ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

রিমান্ডে মুখ খুললেন হরিদাস, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

অর্থ পাচারের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়ে সিআইডি বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শেষে হরিদাসকে হাজির করা হয়। পরে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্ত কর্মকর্তা ইনস্পেকট কেএম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবগুলোতে কারা, কী কারণে অর্থ জমা দিয়েছেন এবং সেই অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যয় বা হস্তান্তর করা হয়েছে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। অন্যথায় তিনি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১২ জুলাই ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম। একই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালীমন্দির এলাকা থেকে হরিদাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ১৩ জুলাই আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সময়ে ব্যবসাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ তার হিসাবে জমা হয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

দেশের ৭ জেলায় বন্যার ঝুঁকি, আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা

রিমান্ডে মুখ খুললেন হরিদাস, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় ০৫:১১:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

অর্থ পাচারের মামলায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়ে সিআইডি বলেছে, জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত জামিন তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে রিমান্ড শেষে হরিদাসকে হাজির করা হয়। পরে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তদন্ত কর্মকর্তা ইনস্পেকট কেএম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবগুলোতে কারা, কী কারণে অর্থ জমা দিয়েছেন এবং সেই অর্থ কোথায় ও কীভাবে ব্যয় বা হস্তান্তর করা হয়েছে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। অন্যথায় তিনি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী শ্যামল কুমার রায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১২ জুলাই ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থ পাচারের অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম। একই দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালীমন্দির এলাকা থেকে হরিদাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ১৩ জুলাই আদালত তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তিনি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী হলেও ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাব ও সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সময়ে ব্যবসাবহির্ভূত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ তার হিসাবে জমা হয়েছে।