। যদিও জায়গাটি ভূমি অফিসের, তবে গত এক যুগ ধরে সেখানে ছাগলের হাট বসত বলে জানিয়েছেন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব দাস।

সংকুচিত গরুর হাটের জায়গায় ব্যবসা করতে এসে চরম ভোগান্তির কথা জানান পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফয়জুল ইসলাম। তিনি বলেন,
“আমি ৩৭ বছর ধরে মহাদেবপুর হাটে ব্যবসা করছি। বর্তমানে গরুর হাটের জায়গায় ১৭ জন ব্যবসা করছি। জায়গা এতটাই কম যে হাটের দিন গরু, ছাগল, দোকান আর গাড়ির ভিড়ে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে।”

স্থানীয় চা বিক্রেতা দীপালি বলেন, আগে এই হাট অনেক বড় ছিল। সপ্তাহে শনিবার বিশাল জায়গাজুড়ে গরুর হাট বসত। এখন যার জমি সে ঘিরে নিচ্ছে। এতে হাটের জায়গা দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং আগের মতো পরিবেশ আর নেই।

ইজারাদার কামাল হোসেন বলেন, সরকার চাইলে সহজেই হাটের জায়গা সম্প্রসারণ করতে পারে। আশপাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন অনেক জমি রয়েছে, যেগুলো অধিগ্রহণ করা সম্ভব। যুগের পর যুগ এই এলাকায় বড় গরুর হাট বসে আসছে এবং এই ঐতিহ্যবাহী হাট থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। হাটের জায়গা বাড়ানো হলে সরকারের রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি ইজারাদারদের নির্ধারিত টোল আদায়ও স্বাভাবিক হবে। অন্যথায় ইজারাদাররা বড় লোকসানের মুখে পড়বেন।

তিনি আরও বলেন, হাট ইজারা দেওয়ার সময় আইনে “তোহা বাজার”—অর্থাৎ ধান ও তরকারিসহ একাধিক বাজারের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ধানের বাজারের কোনো নির্ধারিত জায়গা নেই। এরপরও পশু হাসপাতালের সামনে প্রধান সড়কে ধানের বাজার বসানো হচ্ছে, যা আইনসম্মত নয় এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,
“ধানের হাট আগে থেকেই রাস্তায় বসে আসছে। রাস্তায় হাট বসানোর নিয়ম রয়েছে। এখানে রাস্তা ভালো থাকায় হাটের দিন এক পাশ বন্ধ রাখা হয়।”
ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“হাট ডাকের সময় এসব বিষয় ইজারাদারের চিন্তা করা উচিত ছিল। গরুর হাটের জায়গা কমেনি। তবে ছাগলের হাটের জায়গায় ভূমি অফিস হচ্ছে, যা আগে থেকেই জানা ছিল। এছাড়া জামানত সংক্রান্ত কারণে চুক্তি দেরিতে হতে পারে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাবান্ধব সরকার- বাবুল

জায়গা সংকটে মহাদেবপুর হাট, দেড় কোটি টাকার লোকসানের শঙ্কা

আপডেট সময় ০৭:২৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মহাদেবপুর হাটের ইজারা নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন ইজারাদার কামাল হোসেন। হাটের নির্ধারিত জায়গা আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝে না পাওয়ায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, সম্ভাব্য লোকসানের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জানা যায়, মহাদেবপুর হাট সপ্তাহে দুই দিন—বুধবার ও শনিবার বসে। এর মধ্যে শনিবার গরুর হাট অনুষ্ঠিত হয়। ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১লা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত এক বছরের জন্য ২ কোটি ৫১ লাখ ২৯ হাজার টাকায় হাটটির ইজারা নেন কামাল হোসেন। ইজারা গ্রহণের পর থেকেই হাটের নির্ধারিত জায়গা বুঝে পাওয়ার জন্য তিনি একাধিকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেন। তবে ইজারার মেয়াদ প্রায় শেষ হলেও এখন পর্যন্ত তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাটের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ইজারার পরপরই লোকসানের আশঙ্কা শুরু হয় ইজারাদারের। প্রায় এক যুগ ধরে যেখানে ছাগলের হাট বসত, সেই সরকারি জায়গায় বর্তমানে নতুন ভূমি অফিসের ভবন নির্মাণকাজ শুরু হওয়ায় ছাগলের হাট বসানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অপরদিকে, পূর্বে ব্যবহৃত গরুর হাটের জায়গাও ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জমি ঘিরে নেওয়ার কারণে ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে বর্তমানে বড় আকারের গরুর হাটটি কোনোরকমে টিকে রয়েছে—সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ধানের অন্যতম বড় মোকাম হিসেবে পরিচিত মহাদেবপুর উপজেলায় একাধিক বড় ধানের হাট রয়েছে, যার মধ্যে মহাদেবপুর হাট অন্যতম। সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার এখানে ধানের হাট বসে। তবে নির্ধারিত জায়গা না থাকায় উপজেলার পশু হাসপাতালের সামনে আঞ্চলিক প্রধান সড়কের ওপরই ধানের বাজার বসছে। এতে যানজটসহ চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
ধানের বাজারের জন্য নির্ধারিত জায়গা না থাকায় টোল আদায় থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন ইজারাদার। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যাংক ঋণের সুদের চাপ। সব মিলিয়ে প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি। এ কারণে তিনি একাধিকবার ক্ষতিপূরণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

আরও জানা যায়, ইজারার চুক্তি সম্পন্ন হয় চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি। অথচ চুক্তি হওয়ার কথা ছিল গত বছরের ১৩ এপ্রিল। এছাড়া হাটের জায়গা বুঝে নিতে ইজারাদার গত বছরের ২৫ মে ও ১৫ সেপ্টেম্বর লিখিত আবেদন করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে জায়গা বুঝে পাননি। উল্টো, ছাগলের হাট বসার জায়গায় বর্তমানে ভূমি অফিসের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। যদিও জায়গাটি ভূমি অফিসের, তবে গত এক যুগ ধরে সেখানে ছাগলের হাট বসত বলে জানিয়েছেন ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব দাস।

সংকুচিত গরুর হাটের জায়গায় ব্যবসা করতে এসে চরম ভোগান্তির কথা জানান পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ফয়জুল ইসলাম। তিনি বলেন,
“আমি ৩৭ বছর ধরে মহাদেবপুর হাটে ব্যবসা করছি। বর্তমানে গরুর হাটের জায়গায় ১৭ জন ব্যবসা করছি। জায়গা এতটাই কম যে হাটের দিন গরু, ছাগল, দোকান আর গাড়ির ভিড়ে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে।”

স্থানীয় চা বিক্রেতা দীপালি বলেন, আগে এই হাট অনেক বড় ছিল। সপ্তাহে শনিবার বিশাল জায়গাজুড়ে গরুর হাট বসত। এখন যার জমি সে ঘিরে নিচ্ছে। এতে হাটের জায়গা দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং আগের মতো পরিবেশ আর নেই।

ইজারাদার কামাল হোসেন বলেন, সরকার চাইলে সহজেই হাটের জায়গা সম্প্রসারণ করতে পারে। আশপাশে ব্যক্তি মালিকানাধীন অনেক জমি রয়েছে, যেগুলো অধিগ্রহণ করা সম্ভব। যুগের পর যুগ এই এলাকায় বড় গরুর হাট বসে আসছে এবং এই ঐতিহ্যবাহী হাট থেকে সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে। হাটের জায়গা বাড়ানো হলে সরকারের রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি ইজারাদারদের নির্ধারিত টোল আদায়ও স্বাভাবিক হবে। অন্যথায় ইজারাদাররা বড় লোকসানের মুখে পড়বেন।

তিনি আরও বলেন, হাট ইজারা দেওয়ার সময় আইনে “তোহা বাজার”—অর্থাৎ ধান ও তরকারিসহ একাধিক বাজারের কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে ধানের বাজারের কোনো নির্ধারিত জায়গা নেই। এরপরও পশু হাসপাতালের সামনে প্রধান সড়কে ধানের বাজার বসানো হচ্ছে, যা আইনসম্মত নয় এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,
“ধানের হাট আগে থেকেই রাস্তায় বসে আসছে। রাস্তায় হাট বসানোর নিয়ম রয়েছে। এখানে রাস্তা ভালো থাকায় হাটের দিন এক পাশ বন্ধ রাখা হয়।”
ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“হাট ডাকের সময় এসব বিষয় ইজারাদারের চিন্তা করা উচিত ছিল। গরুর হাটের জায়গা কমেনি। তবে ছাগলের হাটের জায়গায় ভূমি অফিস হচ্ছে, যা আগে থেকেই জানা ছিল। এছাড়া জামানত সংক্রান্ত কারণে চুক্তি দেরিতে হতে পারে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন