ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ভারত থেকে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল আসছে এপ্রিলে

ফাইল ছবি

দেশে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল আসছে ভারত থেকে। এপ্রিলে এই ডিজেল দেশে আসবে। ইতোমধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) জ্বালানি বিভাগকে তেল দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ১১ মার্চ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পাইপলাইন দিয়ে ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করেছে।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আরও ৪৩ হাজার টন ডিজেল বিক্রির প্রস্তাব বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক। এ কারণে তেলের ওপর রেশনিং তুলে নেওয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার জ্বালানিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে এ বছরের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টন ডিজেল বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে ভারতের হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেকদিন ধরে জ্বালানি সহযোগিতার চুক্তি আছে। সেই ব্যাপারে ভারত আলাপ-আলোচনা করছে। এর মধ্যে শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আইওসিএল এক চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, আপাতত তারা ৩৪ হাজার টন ডিজেল দিতে পারে। বাকি চাহিদার ব্যাপারে তারা পরে জানাবে। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক দামে দেশটি থেকে পরিশোধিত ডিজেল কিনছে। এর সঙ্গে তেলের পরিবহণ খরচ হিসাবে প্রতি ব্যারেলে ৫ ডলার করে প্রিমিয়াম দিতে হয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসিকে। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের কাছে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে প্রতিবছর ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল ক্রয়ের কথা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এ বছর সরকার সেই জায়গায় ২ লাখ ৬০ হাজার টন ডিজেল দিতে বলেছে ভারতকে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গত সপ্তাহে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেছেন, ভারত বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশে তেল বিক্রির ব্যাপারে চিন্তা করছে। কারণ, ভারত প্রথম তার নাগরিকের চাহিদা পূরণ করে প্রতিবেশীদের তেল দিতে চাইছে।

এর মধ্যে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কিছু শর্তে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে। আগে থেকেই ভারত রাশিয়ার তেলের অন্যতম ক্রেতা। এখন ওই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় ভারতের জন্য বেশ সুবিধা হয়েছে। এখন তারা প্রতিবেশী দেশে তেল বিক্রি করতে পারছে।

বাংলাদেশে প্রতিবছর ৬৬ লাখ টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে ডিজেলই ৪৪ লাখ টনের বেশি। এ বছর গ্যাসের সংকট বাড়তি থাকায় এ চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। বিপিসি জানিয়েছে, এখন চলছে ইরি-বোরো মৌসুম। এ মৌসুমে সেচ কাজের জন্য কৃষকদের ৮ লাখ টন ডিজেল দরকার হয়। তবে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে এখন ইরি-বোরো সেচ অনেকটা এগিয়ে আছে। ডিজেল চাহিদা অনেকটা কমে এসেছে। বেশির ভাগ এলাকা চাষের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই সেচের জন্য ডিজেলের খুব বেশি চাহিদা নেই।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মার্চে ডিজেল এবং অকটেন, পেট্রোল সরবরাহে তেমন কোনো সমস্যা নাও থাকতে পারে। এপ্রিলে ভারত এবং অন্য সোর্স থেকে পেলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা ঘোরাতে সমস্যা হবে না।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

ভারত থেকে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল আসছে এপ্রিলে

আপডেট সময় ০৫:০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

দেশে আরও ৩৪ হাজার টন ডিজেল আসছে ভারত থেকে। এপ্রিলে এই ডিজেল দেশে আসবে। ইতোমধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) জ্বালানি বিভাগকে তেল দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে ১১ মার্চ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের পাইপলাইন দিয়ে ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করেছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আরও ৪৩ হাজার টন ডিজেল বিক্রির প্রস্তাব বাংলাদেশের জন্য স্বস্তিদায়ক। এ কারণে তেলের ওপর রেশনিং তুলে নেওয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার জ্বালানিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে এ বছরের জন্য ২ লাখ ৬০ হাজার টন ডিজেল বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে ভারতের হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে অনেকদিন ধরে জ্বালানি সহযোগিতার চুক্তি আছে। সেই ব্যাপারে ভারত আলাপ-আলোচনা করছে। এর মধ্যে শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান আইওসিএল এক চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, আপাতত তারা ৩৪ হাজার টন ডিজেল দিতে পারে। বাকি চাহিদার ব্যাপারে তারা পরে জানাবে। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক দামে দেশটি থেকে পরিশোধিত ডিজেল কিনছে। এর সঙ্গে তেলের পরিবহণ খরচ হিসাবে প্রতি ব্যারেলে ৫ ডলার করে প্রিমিয়াম দিতে হয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসিকে। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের কাছে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে প্রতিবছর ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল ক্রয়ের কথা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এ বছর সরকার সেই জায়গায় ২ লাখ ৬০ হাজার টন ডিজেল দিতে বলেছে ভারতকে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গত সপ্তাহে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেছেন, ভারত বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশে তেল বিক্রির ব্যাপারে চিন্তা করছে। কারণ, ভারত প্রথম তার নাগরিকের চাহিদা পূরণ করে প্রতিবেশীদের তেল দিতে চাইছে।

এর মধ্যে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর কিছু শর্তে বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে। আগে থেকেই ভারত রাশিয়ার তেলের অন্যতম ক্রেতা। এখন ওই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় ভারতের জন্য বেশ সুবিধা হয়েছে। এখন তারা প্রতিবেশী দেশে তেল বিক্রি করতে পারছে।

বাংলাদেশে প্রতিবছর ৬৬ লাখ টন জ্বালানি তেলের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে ডিজেলই ৪৪ লাখ টনের বেশি। এ বছর গ্যাসের সংকট বাড়তি থাকায় এ চাহিদা আরও বেড়ে যাবে। বিপিসি জানিয়েছে, এখন চলছে ইরি-বোরো মৌসুম। এ মৌসুমে সেচ কাজের জন্য কৃষকদের ৮ লাখ টন ডিজেল দরকার হয়। তবে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে এখন ইরি-বোরো সেচ অনেকটা এগিয়ে আছে। ডিজেল চাহিদা অনেকটা কমে এসেছে। বেশির ভাগ এলাকা চাষের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই সেচের জন্য ডিজেলের খুব বেশি চাহিদা নেই।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মার্চে ডিজেল এবং অকটেন, পেট্রোল সরবরাহে তেমন কোনো সমস্যা নাও থাকতে পারে। এপ্রিলে ভারত এবং অন্য সোর্স থেকে পেলে দেশের অর্থনৈতিক চাকা ঘোরাতে সমস্যা হবে না।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন