ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

গ্যাস্ট্রিকের কারণে রোজা রাখতে কষ্ট হলে কী করবেন?

রোজায় বেশিরভাগ রোজাদারের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো খাদ্যাভ্যাস। রোজায় আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়।

ডুবো তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত মশলাদার খাবার পেটে গ্যাসের জন্য দায়ী। কারণ সারাদিন খালিপেটে থাকার পর এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে তা হজমে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই রোজায় গ্যাসের সমস্যা থেকে বাঁচতে খেয়াল রাখতে হবে খাবারের দিকে।

চিকিৎসকের পরামর্শ

যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ওষুধ সেবন করে নিশ্চিন্তে রোজা রাখতে পারেন।

বর্তমানে এমন অনেক উন্নত মানের ওষুধ পাওয়া যায়, যার প্রভাব শরীরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে সেহরি বা ইফতারের সময় নিয়মমাফিক ওষুধ গ্রহণ করলে সারাদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।

সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

ওষুধের পাশাপাশি সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের প্রতি যত্নশীল হওয়া জরুরি। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও প্রমাণিত যে, নিয়মতান্ত্রিক রোজা পালনের ফলে বদহজম, টক ঢেঁকুর কিংবা পেট ফাঁপার মতো অনেক সমস্যা প্রাকৃতিকভাবেই সেরে যায়।

প্রয়োজনীয় সতর্কতা

ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরেও যদি কেউ রোজা রাখতে প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করেন কিংবা বুকে তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দেয়, তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী ছাড় রয়েছে। এক্ষেত্রে একজন দ্বীনদার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তিনি রোজা ভাঙতে বা সাময়িকভাবে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে পারেন। পরবর্তীতে কাজা আদায় করে নিতে হবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

ডোমারে ট্রাকচাপায় ৪ জন নিহত: ঘাতক চালক বগুড়া থেকে গ্রেফতার

গ্যাস্ট্রিকের কারণে রোজা রাখতে কষ্ট হলে কী করবেন?

আপডেট সময় ০১:১৭:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

রোজায় বেশিরভাগ রোজাদারের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো খাদ্যাভ্যাস। রোজায় আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

ডুবো তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত মশলাদার খাবার পেটে গ্যাসের জন্য দায়ী। কারণ সারাদিন খালিপেটে থাকার পর এ ধরনের খাবার গ্রহণ করলে তা হজমে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই রোজায় গ্যাসের সমস্যা থেকে বাঁচতে খেয়াল রাখতে হবে খাবারের দিকে।

চিকিৎসকের পরামর্শ

যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যথাযথ ওষুধ সেবন করে নিশ্চিন্তে রোজা রাখতে পারেন।

বর্তমানে এমন অনেক উন্নত মানের ওষুধ পাওয়া যায়, যার প্রভাব শরীরে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। ফলে সেহরি বা ইফতারের সময় নিয়মমাফিক ওষুধ গ্রহণ করলে সারাদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।

সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

ওষুধের পাশাপাশি সেহরি ও ইফতারে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের প্রতি যত্নশীল হওয়া জরুরি। ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার পরিহার করলে অ্যাসিডিটির ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানেও প্রমাণিত যে, নিয়মতান্ত্রিক রোজা পালনের ফলে বদহজম, টক ঢেঁকুর কিংবা পেট ফাঁপার মতো অনেক সমস্যা প্রাকৃতিকভাবেই সেরে যায়।

প্রয়োজনীয় সতর্কতা

ওষুধ এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরেও যদি কেউ রোজা রাখতে প্রচণ্ড কষ্ট অনুভব করেন কিংবা বুকে তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দেয়, তবে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী ছাড় রয়েছে। এক্ষেত্রে একজন দ্বীনদার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তিনি রোজা ভাঙতে বা সাময়িকভাবে রোজা রাখা থেকে বিরত থাকতে পারেন। পরবর্তীতে কাজা আদায় করে নিতে হবে।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন