ঢাকা ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

  • ইসলাম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  • 176

পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর। সুখময় দাম্পত্য জীবন মহান আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। আর ঝগড়া ও মনোমালিন্যে দাম্পত্য জীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে। ইদানীং আমাদের সমাজে স্বামীর নাম ধরে ডাকা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে নাম ধরে ডাকার বিষয়টি সামাজিক রীতিনীতির ওপর নির্ভরশীল। যেখানে নাম ধরে ডাকাকে অসম্মানজনক ও অসুন্দর মনে করা হয় না, সেখানে নাম ধরে ডাকলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যেখানে এটিকে সম্মানহানি ও বেয়াদবি মনে করা হয়, সেখানে নাম ধরে না ডাকা উচিত।

স্বামীর নাম ধরে ডাকা :স্বাভাবিকভাবে স্বামীর নাম ধরে ডাকাকে অসম্মানজনক মনে করা হয়। এছাড়া স্বামীর সম্মান, অধিকার ও সম্মানের কারণে ফুকাহায়ে কেরাম এটাকে শরিয়তে অপছন্দ মনে করেন। সুতরাং এতদাঞ্চলে স্বামীকে নাম ধরে না ডাকা উচিত। কেননা স্ত্রীর কর্তব্য, স্বামীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি। পাশাপাশি এমন আচরণ না করা চাই– যাতে স্বামীর সম্মানহানী হয়।

আরব দেশে নাম ধরে ডাকার প্রচলন ছিল, এতে তারা মনঃক্ষুণ্ণ হতো না। সেজন্যই তাদের কেউ কেউ ডাকতেন। কিন্তু আমাদের অবশ্যই বিষয় স্বীকার করতে হবে যে, স্বামীর খেদমত করা প্রত্যেক নারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য। অন্যদিকে স্ত্রীর ভরণ-পোষণ ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান স্বামীর কর্তব্য ও দায়িত্ব।

সুতরাং সম্মান প্রদর্শনার্থে অবশ্যই স্বামী, পিতা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ধরে ডাকা নিষেধ। তবে কোনো প্রয়োজনে স্বামীর নাম মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যাবে না– ব্যাপারটা এমন নয়। বরং প্রয়োজনে যেকোনো সময় স্বামীর নাম উচ্চারণ করা যাবে।

ইবনে আবেদিন শামি (রহ.) বলেন, এমন শব্দের মাধ্যমে স্বামীকে ডাকা উচিত– যেটা সম্মান বোঝাবে। যেমন- হে আমার সর্দার, অমুকের পিতা ইত্যাদি, অথবা সম্মানসূচক পেশার সঙ্গে সংযুক্ত করে ডাকবে। যেমন- ইমাম সাহেব, ডাক্তার সাহেব ইত্যাদি)। কেননা পিতা ও স্বামী– তাদের উভয়ের হক একটু বেশিই। (রদ্দুল মুহতার আলাদ-দুররিল মুখতার : ০৬/৪১৮)
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

স্বামীর নাম ধরে ডাকা কি জায়েজ?

আপডেট সময় ০৩:১৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পৃথিবীতে সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর। সুখময় দাম্পত্য জীবন মহান আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত। আর ঝগড়া ও মনোমালিন্যে দাম্পত্য জীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে। ইদানীং আমাদের সমাজে স্বামীর নাম ধরে ডাকা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে নাম ধরে ডাকার বিষয়টি সামাজিক রীতিনীতির ওপর নির্ভরশীল। যেখানে নাম ধরে ডাকাকে অসম্মানজনক ও অসুন্দর মনে করা হয় না, সেখানে নাম ধরে ডাকলে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু যেখানে এটিকে সম্মানহানি ও বেয়াদবি মনে করা হয়, সেখানে নাম ধরে না ডাকা উচিত।

স্বামীর নাম ধরে ডাকা :স্বাভাবিকভাবে স্বামীর নাম ধরে ডাকাকে অসম্মানজনক মনে করা হয়। এছাড়া স্বামীর সম্মান, অধিকার ও সম্মানের কারণে ফুকাহায়ে কেরাম এটাকে শরিয়তে অপছন্দ মনে করেন। সুতরাং এতদাঞ্চলে স্বামীকে নাম ধরে না ডাকা উচিত। কেননা স্ত্রীর কর্তব্য, স্বামীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা জরুরি। পাশাপাশি এমন আচরণ না করা চাই– যাতে স্বামীর সম্মানহানী হয়।

আরব দেশে নাম ধরে ডাকার প্রচলন ছিল, এতে তারা মনঃক্ষুণ্ণ হতো না। সেজন্যই তাদের কেউ কেউ ডাকতেন। কিন্তু আমাদের অবশ্যই বিষয় স্বীকার করতে হবে যে, স্বামীর খেদমত করা প্রত্যেক নারীর দায়িত্ব ও কর্তব্য। অন্যদিকে স্ত্রীর ভরণ-পোষণ ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান স্বামীর কর্তব্য ও দায়িত্ব।

সুতরাং সম্মান প্রদর্শনার্থে অবশ্যই স্বামী, পিতা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীর সম্মানিত ব্যক্তিদের নাম ধরে ডাকা নিষেধ। তবে কোনো প্রয়োজনে স্বামীর নাম মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা যাবে না– ব্যাপারটা এমন নয়। বরং প্রয়োজনে যেকোনো সময় স্বামীর নাম উচ্চারণ করা যাবে।

ইবনে আবেদিন শামি (রহ.) বলেন, এমন শব্দের মাধ্যমে স্বামীকে ডাকা উচিত– যেটা সম্মান বোঝাবে। যেমন- হে আমার সর্দার, অমুকের পিতা ইত্যাদি, অথবা সম্মানসূচক পেশার সঙ্গে সংযুক্ত করে ডাকবে। যেমন- ইমাম সাহেব, ডাক্তার সাহেব ইত্যাদি)। কেননা পিতা ও স্বামী– তাদের উভয়ের হক একটু বেশিই। (রদ্দুল মুহতার আলাদ-দুররিল মুখতার : ০৬/৪১৮)
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন