ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

৬ মাসের মধ্যে নারীদের জন্য নামছে ইলেকট্রিক বাস

গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত বাস সার্ভিস চালু করা হবে।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক।

তিনি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) যেহেতু ১৬ বছর লন্ডনে ছিলেন, গণপরিবহনটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দুই ঘণ্টা এটা নিয়েই কথা বলেছি।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব আহত হন, যখন জনগণের গণপরিবহনের এক্সেসটা দেখেন খুব সীমিত। পার্টিকুলারলি (বিশেষত) ফিমেল (নারী) যারা আছেন, তাদের প্রাইভেসি (সুরক্ষা) ইস্যু হচ্ছে, তারা ভালো কোনো গণপরিবহন পাচ্ছেন না, সেফটি-সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) নেই। কী করা যায়, এই কী করার ভাবনা থেকেই উনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। বিশেষ করে গণপরিবহনের সর্বোৎকৃষ্ট যে মাধ্যম মেট্রো, এর বাইরেও আরও কিছু করা যায় কিনা, যেটা উনি অলরেডি বলেছেন, মনোরেল যেহেতু সাশ্রয়ী মূল্যে খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।

বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সাবেক পরিচালক শামসুল হক বলেন, ‘রাজধানীর পূর্ব দিকের বাসাবো, গোরান, মাদারটেক, পুরানো টাউনে বিপুল জনগোষ্ঠী বাস করে। তারা কিন্তু ইভেন বাসও পায় না। মেট্রোগুলো সাধারণত প্রধান সড়কগুলোর উপর দিয়ে গেছে। তাই এটাকে যদি মেট্রোর বাইরে অন্য কোনো সংস্করণে আনা যায়; মেট্রো তো একটা না, আমরা একটা চিনেছি মেট্রো, কিন্তু ভারী মেট্রো। এটার যেমন দরকার আছে, ব্রডব্যান্ড কানেকশনের পাশাপাশি, কিন্তু লাইট রেলও দরকার আছে, মনোরেল দরকার আছে, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি দরকার আছে, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) দরকার আছে, এবং অর্ডিনারি (সাধারণ যাত্রীবাহী) বাস— সবকিছুই দরকার।
‘কিন্তু, রেগুলেটেড হতে হবে। ঘিঞ্জি এলাকা যেখানে মেট্রো যাবে না, মেট্রোকে সাপ্লিমেন্ট করার জন্য আর কী করতে পারি, সেটার একটা স্টাডি করে প্রধানমন্ত্রীকে একটা প্রস্তাব দেওয়া, যাতে ওনারা এই বছর কাজ আরম্ভ করতে পারেন।’
আরও পড়ুন>> আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

শামসুল হক বলেন, উনার আগ্রহ দেখলাম গণপরিবহনটাকে সুশৃঙ্খখল করা। এটা করতে গিয়ে যা যা করতে হয় মেট্রো মেট্রোর জায়গায় হবে, কিন্তু এটা যাতে সমন্বিতভাবে অন্যান্য মেট্রো সংস্করণগুলো যেগুলো আছে, সেগুলোর সঙ্গে যাতে সমন্বিত হয়।

প্রাথমিকের মধ্যে থাকবে মহিলাদের জন্য আবেদন সৃষ্টিকারী এবং সিকিউর গণপরিবহন বাস; মহিলারাই চালাবে এবং সবচেয়ে বড় আগ্রহটা দেখলাম, তিনি ইলেকট্রিফিকেশন বাস দিয়েই আরম্ভ করতে চাচ্ছেন। উনিও চাচ্ছেন ১৮০ দিনের মধ্যে ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন প্রথমেই, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য, এইটা করার জন্য‌ আগ্রহ তার।

তিনি আরও বলেন, ওনি বলছেন, হ্যাঁ, আমাদের বাসগুলি অত্যন্ত উশৃঙ্খল, বিশৃঙ্খল। এটাকে সুশৃঙ্খল করতে গেলে যা যা করণীয়, আরম্ভ করি না? আমরা পাইলটিং করে, জোন করে আরম্ভ করি। কম বিনিয়োগে বেশি মানুষকে কভারেজ দেওয়ার ব্যাপারে উনার আগ্রহ। আমি যখন বললাম, এটার জন্য উন্নয়ন যন্ত্রণাটা একটু কম হয়। আপনি স্টিলের যদি পিয়ার বানান, এইটাকে আপনি প্রিফ্যাব্রিকেটেড (পূর্বনির্মিত) করে এখানে ইনস্টল (বসানো) করবেন, তাহলে এই ঘিঞ্জি এলাকায় উন্নয়নের পেইনটাও (কষ্ট) কম হবে। পুরো ঢাকার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় রেলভিত্তিক গণপরিবহনে যাওয়া যাবে। আর ঢাকাকে ডিসেন্ট্রালাইজ (বিকেন্দ্রিকরণ) করার ব্যাপারেও কিন্তু উনার বড় একটা আগ্রহ দেখলাম রেলভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে।

উনি বলছেন, হোয়াই নট— চিটাগং থেকে এখানে এসে অফিস করব, কেন হবে না? আমরা দ্রুতগতির ট্রেন বানাতে যা যা করা লাগে, সেইভাবে করতে পারলে ঢাকার ওপর চাপটা আপনা-আপনি কমে যাবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

পাটগ্রাম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বিএসএফের চেষ্টা, প্রতিরোধে বিজিবি

৬ মাসের মধ্যে নারীদের জন্য নামছে ইলেকট্রিক বাস

আপডেট সময় ০৮:১৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

গণপরিবহন ব্যবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকায় পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাস এবং নারীদের জন্য নিরাপদ বিশেষায়িত বাস সার্ভিস চালু করা হবে।
সোমবার (২ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

তিনি বলেন, উনি (প্রধানমন্ত্রী) যেহেতু ১৬ বছর লন্ডনে ছিলেন, গণপরিবহনটা খুব কাছ থেকে দেখেছেন। আমরা দুই ঘণ্টা এটা নিয়েই কথা বলেছি।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব আহত হন, যখন জনগণের গণপরিবহনের এক্সেসটা দেখেন খুব সীমিত। পার্টিকুলারলি (বিশেষত) ফিমেল (নারী) যারা আছেন, তাদের প্রাইভেসি (সুরক্ষা) ইস্যু হচ্ছে, তারা ভালো কোনো গণপরিবহন পাচ্ছেন না, সেফটি-সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) নেই। কী করা যায়, এই কী করার ভাবনা থেকেই উনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। বিশেষ করে গণপরিবহনের সর্বোৎকৃষ্ট যে মাধ্যম মেট্রো, এর বাইরেও আরও কিছু করা যায় কিনা, যেটা উনি অলরেডি বলেছেন, মনোরেল যেহেতু সাশ্রয়ী মূল্যে খুব দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।

বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (এআরআই) সাবেক পরিচালক শামসুল হক বলেন, ‘রাজধানীর পূর্ব দিকের বাসাবো, গোরান, মাদারটেক, পুরানো টাউনে বিপুল জনগোষ্ঠী বাস করে। তারা কিন্তু ইভেন বাসও পায় না। মেট্রোগুলো সাধারণত প্রধান সড়কগুলোর উপর দিয়ে গেছে। তাই এটাকে যদি মেট্রোর বাইরে অন্য কোনো সংস্করণে আনা যায়; মেট্রো তো একটা না, আমরা একটা চিনেছি মেট্রো, কিন্তু ভারী মেট্রো। এটার যেমন দরকার আছে, ব্রডব্যান্ড কানেকশনের পাশাপাশি, কিন্তু লাইট রেলও দরকার আছে, মনোরেল দরকার আছে, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি দরকার আছে, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) দরকার আছে, এবং অর্ডিনারি (সাধারণ যাত্রীবাহী) বাস— সবকিছুই দরকার।
‘কিন্তু, রেগুলেটেড হতে হবে। ঘিঞ্জি এলাকা যেখানে মেট্রো যাবে না, মেট্রোকে সাপ্লিমেন্ট করার জন্য আর কী করতে পারি, সেটার একটা স্টাডি করে প্রধানমন্ত্রীকে একটা প্রস্তাব দেওয়া, যাতে ওনারা এই বছর কাজ আরম্ভ করতে পারেন।’
আরও পড়ুন>> আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

শামসুল হক বলেন, উনার আগ্রহ দেখলাম গণপরিবহনটাকে সুশৃঙ্খখল করা। এটা করতে গিয়ে যা যা করতে হয় মেট্রো মেট্রোর জায়গায় হবে, কিন্তু এটা যাতে সমন্বিতভাবে অন্যান্য মেট্রো সংস্করণগুলো যেগুলো আছে, সেগুলোর সঙ্গে যাতে সমন্বিত হয়।

প্রাথমিকের মধ্যে থাকবে মহিলাদের জন্য আবেদন সৃষ্টিকারী এবং সিকিউর গণপরিবহন বাস; মহিলারাই চালাবে এবং সবচেয়ে বড় আগ্রহটা দেখলাম, তিনি ইলেকট্রিফিকেশন বাস দিয়েই আরম্ভ করতে চাচ্ছেন। উনিও চাচ্ছেন ১৮০ দিনের মধ্যে ইলেকট্রিক বাসভিত্তিক গণপরিবহন প্রথমেই, বিশেষ করে মহিলাদের জন্য, এইটা করার জন্য‌ আগ্রহ তার।

তিনি আরও বলেন, ওনি বলছেন, হ্যাঁ, আমাদের বাসগুলি অত্যন্ত উশৃঙ্খল, বিশৃঙ্খল। এটাকে সুশৃঙ্খল করতে গেলে যা যা করণীয়, আরম্ভ করি না? আমরা পাইলটিং করে, জোন করে আরম্ভ করি। কম বিনিয়োগে বেশি মানুষকে কভারেজ দেওয়ার ব্যাপারে উনার আগ্রহ। আমি যখন বললাম, এটার জন্য উন্নয়ন যন্ত্রণাটা একটু কম হয়। আপনি স্টিলের যদি পিয়ার বানান, এইটাকে আপনি প্রিফ্যাব্রিকেটেড (পূর্বনির্মিত) করে এখানে ইনস্টল (বসানো) করবেন, তাহলে এই ঘিঞ্জি এলাকায় উন্নয়নের পেইনটাও (কষ্ট) কম হবে। পুরো ঢাকার এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় রেলভিত্তিক গণপরিবহনে যাওয়া যাবে। আর ঢাকাকে ডিসেন্ট্রালাইজ (বিকেন্দ্রিকরণ) করার ব্যাপারেও কিন্তু উনার বড় একটা আগ্রহ দেখলাম রেলভিত্তিক কাঠামোর মাধ্যমে।

উনি বলছেন, হোয়াই নট— চিটাগং থেকে এখানে এসে অফিস করব, কেন হবে না? আমরা দ্রুতগতির ট্রেন বানাতে যা যা করা লাগে, সেইভাবে করতে পারলে ঢাকার ওপর চাপটা আপনা-আপনি কমে যাবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন