ঢাকা ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং
হোম

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

জোহর-আসরের নামাজে জোরে কেরাত পড়ার বিধান কী?

  • ইসলাম ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • 8

প্রশ্ন: জোহর ও আসরের নামাজে কেরাত আস্তে পড়তে হয় বলে জানি। এটা কি জরুরি? কেউ যদি জোহর-আসরে জোরে কেরাত পড়ে, তাহলে কি নামাজ হবে না?

উত্তর: জোহর ও আসরের নামাজে ইমাম ও একা নামাজ আদায়কারী নিম্নস্বরে কেরাত পড়বেন। মুক্তাদি কেরাত পড়লে নিম্নস্বরেই পড়বেন তা বলাবাহুল্য। এ দুই ওয়াক্ত নামাজে নিম্নস্বরে কেরাত পড়া ওয়াজিব। যদি কেউ জোহর-আসরে ফরজ আদায় হওয়া পরিমাণ কেরাত অর্থাৎ বড় এক আয়াত বা ছোট তিন আয়াত অন্য ব্যক্তি শোনে এমন উচ্চ স্বরে পড়ে, তাহলে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে; এর চেয়ে কম যেমন ছোট এক-দুই আয়াত ভুল করে উচ্চৈস্বরে পড়ে ফেললে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে না।

সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/১২৮, ফাতহুল কাদির: ১/৪৪০, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ২/১৪৯, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ৪/২০১

ফজর, জুমা, দুই ঈদের নামাজ, তারাবিহ, রমজান মাসের বেতর নামাজ এবং মাগরিব ও ইশার প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য জোরে কেরাত পড়া ওয়াজিব। মুক্তাদি অর্থাৎ ইমামের পেছনে নামাজ আদায়কারীরা এসব নামাজে চুপ থেকে ইমামের কেরাত শুনবেন।

সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমদের মত অনুযায়ী মুনফারিদ বা একা নামাজ আদায়কারীর জন্যও ফজর এবং মাগরিব ও ইশার প্রথম দুই রাকাতে উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়া সুন্নত। তবে নিম্নস্বরে কেরাত পড়লেও নামাজ হয়ে যাবে। নবিজির স্ত্রী আয়েশাকে (রা.) প্রশ্ন করা হয়েছিল, নবীজি রাতের নামাজে উচ্চৈস্বরে কোরআন পড়তেন না নিম্নস্বরে? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন কখনও উচ্চৈস্বরে পড়তেন, কখনও নিম্নস্বরে। (মুসনাদে আহমদ)

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ আজকের সেরা ম্যাচগুলো ও লাইভ স্কোর

ইতিহাসের এই দিনে : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

জোহর-আসরের নামাজে জোরে কেরাত পড়ার বিধান কী?

আপডেট সময় ১১:০৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

প্রশ্ন: জোহর ও আসরের নামাজে কেরাত আস্তে পড়তে হয় বলে জানি। এটা কি জরুরি? কেউ যদি জোহর-আসরে জোরে কেরাত পড়ে, তাহলে কি নামাজ হবে না?

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

উত্তর: জোহর ও আসরের নামাজে ইমাম ও একা নামাজ আদায়কারী নিম্নস্বরে কেরাত পড়বেন। মুক্তাদি কেরাত পড়লে নিম্নস্বরেই পড়বেন তা বলাবাহুল্য। এ দুই ওয়াক্ত নামাজে নিম্নস্বরে কেরাত পড়া ওয়াজিব। যদি কেউ জোহর-আসরে ফরজ আদায় হওয়া পরিমাণ কেরাত অর্থাৎ বড় এক আয়াত বা ছোট তিন আয়াত অন্য ব্যক্তি শোনে এমন উচ্চ স্বরে পড়ে, তাহলে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে; এর চেয়ে কম যেমন ছোট এক-দুই আয়াত ভুল করে উচ্চৈস্বরে পড়ে ফেললে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে না।

সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/১২৮, ফাতহুল কাদির: ১/৪৪০, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া: ২/১৪৯, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ৪/২০১

ফজর, জুমা, দুই ঈদের নামাজ, তারাবিহ, রমজান মাসের বেতর নামাজ এবং মাগরিব ও ইশার প্রথম দুই রাকাতে ইমামের জন্য জোরে কেরাত পড়া ওয়াজিব। মুক্তাদি অর্থাৎ ইমামের পেছনে নামাজ আদায়কারীরা এসব নামাজে চুপ থেকে ইমামের কেরাত শুনবেন।

সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমদের মত অনুযায়ী মুনফারিদ বা একা নামাজ আদায়কারীর জন্যও ফজর এবং মাগরিব ও ইশার প্রথম দুই রাকাতে উচ্চৈস্বরে কেরাত পড়া সুন্নত। তবে নিম্নস্বরে কেরাত পড়লেও নামাজ হয়ে যাবে। নবিজির স্ত্রী আয়েশাকে (রা.) প্রশ্ন করা হয়েছিল, নবীজি রাতের নামাজে উচ্চৈস্বরে কোরআন পড়তেন না নিম্নস্বরে? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন কখনও উচ্চৈস্বরে পড়তেন, কখনও নিম্নস্বরে। (মুসনাদে আহমদ)