ঢাকা ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ঢাবিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে পদ হারালেন ছাত্রদলের ৩ নেতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে তিনজনই ছাত্রদলের পদধারী নেতা। এই ঘটনায় আলোচনায় আসা ওই তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

অব্যাহতি পাওয়া ছাত্রদল নেতারা হলেন জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চন্দন দাস, যুগ্ম আহ্বায়ক ঝলক দাস এবং যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন চন্দ্র সরকার।

সোমবার (২৫ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় জগন্নাথ হলের রবীন্দ্র ভবনের নিচে একটি চায়ের দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহের সঙ্গে বিরোধ বাধে। হাঁটুতে সমস্যা থাকায় অভয় পা তুলে বসেছিলেন। পরে তিনি রুমে ফিরলে অভিযুক্তরা তার কক্ষে গিয়ে তাকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করেন এবং দোকানের দিকে আর না যাওয়ার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী অভয় কুমার সিংহ ফেসবুকে লেখেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ কক্ষে থাকা সত্ত্বেও তাকে এভাবে মারধর করা শুধু অমানবিকই নয়, এটি জগন্নাথ হলের মানবিক পরিবেশের জন্যও অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি দোষীদের বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট দেবাশীষ পাল বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমাকে রাতেই অবগত করা হয়েছে। আমি ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. শিমুল হালদারকে আহবায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এখন যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, তাই ক্যাম্পাসে যারা আছেন তাদেরকে সদস্য করে কমিটি করেছি। ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে চিটি ইস্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলেছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রতিবেদন পেলেই সেটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর জমা দিবো।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।

ইতিহাসের এই দিনে : ৪ জুন ২০২৬ইং

ঢাবিতে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে পদ হারালেন ছাত্রদলের ৩ নেতা

আপডেট সময় ০৬:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের একটি দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে এক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

এই ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে তিনজনই ছাত্রদলের পদধারী নেতা। এই ঘটনায় আলোচনায় আসা ওই তিন নেতাকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

অব্যাহতি পাওয়া ছাত্রদল নেতারা হলেন জগন্নাথ হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক চন্দন দাস, যুগ্ম আহ্বায়ক ঝলক দাস এবং যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন চন্দ্র সরকার।

সোমবার (২৫ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় জগন্নাথ হলের রবীন্দ্র ভবনের নিচে একটি চায়ের দোকানে পা তুলে বসাকে কেন্দ্র করে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী অভয় কুমার সিংহের সঙ্গে বিরোধ বাধে। হাঁটুতে সমস্যা থাকায় অভয় পা তুলে বসেছিলেন। পরে তিনি রুমে ফিরলে অভিযুক্তরা তার কক্ষে গিয়ে তাকে সংঘবদ্ধভাবে মারধর করেন এবং দোকানের দিকে আর না যাওয়ার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী অভয় কুমার সিংহ ফেসবুকে লেখেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ কক্ষে থাকা সত্ত্বেও তাকে এভাবে মারধর করা শুধু অমানবিকই নয়, এটি জগন্নাথ হলের মানবিক পরিবেশের জন্যও অত্যন্ত লজ্জাজনক। তিনি দোষীদের বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট দেবাশীষ পাল বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে আমাকে রাতেই অবগত করা হয়েছে। আমি ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ড. শিমুল হালদারকে আহবায়ক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। এখন যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, তাই ক্যাম্পাসে যারা আছেন তাদেরকে সদস্য করে কমিটি করেছি। ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে চিটি ইস্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমি দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলেছি। আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রতিবেদন পেলেই সেটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর বরাবর জমা দিবো।