ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে খুলনা মেডিকেলের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. জহিরুল হককে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শনিবার বেলা একটা থেকে তাঁরা এ কর্মবিরতি শুরু করেন। সন্ধ্যা ছয়টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলছিল। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা জানান, গত বৃহস্পতিবার খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ আমানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে চিকিৎসক জহিরুল হককে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশে বলা হয়, বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল আলম ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে যাবেন। তাঁর শেষ কর্মদিবসে জহিরুল হক দায়িত্বভার গ্রহণ করে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।এর প্রতিবাদে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটি ওই কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনটির পক্ষ থেকে চিকিৎসক জহিরুল হকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তিনি (জহিরুল হক) আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জুলাইয়ের আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অফিস আদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কর্মবিরতি চলবে। তবে হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু থাকবে।খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মো. এস এম কামরান হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষক হিসেবে জহিরুল হকের একাডেমিক কার্যক্রমে থাকার বিষয়ে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে তাঁকে মেডিসিন বিভাগের প্রধান করার আদেশকে তাঁরা অনৈতিক মনে করছেন। কারণ, তিনি স্বাচিপের একজন আজীবন সদস্য। তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে বিরত রাখার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর মতো ফ্যাসিস্টের অধীনে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা থাকবেন না।খুলনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে। এ অবস্থায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হোক, তা চান না শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে জহিরুল হককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. জাহিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি খুলনাতে ছিলাম না। আওয়ামী লীগের শেষ দিকে আমাকে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দিয়ে গোপালগঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্বাচিপের কেন্দ্রের যে তালিকা আছে, সেখানে আমার কোনো নাম নেই। বরং ২০১৪ সালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাবের) লাইভ মেম্বারের জন্য টাকা এবং ফরম জমা দিয়েছিলাম। ড্যাবের খসড়া তালিকায় আমার নাম ছিল।’

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭০

অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে খুলনা মেডিকেলের শিক্ষানবিশ চিকিৎসকরা

আপডেট সময় ০৮:৩৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক (চলতি দায়িত্ব) মো. জহিরুল হককে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে আজ শনিবার বেলা একটা থেকে তাঁরা এ কর্মবিরতি শুরু করেন। সন্ধ্যা ছয়টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলছিল। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা জানান, গত বৃহস্পতিবার খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সৈয়দ আমানুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে চিকিৎসক জহিরুল হককে মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই আদেশে বলা হয়, বর্তমান বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল আলম ৩০ সেপ্টেম্বর অবসরোত্তর ছুটিতে যাবেন। তাঁর শেষ কর্মদিবসে জহিরুল হক দায়িত্বভার গ্রহণ করে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।এর প্রতিবাদে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটি ওই কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনটির পক্ষ থেকে চিকিৎসক জহিরুল হকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আপত্তি জানানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, তিনি (জহিরুল হক) আওয়ামী লীগ ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জুলাইয়ের আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিলেন। শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অফিস আদেশ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কর্মবিরতি চলবে। তবে হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু থাকবে।খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মো. এস এম কামরান হোসেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষক হিসেবে জহিরুল হকের একাডেমিক কার্যক্রমে থাকার বিষয়ে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে তাঁকে মেডিসিন বিভাগের প্রধান করার আদেশকে তাঁরা অনৈতিক মনে করছেন। কারণ, তিনি স্বাচিপের একজন আজীবন সদস্য। তিনি জুলাই আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে বিরত রাখার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর মতো ফ্যাসিস্টের অধীনে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা থাকবেন না।খুলনায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে। এ অবস্থায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হোক, তা চান না শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। তাঁদের দাবি, দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে জহিরুল হককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হোক।অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. জাহিরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি খুলনাতে ছিলাম না। আওয়ামী লীগের শেষ দিকে আমাকে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার দিয়ে গোপালগঞ্জে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। স্বাচিপের কেন্দ্রের যে তালিকা আছে, সেখানে আমার কোনো নাম নেই। বরং ২০১৪ সালে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাবের) লাইভ মেম্বারের জন্য টাকা এবং ফরম জমা দিয়েছিলাম। ড্যাবের খসড়া তালিকায় আমার নাম ছিল।’

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন