ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বাংলা কিউআরে একে অপরকে টাকা পাঠানো যাবে আগামী মাস থেকেই: গভর্নর

সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনতে আগামী নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির লেনদেন চালু হবে। এ ব্যবস্থায় রিকশাচালক, মুচিসহ সবার নিজস্ব কিউআর কোড থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ কথা বলেন। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, বাংলা কিউআরের বাস্তবায়ন চার ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপে বাংলা কিউআরের কার্যক্ষমতা যাচাই করা হয়। আন্তঃসংযোগভিত্তিক এ লেনদেনব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক লেনদেন সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল বলে জানান গভর্নর।

মোস্তাকুর রহমান আরও জানান, মাস্টারকার্ডের ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হলেও দেশের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ৩০০টি লেনদেনের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছিল।
প্রায় ১০০টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এ আন্তঃসংযোগভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল বলে জানান গভর্নর। হঠাৎ করে বাংলা কিউআর সবার জন্য বাধ্যতামূলক করলে ব্যবস্থাটির কার্যক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে প্রায় দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে কার্যক্ষমতা নিয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি দেখা যায়।

গত ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরের প্রচার ও প্রসারের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে লেনদেনের ক্ষেত্রে যে চার্জ ছিল, তা শূন্য করা হয়েছে। গভর্নর জানান, দুই হাজার, পাঁচ হাজার, এক লাখ কিংবা দুই লাখ টাকা হোক, যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

আগামী নভেম্বরে বাংলা কিউআরের চতুর্থ ধাপ শুরু হবে। এ পর্যায়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে লেনদেনের সুযোগ চালু করা হবে। একজন ব্যক্তি অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন।

বাংলা কিউআরের অগ্রগতি তুলে ধরে গভর্নর বলেন, জুনের প্রথম সপ্তাহে এ ব্যবস্থায় প্রতি সপ্তাহের দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ১৮০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। এ সময়ে লেনদেনের পরিমাণ চার গুণের বেশি বেড়েছে।

মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, এ অগ্রগতিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দৈনিক প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে এ ব্যবস্থাকে যুক্তিসংগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যাবে।

বাংলা কিউআর নিয়ে এখন শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানান গভর্নর। গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময়ও বাংলা কিউআর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।

আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

হোয়াটসঅ্যাপ দিয়ে আয়ের সুযোগ

বাংলা কিউআরে একে অপরকে টাকা পাঠানো যাবে আগামী মাস থেকেই: গভর্নর

আপডেট সময় ০৪:০২:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল লেনদেনের আওতায় আনতে আগামী নভেম্বর থেকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির লেনদেন চালু হবে। এ ব্যবস্থায় রিকশাচালক, মুচিসহ সবার নিজস্ব কিউআর কোড থাকবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ কথা বলেন। ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মোস্তাকুর রহমান বলেন, বাংলা কিউআরের বাস্তবায়ন চার ধাপে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রথম ধাপে নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা কার্যকর করা হয়েছে। ১ জুলাই থেকে সবার জন্য বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপে বাংলা কিউআরের কার্যক্ষমতা যাচাই করা হয়। আন্তঃসংযোগভিত্তিক এ লেনদেনব্যবস্থায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক লেনদেন সামাল দেওয়ার সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি ছিল বলে জানান গভর্নর।

মোস্তাকুর রহমান আরও জানান, মাস্টারকার্ডের ব্যবস্থায় প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হলেও দেশের ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ প্রতি সেকেন্ডে ৩০০টি লেনদেনের সক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়েছিল।
প্রায় ১০০টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে এ আন্তঃসংযোগভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল বলে জানান গভর্নর। হঠাৎ করে বাংলা কিউআর সবার জন্য বাধ্যতামূলক করলে ব্যবস্থাটির কার্যক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে প্রায় দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যে কার্যক্ষমতা নিয়ে সন্তোষজনক অগ্রগতি দেখা যায়।

গত ১ অক্টোবর থেকে বাংলা কিউআরের প্রচার ও প্রসারের উদ্যোগ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে লেনদেনের ক্ষেত্রে যে চার্জ ছিল, তা শূন্য করা হয়েছে। গভর্নর জানান, দুই হাজার, পাঁচ হাজার, এক লাখ কিংবা দুই লাখ টাকা হোক, যেকোনো অঙ্কের লেনদেনের ক্ষেত্রে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

আগামী নভেম্বরে বাংলা কিউআরের চতুর্থ ধাপ শুরু হবে। এ পর্যায়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তির মধ্যে লেনদেনের সুযোগ চালু করা হবে। একজন ব্যক্তি অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারবেন।

বাংলা কিউআরের অগ্রগতি তুলে ধরে গভর্নর বলেন, জুনের প্রথম সপ্তাহে এ ব্যবস্থায় প্রতি সপ্তাহের দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ১৮০ কোটি টাকায় পৌঁছায়। এ সময়ে লেনদেনের পরিমাণ চার গুণের বেশি বেড়েছে।

মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, এ অগ্রগতিকে চূড়ান্ত সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দৈনিক প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হলে এ ব্যবস্থাকে যুক্তিসংগত অবস্থানে পৌঁছেছে বলে বিবেচনা করা যাবে।

বাংলা কিউআর নিয়ে এখন শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানান গভর্নর। গুগল, মেটা ও হুয়াওয়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময়ও বাংলা কিউআর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে।