ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

ফের আটকে গেল বিজয়ের শপথ!

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় নতুন করে নাটকীয়তা দেখা দিয়েছে। একাধিক দল সমর্থন জানানোর গুঞ্জন থাকলেও থালাপতি বিজয় এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শনিবার (৯ মে) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। খবর এনডিটিভির।

শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের সঙ্গে আবারও সাক্ষাৎ করেন তামিলনাড়ু ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়। তবে রাজ্যপাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আসনের সমর্থন বিজয় এখনো উপস্থাপন করতে পারেননি। এ কারণেই তাকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন ২৩৪টি, যেখানে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের সমর্থনের প্রয়োজন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি ছিল, চারটি দলের সমর্থনে টিভিকে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছেছে। তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বাস্তবে বিজয়ের এই জোটের আসন সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১৬টি, যা ম্যাজিক ফিগার থেকে আরও অন্তত দুই আসন কম।

সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ভিসিকে দলের সমর্থন থাকলেও আইইউএমএল নামক অন্য একটি দলের সমর্থনের চিঠি রাজ্যপালের কাছে জমা দিতে পারেননি বিজয়। পরবর্তীতে আইইউএমএল এক বিবৃতিতে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, তারা টিভিকে-কে সমর্থন করছে না। একই সঙ্গে টিটিভি নামের আরেকটি দলও বিজয়কে সরকার গঠনে সমর্থন না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সব মিলিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিজয় শুক্রবার সন্ধ্যায় টানা তিন দিনের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে প্রকাশিত নির্বাচনি ফলাফলে দেখা যায়, থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে একাই ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে তাদের আরও অন্তত ১০ জন বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

ফের আটকে গেল বিজয়ের শপথ!

আপডেট সময় ১২:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় নতুন করে নাটকীয়তা দেখা দিয়েছে। একাধিক দল সমর্থন জানানোর গুঞ্জন থাকলেও থালাপতি বিজয় এখনো প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে পারেননি বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এর ফলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শনিবার (৯ মে) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। খবর এনডিটিভির।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যায় রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের সঙ্গে আবারও সাক্ষাৎ করেন তামিলনাড়ু ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়। তবে রাজ্যপাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম আসনের সমর্থন বিজয় এখনো উপস্থাপন করতে পারেননি। এ কারণেই তাকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

তামিলনাড়ু বিধানসভার মোট আসন ২৩৪টি, যেখানে সরকার গঠনের জন্য ১১৮টি আসনের সমর্থনের প্রয়োজন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি ছিল, চারটি দলের সমর্থনে টিভিকে জোটের আসন সংখ্যা ১২০-এ পৌঁছেছে। তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, বাস্তবে বিজয়ের এই জোটের আসন সংখ্যা এখন পর্যন্ত ১১৬টি, যা ম্যাজিক ফিগার থেকে আরও অন্তত দুই আসন কম।

সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ভিসিকে দলের সমর্থন থাকলেও আইইউএমএল নামক অন্য একটি দলের সমর্থনের চিঠি রাজ্যপালের কাছে জমা দিতে পারেননি বিজয়। পরবর্তীতে আইইউএমএল এক বিবৃতিতে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, তারা টিভিকে-কে সমর্থন করছে না। একই সঙ্গে টিটিভি নামের আরেকটি দলও বিজয়কে সরকার গঠনে সমর্থন না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। সব মিলিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিজয় শুক্রবার সন্ধ্যায় টানা তিন দিনের মতো রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে প্রকাশিত নির্বাচনি ফলাফলে দেখা যায়, থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে একাই ১০৮টি আসনে জয়লাভ করেছে। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় সরকার গঠনে তাদের আরও অন্তত ১০ জন বিধায়কের সমর্থনের প্রয়োজন ছিল।