ঢাকা ০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

জয়ার চোখে ঈদের বদলে যাওয়া আনন্দ

সময়ের সঙ্গে ঈদের আয়োজন আরও বড় হলেও ছোটবেলার ঈদের আনন্দের সঙ্গে আজকের ঈদের তুলনা চলে না বলে মনে করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনেত্রীর ভাষায়, সেই সময়ের ঈদ ছিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত, আন্তরিক আর আবেগে ভরা।
সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় ঈদ নিয়ে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয়া বলেন, রোজার ঈদ শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যেত কুরবানির ঈদের অপেক্ষা। ছোটবেলায় ঈদ যেন ছিল বছরের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত উৎসব। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তখন মনে হতো, প্রতি মাসেই যদি ঈদ হতো!’

জয়ার স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট কোরবানির ঈদের আগের দিনগুলোর চিত্র। পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে দল বেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যাওয়ার অভ্যাস ছিল তাদের। কোথায় কেমন গরু এসেছে, কোনটার আকার বড়, কোনটার রং আলাদা-এসব নিয়েই চলত শিশুদের উৎসাহ আর উচ্ছ্বাস। ঈদ তখন শুধু নতুন পোশাক বা খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পুরো পরিবেশজুড়েই থাকত উৎসবের আমেজ।

অভিনেত্রীর মতে, সেই সময় মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনও ছিল অনেক বেশি। ঈদ মানেই ছিল আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ঘোরা, একসঙ্গে খাওয়া, গল্প আর আনন্দ ভাগাভাগি করা। এখন প্রযুক্তি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে মানুষ অনেকটাই নিজস্ব গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

বর্তমান সময়ের ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন জয়া। তার মতে, এখনকার ঈদ অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যস্ততা আর নগরজীবনের চাপের কারণে আগের সেই আবেগ আর সরল আনন্দ যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

তিনি বলেন, ‘ঈদের আসল আনন্দটা আসলে ছোটবেলাতেই ছিল।’ জয়ার এই কথায় যেন উঠে আসে অনেক মানুষেরই না বলা অনুভূতি-বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের ধরন বদলে গেলেও শৈশবের ঈদের স্মৃতি চিরকালই থেকে যায় হৃদয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল জায়গায়।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সরকার, মহালছড়িতে ৫০০ পরিবার পেল সহায়তা

জয়ার চোখে ঈদের বদলে যাওয়া আনন্দ

আপডেট সময় ১০:৩৪:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সময়ের সঙ্গে ঈদের আয়োজন আরও বড় হলেও ছোটবেলার ঈদের আনন্দের সঙ্গে আজকের ঈদের তুলনা চলে না বলে মনে করেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। অভিনেত্রীর ভাষায়, সেই সময়ের ঈদ ছিল অনেক বেশি প্রাণবন্ত, আন্তরিক আর আবেগে ভরা।
সম্প্রতি এক আলাপচারিতায় ঈদ নিয়ে শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয়া বলেন, রোজার ঈদ শেষ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যেত কুরবানির ঈদের অপেক্ষা। ছোটবেলায় ঈদ যেন ছিল বছরের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত উৎসব। তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘তখন মনে হতো, প্রতি মাসেই যদি ঈদ হতো!’

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জয়ার স্মৃতিতে এখনও স্পষ্ট কোরবানির ঈদের আগের দিনগুলোর চিত্র। পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের সঙ্গে দল বেঁধে বিভিন্ন বাড়িতে গরু দেখতে যাওয়ার অভ্যাস ছিল তাদের। কোথায় কেমন গরু এসেছে, কোনটার আকার বড়, কোনটার রং আলাদা-এসব নিয়েই চলত শিশুদের উৎসাহ আর উচ্ছ্বাস। ঈদ তখন শুধু নতুন পোশাক বা খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বরং পুরো পরিবেশজুড়েই থাকত উৎসবের আমেজ।

অভিনেত্রীর মতে, সেই সময় মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও পারিবারিক বন্ধনও ছিল অনেক বেশি। ঈদ মানেই ছিল আত্মীয়স্বজনের বাড়ি ঘোরা, একসঙ্গে খাওয়া, গল্প আর আনন্দ ভাগাভাগি করা। এখন প্রযুক্তি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে মানুষ অনেকটাই নিজস্ব গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

বর্তমান সময়ের ঈদ উদযাপন নিয়ে কিছুটা আক্ষেপও প্রকাশ করেন জয়া। তার মতে, এখনকার ঈদ অনেকটাই যান্ত্রিক হয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ব্যস্ততা আর নগরজীবনের চাপের কারণে আগের সেই আবেগ আর সরল আনন্দ যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

তিনি বলেন, ‘ঈদের আসল আনন্দটা আসলে ছোটবেলাতেই ছিল।’ জয়ার এই কথায় যেন উঠে আসে অনেক মানুষেরই না বলা অনুভূতি-বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঈদের আনন্দের ধরন বদলে গেলেও শৈশবের ঈদের স্মৃতি চিরকালই থেকে যায় হৃদয়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল জায়গায়।