ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় নিহত ১৪০০ ফিলিস্তিনি

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে উপত্যকাটিতে আবাসন, চিকিৎসা ও খাদ্যসংকট আরও গভীর হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। খবর আল জাজিরার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অ্যামনেস্টি জানায়, গাজায় এখনো প্রায় ২০ লাখ মানুষের আশ্রয় প্রয়োজন। উপত্যকাটির কোনো হাসপাতালই পুরোপুরি কার্যকর নেই। এ ছাড়া প্রায় ১৪ লাখ মানুষ চরম খাদ্যসংকটের মুখে রয়েছেন।

সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মানুষের ন্যায়বিচারের দাবিও যেন হারিয়ে না যায়।
অ্যামনেস্টির ভাষায়, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবি চাপা দেওয়া যায় না।’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, ইসরাইলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বাধ্যতামূলক নির্দেশনা মেনে চলতে চাপ প্রয়োগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, গাজায় সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়ায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরও নৃশংসতা চালানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গাজার আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছেন। পাশাপাশি খাদ্যসংকটের কারণে লাখ লাখ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

অ্যামনেস্টি বলেছে, গাজার পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের কাজ আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত।

সংস্থাটির মতে, শুধু অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করলেই হবে না; ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়ার পরিবর্তন, নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় নিহত ১৪০০ ফিলিস্তিনি

আপডেট সময় ০১:২৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এ তথ্য জানিয়েছে। একই সঙ্গে উপত্যকাটিতে আবাসন, চিকিৎসা ও খাদ্যসংকট আরও গভীর হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। খবর আল জাজিরার

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অ্যামনেস্টি জানায়, গাজায় এখনো প্রায় ২০ লাখ মানুষের আশ্রয় প্রয়োজন। উপত্যকাটির কোনো হাসপাতালই পুরোপুরি কার্যকর নেই। এ ছাড়া প্রায় ১৪ লাখ মানুষ চরম খাদ্যসংকটের মুখে রয়েছেন।

সংস্থাটি বলেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা মানুষের ন্যায়বিচারের দাবিও যেন হারিয়ে না যায়।
অ্যামনেস্টির ভাষায়, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবি চাপা দেওয়া যায় না।’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল অভিযোগ করেছে, ইসরাইলকে জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) বাধ্যতামূলক নির্দেশনা মেনে চলতে চাপ প্রয়োগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, গাজায় সংঘটিত কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত না হওয়ায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে আরও নৃশংসতা চালানোর ঝুঁকি বাড়ছে।

দীর্ঘ সংঘাতের কারণে গাজার আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মানুষ আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছেন। পাশাপাশি খাদ্যসংকটের কারণে লাখ লাখ মানুষের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।

অ্যামনেস্টি বলেছে, গাজার পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের কাজ আন্তর্জাতিক আইন, ন্যায়বিচার এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত।

সংস্থাটির মতে, শুধু অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করলেই হবে না; ক্ষতিগ্রস্তদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি।