বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ প্রবল আকার ধারণ করে উত্তর-পশ্চিমে উপকূলের দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। বর্তমান পরিস্থিতির বিচারে সোমবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় উপকূলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি।
এটি মূলত ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে গেলেও বাংলাদেশেও এর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। এ শঙ্কায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-৯ থেকে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১২টায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪৪০ কিলোমিটার, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এ সময় ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক : 



























