সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘স্প্রিংবক প্রাইভেট লিমিটেড’ ফিফার কাছ থেকে বাংলাদেশের সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছিল। স্থানীয়ভাবে তা বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায় প্রতিষ্ঠানটি। ফলে টুর্নামেন্ট শুরুর দুই সপ্তাহেরও কম সময় আগে বাংলাদেশে কার্যত কোনো সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানই ছিলো না। এই জটিলতা নিরসনে বড় ভূমিকা পালন করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।
জানা গেছে, তারা একসঙ্গে বিভিন্ন ক্রীড়া চ্যানেল, জাতীয় গণমাধ্যম, টেলিকম সংস্থা এবং একাধিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একই সঙ্গে ডিজিটাল ও টেলিকম খাতের নতুন আয়ের উৎস খুঁজে বের করেন, যা আগের কোনো বিশ্বকাপের সময় ব্যবহার করা হয়নি।
এবার বাংলাদেশ থেকে কেবল এই তিনটি টেলিভিশন চ্যানেলেই বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখতে পারবেন দর্শকরা। এছাড়া বাংলাদেশে ডিজিটাল মাধ্যমে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো উপভোগ করা যাবে বাংলালিংকের ওটিটি সেবা টফি এবং গ্রামীণফোনের বায়োস্কোপ-এ।
আরও জানা গেছে, এবার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিভির কোনো আর্থিক খরচ থাকছে না; সম্প্রচারের সম্পূর্ণ ব্যয় স্যাটেলাইট চ্যানেল ও টেলিকম অপারেটররা যৌথভাবে বহন করছে।
অনলাইন ডেস্ক : 


























