কুড়িগ্রমের রৌমারী উপজেলায় মাদকাসক্ত ব্যাক্তির মর্মান্তিক ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন সোনাভানু (৪৫) বেগম নামের এক চাচি। এ ঘটনায় গুরুতর আহত খলিল (৪৭), জোসনা (২৫), মদিনা (৩৫) ও নিহতের স্বাম্বী আব্দুল জলিল (৫৬) রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলে ফারুক (৩৫) কে স্থানীয় জনতায় আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। গতকাল বিকাল সাড়ে ৩ টায় রৌমারী সদর ইউনিয়নের বড়াইবাড়ি গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। রৌমারী থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
পুলিশ স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ফারুক দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। এমন অবস্থায় স্ত্রীসহ পিতা মাতা এবং আত্মীয় সজনকে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করে আসছিল। ফারুককে পিতা মাতা ও স্থানীয় লোকজন বিভিন্নভাবে বুঝানোর চেষ্টা করে আসছিলেন। তাকে সুস্থ করে তুলতে পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন চেষ্টা করাও হয়েছে। তার আচরণের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং সে আবারও মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার স্ত্রীকে নির্যাতনের কারনে তার পিতা মাতা মেয়েকে নিয়ে যায়। এর জেরে ফারুক তার পিতা মাতাকে ঘরের ভিতর বেধে রাখে। আজ শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে চাচি সোনাভানু বেধে রাখা তাদেরকে দেখতে গেলে ওত পেতে থাকা ফারুক চাচির উপর ধারালো দা দিয়ে আঘাত করে। ঘটনা স্থলেই চাচি নিহত হয়। পরে চাচির চিতকার শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে তাদের উপর আঘাত করলে তারা আহত হয়। বর্তমানে আহত ব্যক্তিরা রৌমারী হাসপাতালে চিকিতসাধীন রয়েছে।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে রৌমারী থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় রৌমারী থানা অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী জানান, মাদকাসক্ত ফারুকের ধারালো দায়ের আঘাতে সোনাভানু নামের এক মহিলা নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। লাশ মর্গে প্রেরণ করা হবে। আসামী ফারককে আটক করে আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলার অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।
রৌমারীতে মাদকাসক্ত ব্যক্তির ছুরিকাঘাতে চাচি নিহত আহত ৬
-
মাজহারুল ইসলাম ,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : - আপডেট সময় ০৬:২৫:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
- 8
































