ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৪ প্রার্থী জামানত হারাবেন। মোট ভোটের নুন্যতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তারা জামানত হারাচ্ছেন।
১৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রৌমারী উপজেলা নির্বাচন অফিসার লিটু আহমেদ। তিনি জানান, পরাজিত সকল প্রার্থীদের ভোটের হিসেব করে প্রার্থীদের জামানতের বিষয়টি কোর্টে পাঠিয়ে দেয়া হবে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), বাসদ (মই) ও বাসদ (মার্কসবাদী)।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৭ এবং ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা জমা দিতে হয়। কোন প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট ভোটের কমপক্ষে এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে হবে। এর কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে, তা টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হবে। সেই হিসাবে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা ৪ জন।
কুড়িগ্রাম জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ভোট পড়েছে ২ লক্ষ ২৬ হাজার ১৪০ টি, বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৩ হাজার ৬৭৩টি, মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লক্ষ ২২ হাজার ৪৬৭ টি। প্রস্তুত ভোটের শতকরা হার ৬২ দশমিক ৩৪ শতাংশ। সাড়ে ১২ শতাংশের হিসেব অনুযায়ী এ আসনে জামানত রক্ষার জন্য নুন্যতম ১৮ হাজার ২৪১ ভোট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছিল। সেখানে এ আসনে জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল) প্রতীক কেএম ফজলুল হক মন্ডল ২ হাজার ১৮০ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) প্রতীক সহকারী অধ্যাপক হাফিজুর রহমান ৬ হাজার ২৩১ ভোট, বাসদ (মার্কসবাদি) কাঁচি প্রতীক রাজু আহমেদ ৩২০ ভোট, বাসদ (মই) প্রতীক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক ২০১ ভোট।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
মাজহারুল ইসলাম ,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : 



























