ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

হাদির হত্যাকারীদের ১৪ দিনের রিমান্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় আদালত।

রোববার (৮ মার্চ) উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তাদের হাজির করা হলে বিচারক এ নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগে শনিবার ও রোববার মধ্যবর্তী রাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি আবারও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল। সে উদ্দেশ্যে তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। সুযোগ বুঝে তারা আবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।

এসটিএফ সূত্রের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই হাদি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সর্বশেষ তাদের অবস্থান ছিল বনগাঁয়।

তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তের স্বার্থে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই আদালতে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর জানা যায়, হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল এবং তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ।

তখন বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সামি ও পুত্তি নামে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তারা ফয়সালকে সীমান্ত পার হতে সহযোগিতা করেছিলেন। তবে পরে মেঘালয় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করে।

অন্য একটি সূত্রের দাবি, তৎকালীন উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়নি। সে সময় পুলিশের ধারণা ছিল, ফয়সাল মেঘালয় বা আসামের কোথাও আত্মগোপনে রয়েছেন। সামি ও পুত্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। যদিও এ বিষয়ে মেঘালয় পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

পরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার হন হাদি হত্যার এই দুই মূল অভিযুক্ত।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

হাদির হত্যাকারীদের ১৪ দিনের রিমান্ড

আপডেট সময় ১০:১০:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি স্থানীয় আদালত।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

রোববার (৮ মার্চ) উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিধাননগর মহকুমা আদালতে তাদের হাজির করা হলে বিচারক এ নির্দেশ দেন। তবে বর্তমানে তাদের কোথায় রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

এর আগে শনিবার ও রোববার মধ্যবর্তী রাতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি আবারও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিল। সে উদ্দেশ্যে তারা সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন বনগাঁ এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। সুযোগ বুঝে তারা আবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।

এসটিএফ সূত্রের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনই হাদি হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন এবং গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। সর্বশেষ তাদের অবস্থান ছিল বনগাঁয়।

তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তের স্বার্থে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই আদালতে পুলিশ রিমান্ড আবেদন করা হয় বলে জানিয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এর আগে গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর জানা যায়, হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল এবং তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালাতে সহায়তা করার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পুলিশ।

তখন বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সামি ও পুত্তি নামে দুই ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযোগ ছিল, তারা ফয়সালকে সীমান্ত পার হতে সহযোগিতা করেছিলেন। তবে পরে মেঘালয় পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করে।

অন্য একটি সূত্রের দাবি, তৎকালীন উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়নি। সে সময় পুলিশের ধারণা ছিল, ফয়সাল মেঘালয় বা আসামের কোথাও আত্মগোপনে রয়েছেন। সামি ও পুত্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। যদিও এ বিষয়ে মেঘালয় পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

পরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার হন হাদি হত্যার এই দুই মূল অভিযুক্ত।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরা দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে গুরুতর আহত করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন