ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ভারতের নিরাপত্তায় চিকেনস নেক ইস্যু, কী ভাবছেন মোদি?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারতের চিকেনস নেক খ্যাত শিলিগুড়ি করিডরকে আলাদা করার চেষ্টা করছে কিছু টুকরো টুকরো গ্যাং। শিলিগুড়িতে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এর পিছনে মমতা ব্যানার্জির তোষণের রাজনীতি আছে বলে অভিযোগ করেছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) শিলিগুড়ির কাউয়াখালীতে নির্বাচনি প্রচারণা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিলিগুড়ি ভারতের জাতীয় সড়ক সুরক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়ি করিডোর কেবলমাত্র শব্দ নয়, তৃণমূলের সরকার তোষণের রাজনীতির কারণে ভোট ব্যাংককে খুশি করতে এই কাজ করেছে।

গোটা দেশে একটা টুকরো টুকরো গ্যাং আছে উল্লেখ করে মোদি বলেন, এই গ্যাং শিলিগুড়ি করিডোরকে দেশ থেকে আলাদা করার হুমকি দিয়েছে। তোষণের রাজনীতির কারণে এই তৃণমূল সরকার এইসব লোকদের সড়ক থেকে একেবারে সংসদ পর্যন্ত সমর্থন দেয়। এটাই তৃণমূলের আসল চেহারা।
তোষণের রাজনীতির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে রাজ্য সরকারের বাজেটে মাদরাসার উন্নয়নে তৃণমূল সরকার ৬০০০ কোটি রুপির অর্থ বরাদ্দ করেছে। অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য বাংলার সরকার বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করেনি।

এদিকে নির্বাচনি প্রচারণায় থেকে ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ছাড় দেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেছেন, যারা বাংলা বিরোধী, সেই বিজেপিকে একটি ভোটও দেবেন না। তাদের কোন অধিকার নেই বাংলায় এসে ভোট চাওয়ার।
মমতার দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাই আগে আপনি পদত্যাগ করুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হয়েছিলেন, ক্ষমতা থাকলে, হিম্মত থাকলে তারও পদত্যাগ করা উচিত।

আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

ভারতের নিরাপত্তায় চিকেনস নেক ইস্যু, কী ভাবছেন মোদি?

আপডেট সময় ১২:৩৪:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারতের চিকেনস নেক খ্যাত শিলিগুড়ি করিডরকে আলাদা করার চেষ্টা করছে কিছু টুকরো টুকরো গ্যাং। শিলিগুড়িতে নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি এর পিছনে মমতা ব্যানার্জির তোষণের রাজনীতি আছে বলে অভিযোগ করেছেন।
রোববার (১২ এপ্রিল) শিলিগুড়ির কাউয়াখালীতে নির্বাচনি প্রচারণা থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিলিগুড়ি ভারতের জাতীয় সড়ক সুরক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিলিগুড়ি করিডোর কেবলমাত্র শব্দ নয়, তৃণমূলের সরকার তোষণের রাজনীতির কারণে ভোট ব্যাংককে খুশি করতে এই কাজ করেছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

গোটা দেশে একটা টুকরো টুকরো গ্যাং আছে উল্লেখ করে মোদি বলেন, এই গ্যাং শিলিগুড়ি করিডোরকে দেশ থেকে আলাদা করার হুমকি দিয়েছে। তোষণের রাজনীতির কারণে এই তৃণমূল সরকার এইসব লোকদের সড়ক থেকে একেবারে সংসদ পর্যন্ত সমর্থন দেয়। এটাই তৃণমূলের আসল চেহারা।
তোষণের রাজনীতির উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে রাজ্য সরকারের বাজেটে মাদরাসার উন্নয়নে তৃণমূল সরকার ৬০০০ কোটি রুপির অর্থ বরাদ্দ করেছে। অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য বাংলার সরকার বাজেটে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করেনি।

এদিকে নির্বাচনি প্রচারণায় থেকে ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ছাড় দেননি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি বলেছেন, যারা বাংলা বিরোধী, সেই বিজেপিকে একটি ভোটও দেবেন না। তাদের কোন অধিকার নেই বাংলায় এসে ভোট চাওয়ার।
মমতার দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তাই আগে আপনি পদত্যাগ করুন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হয়েছিলেন, ক্ষমতা থাকলে, হিম্মত থাকলে তারও পদত্যাগ করা উচিত।

আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।