ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে?

  • ইসলাম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • 126

প্রশ্ন: ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে? মুক্তাদি কি সুরা ফাতেহা পড়বেন এবং সুরা মেলাবেন নাকি চুপ থাকবেন?

উত্তর: ইমামের পেছনে নামাজ আদায়কারী বা মুক্তাদি কোনো রাকাতে সুরা ফাতেহা বা অন্য কোনো সুরা পড়বেন না। ইমামের কেরাত শোনা গেলে ইমামের কেরাত শুনবেন, না শোনা গেলেও চুপ থাকবেন। যেহেতু জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে ইমামের কেরাতই মুক্তাদিদের কেরাত গণ্য হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ছে, ইমামের কেরাতই তার কেরাত। (সুনানে ইবনে মাজা)

পবিত্র কোরআনে ইমামের কোরআন তিলাওয়াতের সময় মুক্তাদিদের চুপ থেকে তিলাওয়াত শোনার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন কোরআন পড়া হয়, তখন চুপ থেকে মনোযোগ দিয়ে শোনো, হয়তো তোমাদের দয়া করা হবে। (সুরা আরাফ: ২০৪)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম আবু বকর জাসসাস (রহ.) বলেন, আয়াতটি যেভাবে ইমামের উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়ার সময় মুক্তাদিদের কেরাত পড়াকে নিষিদ্ধ করে, তেমনই এটি নিম্নস্বরে কেরাত পড়ার ক্ষেত্রেও একই নিষেধাজ্ঞা দেয়। কারণ আয়াতটি কোরআন তিলাওয়াতের সময় মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীরব থাকাকে আবশ্যক করেছে; ইমামের উচ্চৈস্বরে কেরাত আর নিম্নস্বরে কেরাতের মধ্যে পার্থ্যক্য করা হয়নি। সুতরাং ইমাম যখন উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়বেন, তখন আমাদের জন্য শোনা এবং নীরব থাকা উভয়ই জরুরি; আর যখন তিনি নিম্নস্বরে পড়বেন, তখন আমাদের জন্য নীরব থাকা আবশ্যক—যেহেতু আমরা নিশ্চিতভাবে জানি যে তিনি কোরআন পাঠ করছেন। (আহকামুল কোরআন: ৩/৩৯)

আর একা নামাজ আদায়কারী বা মুনফারিদ এবং ইমামের জন্য নামাজে কোরআন তিলাওয়াত করা ফরজ। সুরা ফাতেহা পড়া ও সুরা মেলানো ওয়াজিব। মুনফারিদ বা ইমাম যদি নামাজে কেরাত পুরোপুরি ছেড়ে দেন অর্থাৎ সুরা ফতেহা না পড়েন, সুরাও না মেলান, তাহলে ফরজ ছেড়ে দেওয়ার কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। যদি ভুল করে সুরা ফাতেহা না পড়েন, বা সুরা না মেলান, তাহলে ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার কারণে সাহু সিজদা দিতে হবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে?

আপডেট সময় ১০:০২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

প্রশ্ন: ইমামের পেছনে নামাজ পড়লে কি কোনো সুরা পড়তে হবে? মুক্তাদি কি সুরা ফাতেহা পড়বেন এবং সুরা মেলাবেন নাকি চুপ থাকবেন?

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

উত্তর: ইমামের পেছনে নামাজ আদায়কারী বা মুক্তাদি কোনো রাকাতে সুরা ফাতেহা বা অন্য কোনো সুরা পড়বেন না। ইমামের কেরাত শোনা গেলে ইমামের কেরাত শুনবেন, না শোনা গেলেও চুপ থাকবেন। যেহেতু জামাতে নামাজের ক্ষেত্রে ইমামের কেরাতই মুক্তাদিদের কেরাত গণ্য হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ইমামের পেছনে নামাজ পড়ছে, ইমামের কেরাতই তার কেরাত। (সুনানে ইবনে মাজা)

পবিত্র কোরআনে ইমামের কোরআন তিলাওয়াতের সময় মুক্তাদিদের চুপ থেকে তিলাওয়াত শোনার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ তাআলা বলেন, যখন কোরআন পড়া হয়, তখন চুপ থেকে মনোযোগ দিয়ে শোনো, হয়তো তোমাদের দয়া করা হবে। (সুরা আরাফ: ২০৪)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম আবু বকর জাসসাস (রহ.) বলেন, আয়াতটি যেভাবে ইমামের উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়ার সময় মুক্তাদিদের কেরাত পড়াকে নিষিদ্ধ করে, তেমনই এটি নিম্নস্বরে কেরাত পড়ার ক্ষেত্রেও একই নিষেধাজ্ঞা দেয়। কারণ আয়াতটি কোরআন তিলাওয়াতের সময় মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং নীরব থাকাকে আবশ্যক করেছে; ইমামের উচ্চৈস্বরে কেরাত আর নিম্নস্বরে কেরাতের মধ্যে পার্থ্যক্য করা হয়নি। সুতরাং ইমাম যখন উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়বেন, তখন আমাদের জন্য শোনা এবং নীরব থাকা উভয়ই জরুরি; আর যখন তিনি নিম্নস্বরে পড়বেন, তখন আমাদের জন্য নীরব থাকা আবশ্যক—যেহেতু আমরা নিশ্চিতভাবে জানি যে তিনি কোরআন পাঠ করছেন। (আহকামুল কোরআন: ৩/৩৯)

আর একা নামাজ আদায়কারী বা মুনফারিদ এবং ইমামের জন্য নামাজে কোরআন তিলাওয়াত করা ফরজ। সুরা ফাতেহা পড়া ও সুরা মেলানো ওয়াজিব। মুনফারিদ বা ইমাম যদি নামাজে কেরাত পুরোপুরি ছেড়ে দেন অর্থাৎ সুরা ফতেহা না পড়েন, সুরাও না মেলান, তাহলে ফরজ ছেড়ে দেওয়ার কারণে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে। যদি ভুল করে সুরা ফাতেহা না পড়েন, বা সুরা না মেলান, তাহলে ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার কারণে সাহু সিজদা দিতে হবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন