ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

উলিপুরে চেয়ারম্যানকে ঘিরে উত্তেজনা, অনাস্থা দিলেন ১১ ইউপি সদস্য

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধরনী বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক এর বিরুদ্ধে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ, ভুয়া স্বাক্ষরে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে ১১ জন ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন। ওই অনাস্থা পত্রে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৫টি দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

অনাস্থাপত্রে স্বাক্ষরকারী ইউপি সদস্যগণ জানান, ২০২৫ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল বিতরণে বড় ধরনের অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন চেয়ারম্যান এরশাদুল হক ।

চাল আত্মসাতের কৌশল হিসেবে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মুসলিম মহিলার হিন্দু স্বামী কিংবা পিতা, মুসলিম পুরুষের হিন্দু পিতা, হিন্দু মহিলার মুসলিম স্বামী বা পিতা, হিন্দু পুরুষের মুসলিম পিতা আমাদের সমাজে বাস্তবে পাওয়া না গেলেও ধরনী বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক এমনটি করে ২ হাজার সুবিধা ভোগীর ২০ মেঃটন চাল আত্মসাত করেছেন ।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কার্ডপ্রতি ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ডধারীদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫/৬ কেজি। এভাবে ৪ হাজার ৬’শ ৫০টি কার্ডের বিপরীতে প্রায় ১৮ হাজার ৬০০ কেজি (১৮.৬ মেট্রিক টন) চাল চেয়ারম্যান সরাসরি আত্মসাৎ করেছেন। তিনি রাজস্ব খাতের ‘উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ’ থেকে টিউবয়েল স্থাপনের ৩ লক্ষ টাকা এবং রাস্তা সংস্কার ও সিসি ঢালাই প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন। ইউপি সদস্যরা আরো জানান, তাদের পিআইসি সভাপতি করা হলেও চেয়ারম্যান স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন, অথচ প্রকল্প এলাকায় কোনো কাজই করা হয়নি।

অভিযোগকারী সদস্যরা উল্লেখ করেন, নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের কোনো তোয়াক্কা না করে চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্তে এবং কতিপয় অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে সরকারি বরাদ্দে হস্তক্ষেপ করছেন। এছাড়া ইউনিয়নের ১% বরাদ্দের আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকার কোনো কাজ না করেই সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১২জন ইউপি সদস্যদের ১১জনের স্বাক্ষরে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার

উলিপুরে চেয়ারম্যানকে ঘিরে উত্তেজনা, অনাস্থা দিলেন ১১ ইউপি সদস্য

আপডেট সময় ১১:২২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ধরনী বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক এর বিরুদ্ধে ভিজিএফ চাল আত্মসাৎ, ভুয়া স্বাক্ষরে প্রকল্পের টাকা উত্তোলন ও প্রশাসনিক অনিয়মের অভিযোগে ১১ জন ইউপি সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর কাছে লিখিতভাবে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন। ওই অনাস্থা পত্রে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ৫টি দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

অনাস্থাপত্রে স্বাক্ষরকারী ইউপি সদস্যগণ জানান, ২০২৫ সালের পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বরাদ্দকৃত ভিজিএফ চাল বিতরণে বড় ধরনের অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন চেয়ারম্যান এরশাদুল হক ।

চাল আত্মসাতের কৌশল হিসেবে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান মুসলিম মহিলার হিন্দু স্বামী কিংবা পিতা, মুসলিম পুরুষের হিন্দু পিতা, হিন্দু মহিলার মুসলিম স্বামী বা পিতা, হিন্দু পুরুষের মুসলিম পিতা আমাদের সমাজে বাস্তবে পাওয়া না গেলেও ধরনী বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক এমনটি করে ২ হাজার সুবিধা ভোগীর ২০ মেঃটন চাল আত্মসাত করেছেন ।সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কার্ডপ্রতি ১০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও কার্ডধারীদের দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫/৬ কেজি। এভাবে ৪ হাজার ৬’শ ৫০টি কার্ডের বিপরীতে প্রায় ১৮ হাজার ৬০০ কেজি (১৮.৬ মেট্রিক টন) চাল চেয়ারম্যান সরাসরি আত্মসাৎ করেছেন। তিনি রাজস্ব খাতের ‘উন্নয়ন সহায়তা থোক বরাদ্দ’ থেকে টিউবয়েল স্থাপনের ৩ লক্ষ টাকা এবং রাস্তা সংস্কার ও সিসি ঢালাই প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেছেন। ইউপি সদস্যরা আরো জানান, তাদের পিআইসি সভাপতি করা হলেও চেয়ারম্যান স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে সম্পূর্ণ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন, অথচ প্রকল্প এলাকায় কোনো কাজই করা হয়নি।

অভিযোগকারী সদস্যরা উল্লেখ করেন, নির্বাচিত ইউপি সদস্যদের কোনো তোয়াক্কা না করে চেয়ারম্যান একক সিদ্ধান্তে এবং কতিপয় অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে সরকারি বরাদ্দে হস্তক্ষেপ করছেন। এছাড়া ইউনিয়নের ১% বরাদ্দের আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকার কোনো কাজ না করেই সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ১২জন ইউপি সদস্যদের ১১জনের স্বাক্ষরে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।