ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

বিশ্বকাপে ফিফার বড় অঙ্কের লভ্যাংশ থেকে ভাগ পাচ্ছে বাংলাদেশও

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। ২২টি আসর শেষ করে ২৩তম আসরে এসে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আয়োজন আবারও নতুন রূপে হাজির হচ্ছে। এবার রেকর্ডসংখ্যক ৪৮টি দেশ অংশ নেবে বিশ্বমঞ্চে।

দলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে বিশ্বকাপের পুরস্কার অর্থও। আর এই আর্থিক প্রবাহের একটি অংশের সুবিধা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে, যা ২০২২ সালের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বকাপ থেকে ফিফার অর্জিত আয়ের একটি অংশ নিয়ম অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। ফলে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর বিশ্বের অন্যান্য সদস্য দেশের মতো বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নেও অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ফিফার অর্থ বণ্টন প্রসঙ্গে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে আয় করে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ফিফার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সদস্য দেশগুলোর ফুটবলের উন্নয়নে সহায়তা করা।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে অনেক দেশের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো এখন মনে করছে, তাদেরও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতাও আরও তীব্র হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর আর্থিক সুবিধার চিত্রও বেশ বড়। প্রতিটি দল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও ভ্রমণ ব্যয়ের জন্য শুরুতেই পাবে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়া ১৬টি দল পাবে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার করে। অর্থাৎ শুরুতেই তাদের মোট আয় হবে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী ধাপে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। দ্বিতীয় রাউন্ডে বাদ পড়া দলগুলো পাবে ১২ মিলিয়ন ডলার, আর শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর প্রাপ্তি হবে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া চার দল পাবে ২০ মিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার, তৃতীয় হওয়া দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালে পরাজিত দলকে দেওয়া হবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। আর বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দল পাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

রাত ১টার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

বিশ্বকাপে ফিফার বড় অঙ্কের লভ্যাংশ থেকে ভাগ পাচ্ছে বাংলাদেশও

আপডেট সময় ০৬:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

১৯৩০ সালে উরুগুয়ের মাটিতে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা বেড়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে দাঁড়িয়েছে ৪৮-এ। ২২টি আসর শেষ করে ২৩তম আসরে এসে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আয়োজন আবারও নতুন রূপে হাজির হচ্ছে। এবার রেকর্ডসংখ্যক ৪৮টি দেশ অংশ নেবে বিশ্বমঞ্চে।

দলের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ফিফার আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে বিশ্বকাপের পুরস্কার অর্থও। আর এই আর্থিক প্রবাহের একটি অংশের সুবিধা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা মোট ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেকর্ড প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে, যা ২০২২ সালের আসরের তুলনায় প্রায় ৬৫ শতাংশ বেশি। বিশ্বকাপ থেকে ফিফার অর্জিত আয়ের একটি অংশ নিয়ম অনুযায়ী সদস্য দেশগুলোর ফুটবল উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়। ফলে টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর বিশ্বের অন্যান্য সদস্য দেশের মতো বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নেও অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ফিফার অর্থ বণ্টন প্রসঙ্গে সাবেক জাতীয় ফুটবলার জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু বলেন, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে আয় করে, তার একটি অংশ বাংলাদেশসহ সব সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়। ফিফার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্যই হলো সদস্য দেশগুলোর ফুটবলের উন্নয়নে সহায়তা করা।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর ফলে অনেক দেশের মধ্যে নতুন আশার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো এখন মনে করছে, তাদেরও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। এতে বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতাও আরও তীব্র হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর আর্থিক সুবিধার চিত্রও বেশ বড়। প্রতিটি দল টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি, প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও ভ্রমণ ব্যয়ের জন্য শুরুতেই পাবে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। এরপর গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়া ১৬টি দল পাবে আরও ১০ মিলিয়ন ডলার করে। অর্থাৎ শুরুতেই তাদের মোট আয় হবে ১২.৫ মিলিয়ন ডলার।

পরবর্তী ধাপে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও রয়েছে বড় অঙ্কের অর্থ। দ্বিতীয় রাউন্ডে বাদ পড়া দলগুলো পাবে ১২ মিলিয়ন ডলার, আর শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর প্রাপ্তি হবে ১৬ মিলিয়ন ডলার করে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে যাওয়া চার দল পাবে ২০ মিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া চতুর্থ স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার, তৃতীয় হওয়া দল পাবে ২৯ মিলিয়ন ডলার। ফাইনালে পরাজিত দলকে দেওয়া হবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। আর বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী দল পাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার।