ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

পদ্মায় পানি বাড়ছে হু হু করে, বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে

রাজশাহীতে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় রাজশাহী পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ১৭ দশমিক ৩০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমার মাত্র ১৮ দশমিক ০৫ মিটারের চেয়ে নিচে।

পানি বাড়তে থাকায় পদ্মার দক্ষিণ তীরের চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এতে এসব এলাকার অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের মিটারগেজ রিডার এনামুল হক জানান, পদ্মার পানি বাড়লেও বর্তমানে রাজশাহী শহররক্ষা বাঁধ নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাঁধের কোনো স্থানে ঝুঁকি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘এখনো পদ্মার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীর দক্ষিণ তীরের চরাঞ্চলগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার ৬টায় পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ১৫ মিটার। সেখান থেকে শুক্রবার সকাল ৯টায় তা বেড়ে ১৭ দশমিক ২০ মিটারে পৌঁছেছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় ১৭ দশমিক ৩০ মিটারে পৌঁছেছে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, উজানের ঢলে গত প্রায় ১০ দিন ধরে পদ্মায় পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ০৫ মিটার। তিন ঘণ্টা পর দুপুর ৩টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ দশমিক ১২ মিটারে। অর্থাৎ তিন ঘণ্টায় পদ্মার পানি বেড়েছিল ৭ সেন্টিমিটার। এরপরও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে পানি বাড়ার কারণে রাজশাহী শহরের বিপরীত পাশে ভারত সীমান্তঘেঁষা চরখিদিরপুর ও খানপুরের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার অনেক বাসিন্দা। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দেওয়ায় তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পানিবন্দি মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া দুর্গত এলাকায় মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

৬৪ জেলায় যুব উন্নয়নের ফ্রি এআই প্রশিক্ষণ, দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা

পদ্মায় পানি বাড়ছে হু হু করে, বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে

আপডেট সময় ১১:৩৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহীতে পদ্মা নদীর পানি বেড়ে বিপদৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় রাজশাহী পয়েন্টে পদ্মার পানির উচ্চতা ১৭ দশমিক ৩০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমার মাত্র ১৮ দশমিক ০৫ মিটারের চেয়ে নিচে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

পানি বাড়তে থাকায় পদ্মার দক্ষিণ তীরের চরখিদিরপুর, খানপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এতে এসব এলাকার অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের মিটারগেজ রিডার এনামুল হক জানান, পদ্মার পানি বাড়লেও বর্তমানে রাজশাহী শহররক্ষা বাঁধ নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বাঁধের কোনো স্থানে ঝুঁকি দেখা দিলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘এখনো পদ্মার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীর দক্ষিণ তীরের চরাঞ্চলগুলোতে পানি উঠতে শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার ৬টায় পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ১৫ মিটার। সেখান থেকে শুক্রবার সকাল ৯টায় তা বেড়ে ১৭ দশমিক ২০ মিটারে পৌঁছেছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় ১৭ দশমিক ৩০ মিটারে পৌঁছেছে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, উজানের ঢলে গত প্রায় ১০ দিন ধরে পদ্মায় পানি বাড়ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় পদ্মার পানির উচ্চতা ছিল ১৭ দশমিক ০৫ মিটার। তিন ঘণ্টা পর দুপুর ৩টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ দশমিক ১২ মিটারে। অর্থাৎ তিন ঘণ্টায় পদ্মার পানি বেড়েছিল ৭ সেন্টিমিটার। এরপরও পানি বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে পানি বাড়ার কারণে রাজশাহী শহরের বিপরীত পাশে ভারত সীমান্তঘেঁষা চরখিদিরপুর ও খানপুরের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার অনেক বাসিন্দা। বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের সংকট দেখা দেওয়ায় তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পানিবন্দি মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া দুর্গত এলাকায় মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।