ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চারা বিতরণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় গাছের চারা, হাত ধোয়ার যন্ত্র ও ময়লা ফেলার বিন বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডাসকো ফাউন্ডেশন।

দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাওয়াব’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রকল্পটির পুরো নাম — “এনহ্যান্সিং সাসটেইনেবল অ্যাকসেস টু সেফ ওয়াটার ফর ভালনারেবল কমিউনিটিস ইন দ্য বারিন্দ ট্র্যাক্ট (সাওয়াব)”।

চারা পেয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা, বরেন্দ্র স্কুল ও এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা, প্রকল্পের পুনর্খনন করা পুকুরের পাশে লাগানোর জন্য স্থানীয় কৃষকরা এবং ঘন আম বাগানে কর্মরত কৃষকরা।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় যেসব জায়গায় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সেখানে হাত ধোয়ার যন্ত্র ও বিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে রাসুলপুর কমিউনিটি ক্লিনিক, রাসুলপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নিমদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, রাসুলপুর উচ্চ বিদ্যালয়, এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ইউনাইটেড কেজি স্কুল, নিয়ামতপুর।

সামগ্রী বিতরণ করেন নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মুর্শিদা খাতুন। সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা একত্রিত হন। আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়া, প্লাস্টিক দূষণ এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের পানি সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।

বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমশ নিচে নামছে। সেই সঙ্গে অনিয়মিত বৃষ্টি আর দীর্ঘ খরায় পানির সংকট আরও গভীর হচ্ছে। সম্প্রতি সরকার এই অঞ্চলের কিছু এলাকাকে উচ্চ পানি-ঝুঁকির এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জরুরি করে তুলেছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মুর্শিদা খাতুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দেশ, বিশ্ব ও প্রকৃতির কথা ভেবে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। তিনি আরও বলেন, কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ডাসকো পরিচালিত সাওয়াব প্রকল্প পরিবেশ, জলবায়ু, পানি সংকট ও স্যানিটেশন পরিস্থিতির উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি স্মার্ট, সুন্দর ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

সাওয়াব প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, গত চার বছর ধরে দ্যা কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ডাসকো ফাউন্ডেশন। পরিবেশ দিবস পালন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয় — আমরা মনে করি, এ ধরনের কার্যক্রম মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

গাছ লাগানো, পানি বাঁচানো, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।

একের পর এক পুশইনের চেষ্টা, প্রতিরোধে বিজিবির কড়া নজরদারি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চারা বিতরণ

আপডেট সময় ০৬:২০:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় গাছের চারা, হাত ধোয়ার যন্ত্র ও ময়লা ফেলার বিন বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ডাসকো ফাউন্ডেশন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

দ্য কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাওয়াব’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রকল্পটির পুরো নাম — “এনহ্যান্সিং সাসটেইনেবল অ্যাকসেস টু সেফ ওয়াটার ফর ভালনারেবল কমিউনিটিস ইন দ্য বারিন্দ ট্র্যাক্ট (সাওয়াব)”।

চারা পেয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা, বরেন্দ্র স্কুল ও এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা, প্রকল্পের পুনর্খনন করা পুকুরের পাশে লাগানোর জন্য স্থানীয় কৃষকরা এবং ঘন আম বাগানে কর্মরত কৃষকরা।

এছাড়া প্রকল্পের আওতায় যেসব জায়গায় পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, সেখানে হাত ধোয়ার যন্ত্র ও বিন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে রাসুলপুর কমিউনিটি ক্লিনিক, রাসুলপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নিমদিঘী উচ্চ বিদ্যালয়, রাসুলপুর উচ্চ বিদ্যালয়, এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ইউনাইটেড কেজি স্কুল, নিয়ামতপুর।

সামগ্রী বিতরণ করেন নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মুর্শিদা খাতুন। সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, কমিউনিটি নেতা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা একত্রিত হন। আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য কমে যাওয়া, প্লাস্টিক দূষণ এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের পানি সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।

বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমশ নিচে নামছে। সেই সঙ্গে অনিয়মিত বৃষ্টি আর দীর্ঘ খরায় পানির সংকট আরও গভীর হচ্ছে। সম্প্রতি সরকার এই অঞ্চলের কিছু এলাকাকে উচ্চ পানি-ঝুঁকির এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জরুরি করে তুলেছে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ মুর্শিদা খাতুন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় দেশ, বিশ্ব ও প্রকৃতির কথা ভেবে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এবং সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। তিনি আরও বলেন, কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ডাসকো পরিচালিত সাওয়াব প্রকল্প পরিবেশ, জলবায়ু, পানি সংকট ও স্যানিটেশন পরিস্থিতির উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি স্মার্ট, সুন্দর ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়াই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

সাওয়াব প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, গত চার বছর ধরে দ্যা কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ডাসকো ফাউন্ডেশন। পরিবেশ দিবস পালন শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয় — আমরা মনে করি, এ ধরনের কার্যক্রম মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

গাছ লাগানো, পানি বাঁচানো, বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।