ঢাকা ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বাংলাদেশ-ভারত নদী ইস্যুতে কলকাতায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক শুরু হচ্ছে কলকাতায়। বুধবার বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল কলকাতায় পৌঁছানোর পর তিন দিনের বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বৃহস্পতিবার, চলবে শনিবার পর্যন্ত। আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে যোগ দেবেন ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। প্রতিনিধি দলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের তরফে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ারের।

যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরন ইস্যু। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তার আগে এটাই সর্বশেষ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক।

বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার বিকেলেই কলকাতায় পৌঁছানোর কথা বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের। বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই তারা পৌঁছাবেন মুর্শিদাবাদে। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে আসবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে বৈঠক।

গঙ্গার ফরাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম প্রবাহিত হলে, পানি দুই দেশ সমানভাবে ভাগ করে নেবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক পর্যন্ত। তবে ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি প্রবাহ জলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পূর্ণ অংশ পাবে বাংলাদেশ।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

যেসব অঞ্চলে সকালের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

বাংলাদেশ-ভারত নদী ইস্যুতে কলকাতায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শুরু

আপডেট সময় ০৯:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের ৯০তম বৈঠক শুরু হচ্ছে কলকাতায়। বুধবার বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল কলকাতায় পৌঁছানোর পর তিন দিনের বৈঠক আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বৃহস্পতিবার, চলবে শনিবার পর্যন্ত। আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে যোগ দেবেন ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। প্রতিনিধি দলে আছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের ডিরেক্টর মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাই কমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।

ভারতের তরফে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা কেন্দ্রের জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের এক যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ারের।

যৌথ নদী কমিশনের এবারের বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির পুনর্নবীকরন ইস্যু। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। তার আগে এটাই সর্বশেষ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক।

বৈঠকে যোগ দিতে বুধবার বিকেলেই কলকাতায় পৌঁছানোর কথা বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের। বৃহস্পতিবার বৈঠকের শুরুতেই তারা পৌঁছাবেন মুর্শিদাবাদে। সেখানে বৈঠকের ফাঁকেই ফারাক্কায় নেমে গঙ্গা নদীর পানি পরিমাপ করবেন তারা। পরের দিন শুক্রবার তারা ফিরে আসবেন কলকাতায়। কলকাতার শুক্র ও শনিবার একটি অভিজাত হোটেলে হবে বৈঠক।

গঙ্গার ফরাক্কা পয়েন্টে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম প্রবাহিত হলে, পানি দুই দেশ সমানভাবে ভাগ করে নেবে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ পাবে ৩৫ হাজার কিউসেক পর্যন্ত। তবে ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি প্রবাহ জলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পূর্ণ অংশ পাবে বাংলাদেশ।