হোম

ডোমার চিলাহাটিতে অসহায় পরিবারের জমি দখল! প্রতিবাদ করায় মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে এক অসহায় পরিবারে শেষ সম্বল জমিটুকু দখল করে নিয়ে, প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে কিছু কুচক্রি মহলের লোকের বিরুদ্ধে।
অসহায় পরিবারের লোকজন পতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও কোন প্রকার ফল না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ভুক্তভুগি পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের নিজ ভোগডাবুড়ী কাঁঠালতলী গ্রামে। পরিবারের অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উক্ত গ্রামের মৃত আব্দুল বাতেন খমিরের ছেলে খলিলুর রহমান তার পিতার নামীয় রেকর্ডভুক্ত ৩০ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে মালিক হয়। সেই থেকে খলিলুর রহমান তার পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে জামিটি ভোগদখল করে চাষ আবাদ করে আসছে। ঐ জমিটির উপর এলাকার কিছু কুচক্রিমহলের লোকজন আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে লিটন ও সোলেমান আলীর ললুভ দৃস্টি পড়ে। সেই থেকে তারা খলিলুর রহমানের কাছে জমি পাবে বলে অনৈতিক দাবী করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় খলিলুর রহমানের সরলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উক্ত জমিটি লিটন, সোলেমান আলী পরিবার মিলে জোর পূর্বক দখল করে নেয়। এ বিষয়ে একাধীকবার স্থানীয় শালিস বৈঠক করেও কোন প্রকার কর্ণপাত করছে না তারা। ঐ জমিতে থাকা খলিলুরের লাগানো গাছ-গাছালি এবং বাঁশ-ঝাড় জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায় লিটন, সোলেমান ও তার লোকজন। খলিলুর রহমানের পরিবারের লোকজন বাঁধা প্রদান করতে গেলে তাদের বেধরক মারপিট করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অপরদিকে খলিলুর রহমানের পরিবারের ১৮ জন অসহায় মানুষের নাম উল্লেখ করে মোট ৩টি মামলা দায়ের করেন বিবাদী পক্ষের আবু বক্কর সিদ্দিক। খলিলুর রহমান সঠিক তদন্ত ও বিচার চেয়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা অফিসার ইনচার্জ, ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও কোন দপ্তর থেকে অদ্যবদী সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পরেন তিনি। খলিলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিবাদী পক্ষের ভাই রফিকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ আলী এ্যাডভোকেট হওয়ার কারণে তার কু-পরামর্শে আমি এবং আমার পরিবারে লোক জনের নামে বিভিন্ন প্রকারের মিথ্যা মামলা মোকোদ্দমা দিয়ে তাদের হয়রানী করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, ঐ ৩০ শতক জমি আমার দাদার পৈত্রিক সম্পতি, তাদের দখলে ছিলো, পরে আমরা দখল করে নিয়েছি। তারা ২টি মামলা কেেছ তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। প্রভাবশালী আবু বক্কর সিদ্দিকের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে এবং পিতার দেওয়া শেষ সম্বল জমিটুকু ফিরিয়ে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভুগি খলিলুর রহমানের পরিবার।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
Popular Post

ডোমার চিলাহাটিতে অসহায় পরিবারের জমি দখল! প্রতিবাদ করায় মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

Update Time : 01:52:42 pm, Sunday, 6 September 2026

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে এক অসহায় পরিবারে শেষ সম্বল জমিটুকু দখল করে নিয়ে, প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে কিছু কুচক্রি মহলের লোকের বিরুদ্ধে।
অসহায় পরিবারের লোকজন পতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করলেও কোন প্রকার ফল না পাওয়ায় হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে ভুক্তভুগি পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়নের নিজ ভোগডাবুড়ী কাঁঠালতলী গ্রামে। পরিবারের অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উক্ত গ্রামের মৃত আব্দুল বাতেন খমিরের ছেলে খলিলুর রহমান তার পিতার নামীয় রেকর্ডভুক্ত ৩০ শতক জমি পৈত্রিক সুত্রে মালিক হয়। সেই থেকে খলিলুর রহমান তার পরিবার পরিজন নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে জামিটি ভোগদখল করে চাষ আবাদ করে আসছে। ঐ জমিটির উপর এলাকার কিছু কুচক্রিমহলের লোকজন আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে লিটন ও সোলেমান আলীর ললুভ দৃস্টি পড়ে। সেই থেকে তারা খলিলুর রহমানের কাছে জমি পাবে বলে অনৈতিক দাবী করতে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় খলিলুর রহমানের সরলতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উক্ত জমিটি লিটন, সোলেমান আলী পরিবার মিলে জোর পূর্বক দখল করে নেয়। এ বিষয়ে একাধীকবার স্থানীয় শালিস বৈঠক করেও কোন প্রকার কর্ণপাত করছে না তারা। ঐ জমিতে থাকা খলিলুরের লাগানো গাছ-গাছালি এবং বাঁশ-ঝাড় জোরপূর্বক কেটে নিয়ে যায় লিটন, সোলেমান ও তার লোকজন। খলিলুর রহমানের পরিবারের লোকজন বাঁধা প্রদান করতে গেলে তাদের বেধরক মারপিট করে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অপরদিকে খলিলুর রহমানের পরিবারের ১৮ জন অসহায় মানুষের নাম উল্লেখ করে মোট ৩টি মামলা দায়ের করেন বিবাদী পক্ষের আবু বক্কর সিদ্দিক। খলিলুর রহমান সঠিক তদন্ত ও বিচার চেয়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা অফিসার ইনচার্জ, ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরেও কোন দপ্তর থেকে অদ্যবদী সহযোগিতা না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পরেন তিনি। খলিলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, বিবাদী পক্ষের ভাই রফিকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ আলী এ্যাডভোকেট হওয়ার কারণে তার কু-পরামর্শে আমি এবং আমার পরিবারে লোক জনের নামে বিভিন্ন প্রকারের মিথ্যা মামলা মোকোদ্দমা দিয়ে তাদের হয়রানী করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুবক্কর সিদ্দিক জানান, ঐ ৩০ শতক জমি আমার দাদার পৈত্রিক সম্পতি, তাদের দখলে ছিলো, পরে আমরা দখল করে নিয়েছি। তারা ২টি মামলা কেেছ তাই আমরাও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। প্রভাবশালী আবু বক্কর সিদ্দিকের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি পেতে এবং পিতার দেওয়া শেষ সম্বল জমিটুকু ফিরিয়ে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভুগি খলিলুর রহমানের পরিবার।