ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, এখনও চলছে উদ্ধার অভিযান

ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও রেল যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। রেললাইন থেকে বাকি ৫টি কোচ সরানোর কাজ এখনও চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পুরো পথ সচল হতে আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান বলেন, এখনও বেশ কয়েকটি বগি সরানোর কাজ চলছে। বগিগুলো উদ্ধার করার পর ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামত করতে হবে। এরপরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে পারবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শেষ করার।
এদিকে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের চরম ভোগান্তি কমাতে বিকল্প হিসেবে ট্রান্সশিপমেন্ট বা ট্রেন পরিবর্তনের ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, লাইন পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীরা দুর্ঘটনাস্থলের দুই পাশে থাকা ট্রেন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছাবেন।

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পঞ্চগড় ও একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান, সীমান্ত ও রূপসা এবং তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের যাত্রীরা ট্রেন বদল করে যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ, ঢাকা থেকে আসা যাত্রী এবং উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীরা দুর্ঘটনাস্থলের দুই প্রান্তে নেমে হেঁটে এলাকা পার হচ্ছেন এবং অপর পাশের ট্রেনে উঠে গন্তব্যে রওনা দিচ্ছেন।
তবে এই দুর্ঘটনায় বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আজ ও কালকের জন্য ৮০৪ নম্বর বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের (আক্কেলপুর-রাজশাহী ও পঞ্চগড়-রাজশাহী) যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ৭৯৭ নম্বর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসটি বিকল্প পথে বগুড়া হয়ে চলাচলের কথা রয়েছে।

সান্তাহার ও বগুড়াসহ আশপাশের স্টেশনগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। অনেকেই মালামাল নিয়ে এক ট্রেন থেকে নেমে অন্য ট্রেনে যাওয়ার পথে বিপাকে পড়ছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

আক্কেলপুর স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান বলেন, ট্রান্সশিপমেন্ট পদ্ধতিতে ওই এলাকায় যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। কোন যাত্রী ঢাকা বা অন্য কোন এলাকায় থেকে আসলে তাদেরকে সান্তাহার জংশন স্টেশনে নেমে নিজস্ব ভাবে পাঁচ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবার ছাতিয়ানগ্রামে আসতে হচ্ছে। সেখানে থাকা ট্রেনে চড়ে আবারও তারা নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। একইভাবে এপাশ থেকে কোন যাত্রী ট্রেনে গেলে ছাতিয়ানগ্রাম নেমে আবার সান্তাহার গিয়ে ট্রেনে চড়ছেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল, উচ্চপর্যায়ে নতুন দায়িত্ব বণ্টন

নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, এখনও চলছে উদ্ধার অভিযান

আপডেট সময় ১১:১৯:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ১৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও রেল যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত দুর্ঘটনা কবলিত ৯টি কোচের মধ্যে ৪টি উদ্ধার করে ঈশ্বরদীতে পাঠানো হয়েছে। রেললাইন থেকে বাকি ৫টি কোচ সরানোর কাজ এখনও চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পুরো পথ সচল হতে আরও অন্তত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার সাজেদুর রহমান বলেন, এখনও বেশ কয়েকটি বগি সরানোর কাজ চলছে। বগিগুলো উদ্ধার করার পর ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামত করতে হবে। এরপরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে পারবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শেষ করার।
এদিকে ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের চরম ভোগান্তি কমাতে বিকল্প হিসেবে ট্রান্সশিপমেন্ট বা ট্রেন পরিবর্তনের ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম জানিয়েছেন, লাইন পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীরা দুর্ঘটনাস্থলের দুই পাশে থাকা ট্রেন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছাবেন।

রেলওয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পঞ্চগড় ও একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান, সীমান্ত ও রূপসা এবং তিতুমীর ও বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের যাত্রীরা ট্রেন বদল করে যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ, ঢাকা থেকে আসা যাত্রী এবং উত্তরবঙ্গ থেকে আসা যাত্রীরা দুর্ঘটনাস্থলের দুই প্রান্তে নেমে হেঁটে এলাকা পার হচ্ছেন এবং অপর পাশের ট্রেনে উঠে গন্তব্যে রওনা দিচ্ছেন।
তবে এই দুর্ঘটনায় বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আজ ও কালকের জন্য ৮০৪ নম্বর বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেসের (আক্কেলপুর-রাজশাহী ও পঞ্চগড়-রাজশাহী) যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ৭৯৭ নম্বর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসটি বিকল্প পথে বগুড়া হয়ে চলাচলের কথা রয়েছে।

সান্তাহার ও বগুড়াসহ আশপাশের স্টেশনগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। অনেকেই মালামাল নিয়ে এক ট্রেন থেকে নেমে অন্য ট্রেনে যাওয়ার পথে বিপাকে পড়ছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

আক্কেলপুর স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান বলেন, ট্রান্সশিপমেন্ট পদ্ধতিতে ওই এলাকায় যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। কোন যাত্রী ঢাকা বা অন্য কোন এলাকায় থেকে আসলে তাদেরকে সান্তাহার জংশন স্টেশনে নেমে নিজস্ব ভাবে পাঁচ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আবার ছাতিয়ানগ্রামে আসতে হচ্ছে। সেখানে থাকা ট্রেনে চড়ে আবারও তারা নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। একইভাবে এপাশ থেকে কোন যাত্রী ট্রেনে গেলে ছাতিয়ানগ্রাম নেমে আবার সান্তাহার গিয়ে ট্রেনে চড়ছেন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন