ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে বাদপড়াদের নিয়ে ইউটিএলের বিবৃতি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে নানা অভিযোগে বাদপড়ার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।

শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান বলেন, বাদ পড়া প্রার্থীরা প্রত্যেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকলে এর সুনির্দিষ্ট কারণ ও আইনগত ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। কারণ ভেরিফিকেশন কখনই রাজনৈতিক-মতাদর্শিক বৈষম্য, হয়রানি বা বাছাইয়ের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে না।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে কারো রাজনৈতিক মতামত, ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে চাকরিবঞ্চিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্দিষ্ট অপরাধ বা আইনগত অযোগ্যতার প্রমাণ ছাড়া নিছক অনুমান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা মতপার্থক্যের ভিত্তিতে কাউকে সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত ১৭ বছর গোপন প্রতিবেদনের নামে রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা করে নাগরিকের চাকরি ও ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হয়েছে যা আর চলতে পারে না। কোনো সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করতে হলে সেই প্রতিবেদনের আইনগত ভিত্তি ও যৌক্তিকতা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে যথাযথ সুযোগ দিতে হবে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ ঘিরেও নানামাত্রিক প্রশ্ন উথ্থাপিত হয়েছে। জুলাই পরবর্তী সময়ে একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের এবং সরকারি চাকরি যে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার নয়- সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্বও সরকারের।

ইউটিএল অবিলম্বে বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা, অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন এবং প্রয়োজনে পুনঃতদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ মনে করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভেরিফিকেশনের নামে এ বৈষম্য ও মতাদর্শিক বাছাই প্রক্রিয়া ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

নির্বাচনে প্রার্থীর ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা প্রশ্নে রুল

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে বাদপড়াদের নিয়ে ইউটিএলের বিবৃতি

আপডেট সময় ১২:৩০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশনের নামে নানা অভিযোগে বাদপড়ার প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল)।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. যুবাঈর মুহাম্মদ এহসান বলেন, বাদ পড়া প্রার্থীরা প্রত্যেকেই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার ভিত্তিতে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ভেরিফিকেশনের নামে তাদের বাদ দেওয়া হয়ে থাকলে এর সুনির্দিষ্ট কারণ ও আইনগত ভিত্তি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। কারণ ভেরিফিকেশন কখনই রাজনৈতিক-মতাদর্শিক বৈষম্য, হয়রানি বা বাছাইয়ের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে না।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে কারো রাজনৈতিক মতামত, ব্যক্তিগত বিশ্বাস বা সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে চাকরিবঞ্চিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নির্দিষ্ট অপরাধ বা আইনগত অযোগ্যতার প্রমাণ ছাড়া নিছক অনুমান, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা মতপার্থক্যের ভিত্তিতে কাউকে সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিগত ১৭ বছর গোপন প্রতিবেদনের নামে রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা করে নাগরিকের চাকরি ও ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হয়েছে যা আর চলতে পারে না। কোনো সরকারি সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত কোনো প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল করতে হলে সেই প্রতিবেদনের আইনগত ভিত্তি ও যৌক্তিকতা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে যথাযথ সুযোগ দিতে হবে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর উদ্যোগ ঘিরেও নানামাত্রিক প্রশ্ন উথ্থাপিত হয়েছে। জুলাই পরবর্তী সময়ে একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের এবং সরকারি চাকরি যে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার নয়- সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্বও সরকারের।

ইউটিএল অবিলম্বে বাদ পড়া সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন প্রতিবেদন পুনঃপর্যালোচনা, অভিযোগের যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপন এবং প্রয়োজনে পুনঃতদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

ইউটিএল নেতৃবৃন্দ মনে করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ভেরিফিকেশনের নামে এ বৈষম্য ও মতাদর্শিক বাছাই প্রক্রিয়া ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।