ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

‘ভারতের ৫০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে গেছে চীনা সেনা’

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী—এমন অভিযোগ করেছেন রাজ্যটির কংগ্রেসের সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী বসিরাম সিরাম।

তবে তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। সীমান্তে চীনের কোনো অনুপ্রবেশ ঘটছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বসিরাম সিরাম অভিযোগ করেন, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার বিভিন্ন এলাকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তের প্রকৃত অবস্থা জানতে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান।

সিরাম বলেন, গত ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট তার নেতৃত্বে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করে। ইটানগর থেকে নাচো হয়ে লাইমেকিং ও তাকসিং এলাকায় যান তারা। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সিরামের দাবি, চীনা সেনারা ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে অগ্রসর হয়েছে। পাহাড়ের উঁচু এলাকাগুলোতে তাদের অবস্থান রয়েছে। তিনি বলেন, ‘চীনা সেনারা ইতোমধ্যে ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে চলে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান করছে। পাহাড়ের চূড়ায় তাদের দেখা যায়, আর আমরা রয়েছি নিচে।’

এর আগে গত জুনে নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের একটি স্থানীয় সংগঠন অভিযোগ করেছিল, তাকসিংয়ের কাছে চীনা সেনাবাহিনী তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী ওই অভিযোগকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। আগস্টে অরুণাচল প্রদেশের পিপলস পার্টির একটি প্রতিনিধিদলও দাবি করে, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় টহল দলকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু চীনের ৫০ কিলোমিটার অনুপ্রবেশের অভিযোগ নাকচ করলেও সীমান্তের উঁচু এলাকাগুলোতে চীনের তৎপরতা বেড়েছে বলে স্বীকার করেছিলেন।

সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে সিরাম বলেন, সীমান্তে কোনো অনুপ্রবেশ বা আগ্রাসী তৎপরতা না ঘটলে স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার এমন অভিযোগ তুলছেন কেন? এসব অভিযোগকে গুজব বলে উড়িয়ে না দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।

তিনি আরো দাবি করেন, আসাফিলাসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকা চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। অনলাইন মানচিত্র থেকেও কিছু এলাকা অদৃশ্য হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

‘ভারতের ৫০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে গেছে চীনা সেনা’

আপডেট সময় ০৭:৪২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের প্রায় ৫০ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী—এমন অভিযোগ করেছেন রাজ্যটির কংগ্রেসের সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী বসিরাম সিরাম।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

তবে তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু। সীমান্তে চীনের কোনো অনুপ্রবেশ ঘটছে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না বলে জানিয়েছেন। দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বসিরাম সিরাম অভিযোগ করেন, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরি জেলার বিভিন্ন এলাকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তের প্রকৃত অবস্থা জানতে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান।

সিরাম বলেন, গত ২৬ থেকে ২৯ আগস্ট তার নেতৃত্বে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করে। ইটানগর থেকে নাচো হয়ে লাইমেকিং ও তাকসিং এলাকায় যান তারা। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

সিরামের দাবি, চীনা সেনারা ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে অগ্রসর হয়েছে। পাহাড়ের উঁচু এলাকাগুলোতে তাদের অবস্থান রয়েছে। তিনি বলেন, ‘চীনা সেনারা ইতোমধ্যে ভারতের ভূখণ্ডের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার ভেতরে চলে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা অবস্থান করছে। পাহাড়ের চূড়ায় তাদের দেখা যায়, আর আমরা রয়েছি নিচে।’

এর আগে গত জুনে নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নামের একটি স্থানীয় সংগঠন অভিযোগ করেছিল, তাকসিংয়ের কাছে চীনা সেনাবাহিনী তাদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী ওই অভিযোগকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। আগস্টে অরুণাচল প্রদেশের পিপলস পার্টির একটি প্রতিনিধিদলও দাবি করে, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় ভারতীয় টহল দলকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু চীনের ৫০ কিলোমিটার অনুপ্রবেশের অভিযোগ নাকচ করলেও সীমান্তের উঁচু এলাকাগুলোতে চীনের তৎপরতা বেড়েছে বলে স্বীকার করেছিলেন।

সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করার বিষয়ে প্রশ্ন তুলে সিরাম বলেন, সীমান্তে কোনো অনুপ্রবেশ বা আগ্রাসী তৎপরতা না ঘটলে স্থানীয় বাসিন্দারা বারবার এমন অভিযোগ তুলছেন কেন? এসব অভিযোগকে গুজব বলে উড়িয়ে না দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।

তিনি আরো দাবি করেন, আসাফিলাসহ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকা চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। অনলাইন মানচিত্র থেকেও কিছু এলাকা অদৃশ্য হয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।