দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাটে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় গাজীরহাট হাজী নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একটি বাথরুম থেকে তাকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা বাথরুমের ভেতর থেকে অস্বাভাবিক শব্দ শুনতে পান। কাছে গিয়ে তারা ভেতর থেকে নারীকণ্ঠের গোঙানির শব্দ শুনতে পান। বাথরুমটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ থাকায় শ্রমিকরা তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দশম শ্রেণির ছাত্রী নন্দিতা (১৫)-কে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে স্থানীয় চিকিৎসক মফিজুর রহমান শাফিনের চেম্বারে নেওয়া হলে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। নন্দিতার মা শিমুল রায় জানান, তার মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পর নন্দিতা বাথরুমে গেলে অজ্ঞাত কেউ তাকে আঘাত করে অচেতন করে ফেলে এবং পরে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে রাখে। এ ঘটনায় তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও পরিবার জানিয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাওলাদার মাসুম বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে।
স্কুলের বাথরুম থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছাত্রী উদ্ধার, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
মোঃ রানা মোল্লা খুলনা জেলা প্রতিনিধি:- - আপডেট সময় ১০:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
- 19
জনপ্রিয় সংবাদ

































