ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

দ্রুত ওজন কমানোর ওষুধে ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, প্রভাব পড়ছে মস্তিষ্কে

ওজন কমানোর নতুন ওষুধগুলো কেবল আপনার ক্ষুধা মেটাচ্ছে না, বরং সরাসরি প্রভাব ফেলছে মস্তিষ্কের সেই অংশে যা আমাদের আনন্দ ও প্রেরণা নিয়ন্ত্রণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, নতুন প্রজন্মের মুখ দিয়ে খাওয়ার ওজন কমানোর ওষুধগুলো মস্তিষ্কের অত্যন্ত গভীরে পৌঁছে যায়। এগুলো কেবল পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় না, বরং হাই-ক্যালোরি বা সুস্বাদু খাবার খাওয়ার যে মানসিক আকাঙ্ক্ষা বা ‘ইচ্ছা’, সেটিকেও কমিয়ে দেয়।

গবেষণার প্রধান নিউরোসায়েন্টিস্ট আলি ডি গুলার বলেন, এই ওষুধগুলো কেবল আপনার পেট ভরাচ্ছে না, বরং কেক খাওয়ার যে তীব্র বাসনা, সেই সিস্টেমটিকেই বদলে দিচ্ছে।

গবেষকদের মতে, এই ওষুধগুলো মস্তিষ্কের ‘সেন্ট্রাল অ্যামিগডালা’ (আবেগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র) এবং ডোপামিন তৈরি করা নিউরনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ডোপামিন হলো সেই রাসায়নিক যা আমাদের আনন্দ বা পুরস্কারের অনুভূতি দেয়। ওষুধগুলো ডোপামিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।
মস্তিষ্কের এই পরিবর্তন কেবল ওজন কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। এর কিছু ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে। যেমন, এর মাধ্যমে ধূমপান বা অতিরিক্ত নেশা করার মতো বদভ্যাস নিয়ন্ত্রণ সহজ হতে পারে। এটি অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার রোগ নিরাময়েও কাজ করতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি সাধারণ জীবনের আনন্দ বা উদ্দীপনা অনুভব করার ক্ষমতাও কিছুটা হারিয়ে ফেলতে পারেন।

আগে এই জাতীয় ওষুধ ইনজেকশনের মাধ্যমে নেওয়া হতো, তবে এখন সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ট্যাবলেট বাজারে এসেছে। গবেষক গুলার সতর্ক করে বলেন, এগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী যৌগ। এগুলো সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের ব্যবহারের তালিকায় যাওয়ার আগে আমাদের পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হবে যে, এটি মানুষের আচরণ বা মনস্তত্ত্বে কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলছে কি না।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহত: ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেফতার

দ্রুত ওজন কমানোর ওষুধে ভয়াবহ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, প্রভাব পড়ছে মস্তিষ্কে

আপডেট সময় ০৩:০১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

ওজন কমানোর নতুন ওষুধগুলো কেবল আপনার ক্ষুধা মেটাচ্ছে না, বরং সরাসরি প্রভাব ফেলছে মস্তিষ্কের সেই অংশে যা আমাদের আনন্দ ও প্রেরণা নিয়ন্ত্রণ করে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়ার এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, নতুন প্রজন্মের মুখ দিয়ে খাওয়ার ওজন কমানোর ওষুধগুলো মস্তিষ্কের অত্যন্ত গভীরে পৌঁছে যায়। এগুলো কেবল পেট ভরা থাকার অনুভূতি দেয় না, বরং হাই-ক্যালোরি বা সুস্বাদু খাবার খাওয়ার যে মানসিক আকাঙ্ক্ষা বা ‘ইচ্ছা’, সেটিকেও কমিয়ে দেয়।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

গবেষণার প্রধান নিউরোসায়েন্টিস্ট আলি ডি গুলার বলেন, এই ওষুধগুলো কেবল আপনার পেট ভরাচ্ছে না, বরং কেক খাওয়ার যে তীব্র বাসনা, সেই সিস্টেমটিকেই বদলে দিচ্ছে।

গবেষকদের মতে, এই ওষুধগুলো মস্তিষ্কের ‘সেন্ট্রাল অ্যামিগডালা’ (আবেগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র) এবং ডোপামিন তৈরি করা নিউরনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। ডোপামিন হলো সেই রাসায়নিক যা আমাদের আনন্দ বা পুরস্কারের অনুভূতি দেয়। ওষুধগুলো ডোপামিন নিঃসরণ কমিয়ে দেয়, ফলে খাবারের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়।
মস্তিষ্কের এই পরিবর্তন কেবল ওজন কমানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। এর কিছু ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে। যেমন, এর মাধ্যমে ধূমপান বা অতিরিক্ত নেশা করার মতো বদভ্যাস নিয়ন্ত্রণ সহজ হতে পারে। এটি অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার রোগ নিরাময়েও কাজ করতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তি সাধারণ জীবনের আনন্দ বা উদ্দীপনা অনুভব করার ক্ষমতাও কিছুটা হারিয়ে ফেলতে পারেন।

আগে এই জাতীয় ওষুধ ইনজেকশনের মাধ্যমে নেওয়া হতো, তবে এখন সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী ট্যাবলেট বাজারে এসেছে। গবেষক গুলার সতর্ক করে বলেন, এগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী যৌগ। এগুলো সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের ব্যবহারের তালিকায় যাওয়ার আগে আমাদের পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হবে যে, এটি মানুষের আচরণ বা মনস্তত্ত্বে কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলছে কি না।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।