ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বেরোবি ভিসি হাসিবুর সম্পৃক্ত

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার রুহুল আমিনের সাক্ষ্যগ্রহণ উঠে আসে এমন তথ্য।
সোমবার আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসিসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে ৩য় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন ট্রাইব্যুনালকে জানান, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে তদন্তে পাওয়া যায়।

এমনকি তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন বলেও জানান তিনি।

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন। তাদের মধ্যে একজন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন>>আইনি জটিলতা কাটিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন মান্না

তার বিষয়ে জবানবন্দিতে রুহুল আমিন বলেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করার ঘটনায় উসকানি দেন ও সহযোগিতা করেন তিনি।

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করতে উসকানি দেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এ ছাড়া তিনি গত বছরের ১১ জুলাই আবু সাঈদকে থাপ্পড় মারেন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাবান্ধব সরকার- বাবুল

তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য: আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বেরোবি ভিসি হাসিবুর সম্পৃক্ত

আপডেট সময় ০২:৩০:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির তৎকালীন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার রুহুল আমিনের সাক্ষ্যগ্রহণ উঠে আসে এমন তথ্য।
সোমবার আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসিসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে ৩য় দিনের মতো সাক্ষ্য দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন ট্রাইব্যুনালকে জানান, আন্দোলনের সময় নিরীহ ছাত্র-জনতার কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকলেও আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে তদন্তে পাওয়া যায়।

এমনকি তৎকালীন রংপুরের কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাত্র-জনতাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন বলেও জানান তিনি।

আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ছয় আসামি গ্রেফতার আছেন। তাদের মধ্যে একজন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম।

আরও পড়ুন>>আইনি জটিলতা কাটিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন মান্না

তার বিষয়ে জবানবন্দিতে রুহুল আমিন বলেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও অন্য আসামিদের বেআইনি কার্যক্রম প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করার ঘটনায় উসকানি দেন ও সহযোগিতা করেন তিনি।

জবানবন্দিতে তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আবু সাঈদকে হত্যা এবং অন্যদের গুরুতর জখম করতে উসকানি দেন ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। এ ছাড়া তিনি গত বছরের ১১ জুলাই আবু সাঈদকে থাপ্পড় মারেন।

পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন ও সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন