ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

জুমার খুতবার সময় নামাজ পড়া যাবে কি?

  • ইসলাম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:২৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 98

প্রশ্ন: জুমার খুতবা চলাকালীন জুমার সু্ন্নত বা অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যাবে? জুমার নামাজ কাদের ওপর ফরজ?

উত্তর: জুমার খুতবার সময় জুমার সুন্নত বা অন্য কোনো নফল নামাজ পড়া যাবে না। খুতবার সময় অন্য সব আমল বাদ দিয়ে খুতবা শুনতে হবে।

জুমার দিন মুমিনের করণীয় সম্পর্কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, মুসলমান ব্যক্তি যদি জুমার দিন গোসল করে মসজিদে যায়, কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকে, ইমাম বের হয়নি দেখলে যে পরিমাণ ইচ্ছা নামাজ পড়ে, ইমাম বের হয়ে থাকলে বসে যায়, চুপ থেকে খুতবা শোনে ও ইমামের সাথে নামাজ আদায় করে, তাহলে ওই জুমায়ই এ ব্যক্তির জীবনের সব গুনাহ যদি মাফ না-ও হয়, এটা তো অবশ্যই হবে যে, পরবর্তী জুমা পর্যন্ত তা তার জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। (মুসনাদে আহমদ)

অর্থাৎ সুন্নত ও নফল নামাজ আদায় করতে চাইলে খুতবার আগেই আদায় করতে হবে। ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য বের হওয়ার পর আর নামাজ শুরু করা যাবে না, বরং খুতবা শোনার জন্য বসে যেতে হবে।

জুমার খুতবা শোনার গুরুত্ব

জুমার খুতবা জুমার নামাজের অংশ। জুমার দুই রাকাত নামাজের পাশাপাশি জুমা পূর্ববর্তী ইমামের দুটি খুতবা শোনাও ওয়াজিব। যেসব কাজ নামাজের মধ্যে হারাম, তা খুতবার সময়ও হারাম। খুতবার সময় কথা বলা, অনর্থক কাজে লিপ্ত থাকা নাজায়েজ। রাসুল (সা.) খুতবার সময় চুপ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে কেউ কথা বললে তাকে ‘চুপ কর’ বলতেও নিষেধ করেছেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন খুতবার সময় যদি তুমি তোমার সঙ্গীকে বলো, চুপ কর, তাহলেও তুমি অনর্থক কথা বললে। (সহিহ বুখারি)
জুমার নামাজ যাদের ওপর ফরজ

জুমার নামাজ ফরজ মুসলমান প্রাপ্তবয়স্ক, জ্ঞানসম্পন্ন (যিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন নন) মুকিম (যিনি মুসাফির নন) স্বাধীন (যিনি ক্রিতদাস নন) নগর বা লোকালয়ের অধিবাসী পুরুষদের ওপর; যার এমন কোনো গ্রহণযোগ্য অসুবিধা, অসুস্থতা বা বার্ধক্য নেই যে কারণে তিনি মসজিদে উপস্থিত হতে ও জুমা আদায় করতে অক্ষম।

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমার নামাজ প্রত্যেক মুসলিমের উপর জামাআতের সাথে আদায় করা আবশ্যক। কিন্তু তা চার প্রকার লোকের উপর আবশ্যক নয়; ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তি। (সুনান আবু দাউদ)

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

পর্দা ও শালীনতা নিয়ে জামায়াত এমপির পুরোনো মন্তব্য নতুন করে আলোচনায়

জুমার খুতবার সময় নামাজ পড়া যাবে কি?

আপডেট সময় ০৬:২৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রশ্ন: জুমার খুতবা চলাকালীন জুমার সু্ন্নত বা অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা যাবে? জুমার নামাজ কাদের ওপর ফরজ?

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

উত্তর: জুমার খুতবার সময় জুমার সুন্নত বা অন্য কোনো নফল নামাজ পড়া যাবে না। খুতবার সময় অন্য সব আমল বাদ দিয়ে খুতবা শুনতে হবে।

জুমার দিন মুমিনের করণীয় সম্পর্কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, মুসলমান ব্যক্তি যদি জুমার দিন গোসল করে মসজিদে যায়, কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকে, ইমাম বের হয়নি দেখলে যে পরিমাণ ইচ্ছা নামাজ পড়ে, ইমাম বের হয়ে থাকলে বসে যায়, চুপ থেকে খুতবা শোনে ও ইমামের সাথে নামাজ আদায় করে, তাহলে ওই জুমায়ই এ ব্যক্তির জীবনের সব গুনাহ যদি মাফ না-ও হয়, এটা তো অবশ্যই হবে যে, পরবর্তী জুমা পর্যন্ত তা তার জন্য কাফফারা হয়ে যাবে। (মুসনাদে আহমদ)

অর্থাৎ সুন্নত ও নফল নামাজ আদায় করতে চাইলে খুতবার আগেই আদায় করতে হবে। ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য বের হওয়ার পর আর নামাজ শুরু করা যাবে না, বরং খুতবা শোনার জন্য বসে যেতে হবে।

জুমার খুতবা শোনার গুরুত্ব

জুমার খুতবা জুমার নামাজের অংশ। জুমার দুই রাকাত নামাজের পাশাপাশি জুমা পূর্ববর্তী ইমামের দুটি খুতবা শোনাও ওয়াজিব। যেসব কাজ নামাজের মধ্যে হারাম, তা খুতবার সময়ও হারাম। খুতবার সময় কথা বলা, অনর্থক কাজে লিপ্ত থাকা নাজায়েজ। রাসুল (সা.) খুতবার সময় চুপ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে কেউ কথা বললে তাকে ‘চুপ কর’ বলতেও নিষেধ করেছেন। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিন খুতবার সময় যদি তুমি তোমার সঙ্গীকে বলো, চুপ কর, তাহলেও তুমি অনর্থক কথা বললে। (সহিহ বুখারি)
জুমার নামাজ যাদের ওপর ফরজ

জুমার নামাজ ফরজ মুসলমান প্রাপ্তবয়স্ক, জ্ঞানসম্পন্ন (যিনি মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন নন) মুকিম (যিনি মুসাফির নন) স্বাধীন (যিনি ক্রিতদাস নন) নগর বা লোকালয়ের অধিবাসী পুরুষদের ওপর; যার এমন কোনো গ্রহণযোগ্য অসুবিধা, অসুস্থতা বা বার্ধক্য নেই যে কারণে তিনি মসজিদে উপস্থিত হতে ও জুমা আদায় করতে অক্ষম।

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জুমার নামাজ প্রত্যেক মুসলিমের উপর জামাআতের সাথে আদায় করা আবশ্যক। কিন্তু তা চার প্রকার লোকের উপর আবশ্যক নয়; ক্রীতদাস, নারী, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তি। (সুনান আবু দাউদ)