ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন

  • অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • 19

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত সাত বীরের অন্যতম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন আজ (২৯ অক্টোবর)।

১৯৪১ সালের এই দিনে পুরান ঢাকার আগা সাদেক রোডের মোবারক লজে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে (যা বর্তমানে তার নামানুসারে ‘মতিনগর’ রাখা হয়েছে)।

দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে তিনি ভৈরবে একটি গোপন প্রশিক্ষণকেন্দ্রও গড়ে তোলেন।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিমান নিয়ে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন মতিউর রহমান। সেই লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে উড্ডয়ন করেন তিনি। বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানি প্রশিক্ষণার্থী পাইলট রশিদ মিনহাজের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিমানটি সিন্ধু প্রদেশের থাট্টা এলাকার কাছে বিধ্বস্ত হয়। এতে শহীদ হন মতিউর রহমান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৯ বছর।
১৯৬৩ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন মতিউর রহমান। পরে ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন তিনি। ১৯৬৮ সালে মিলি খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই বীর। তাদের দুই মেয়ে মাহিন ও তুহিন।
শহীদ হওয়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে তাকে সমাহিত করা হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৪ জুন তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরদিন ২৫ জুন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে পুনঃসমাহিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তার আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও দেশপ্রেম বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

০ বছরের আশ্রাফের অনন্য কৃতিত্ব, সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন

আপডেট সময় ১১:১৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত সাত বীরের অন্যতম ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের ৮৫তম জন্মদিন আজ (২৯ অক্টোবর)।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

১৯৪১ সালের এই দিনে পুরান ঢাকার আগা সাদেক রোডের মোবারক লজে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে (যা বর্তমানে তার নামানুসারে ‘মতিনগর’ রাখা হয়েছে)।

দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে তিনি ভৈরবে একটি গোপন প্রশিক্ষণকেন্দ্রও গড়ে তোলেন।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিমান নিয়ে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন মতিউর রহমান। সেই লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমানঘাঁটি থেকে একটি টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে উড্ডয়ন করেন তিনি। বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানি প্রশিক্ষণার্থী পাইলট রশিদ মিনহাজের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বিমানটি সিন্ধু প্রদেশের থাট্টা এলাকার কাছে বিধ্বস্ত হয়। এতে শহীদ হন মতিউর রহমান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৯ বছর।
১৯৬৩ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন মতিউর রহমান। পরে ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন তিনি। ১৯৬৮ সালে মিলি খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই বীর। তাদের দুই মেয়ে মাহিন ও তুহিন।
শহীদ হওয়ার পর পাকিস্তানের করাচিতে তাকে সমাহিত করা হয়। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৪ জুন তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরদিন ২৫ জুন পূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সামরিক মর্যাদায় ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে পুনঃসমাহিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তার আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও দেশপ্রেম বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।