ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

কিশোর বয়সে হজ করলে ফরজ হজ আদায় হবে?

প্রশ্ন: আমি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে হজ করার নিয়ত করেছি। আমার দুই সন্তানের মধ্যে একজন বড় হয়ে গেছে। আরেকজন কিশোর বয়সী, সে নিয়মিত নামাজ আদায় করে এবং আমাদের দেখাদেখি সে হজের সব বিধান পালন করবেন। প্রশ্ন হলো, এই বয়সে হজ করলে কি তার ফরজ হজ আদায় হবে নাকি বড় হওয়ার পর পুনরায় হজ করতে হবে?

উত্তর: আপনি কোন বয়সের সন্তানকে কিশোরবয়সী বলছেন তা স্পষ্ট নয়। আপনার সন্তান যদি ইসলামের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তার হজ ফরজ হজ হিসেবে আদায় হবে। আর আপনার সন্তান যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে, তাহলে তার হজ নফল গণ্য হবে। তাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর হজ করার সামর্থ্য অর্জন করলে তাকে আবার নিজের ফরজ হজ আদায় করতে হবে।

ইসলামে যে বয়সে ছেলে-মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য হয়

ছেলে ও মেয়ে শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কিছু আলামত শরিয়তে বলে দেওয়া হয়েছে। এগুলো না পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট বয়সসীমাও রয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য করা হয়।
ছেলে শিশুদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আলামত ৩টি:

১. স্বপ্নদোষ হওয়া।
২. অন্য কোনোভাবে বীর্যপাত হওয়া
৩. দাড়ি-মোচ ওঠা

মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আলামত ৩টি:

১. স্বপ্নদোষ হওয়া।
২. হায়েজ বা মসিকের রক্ত আসা।
৩. গর্ভধারণ করা।

কোনো ছেলে মেয়ের মধ্যে এ সব আলামতের কোনোটি প্রকাশ না পেলে হিজরি বর্ষ হিসাবে পনেরো বছর পূর্ণ হলে তাদেরকে শরিয়তে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য করা হয়।

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ওহুদ যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেননি; তখন আমি ১৪ বছরের বালক ছিলাম। পরে খন্দকের যুদ্ধে যখন আমি ১৫ বছর বয়স্ক ছিলাম তখন তিনি আমাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেন। নাফে (রহ.) বলেন, আমি খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজের কাছে গিয়ে এ হাদিস শোনালে তিনি বলেন, এটাই হচ্ছে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়সের সীমারেখা। তারপর তিনি তাঁর গভর্নরদের লিখিত নির্দেশ পাঠালেন যে, যাদের বয়স ১৫ হয়েছে, তাদের যেন সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয় এবং তাদের জন্য যেন ভাতা নির্দিষ্ট করা হয়। (সহিহ বুখারি: ২৬৬৪, সহিহ মুসলিম: ১৮৬৮)

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা চায় ইসি

কিশোর বয়সে হজ করলে ফরজ হজ আদায় হবে?

আপডেট সময় ১১:৩০:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

প্রশ্ন: আমি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে হজ করার নিয়ত করেছি। আমার দুই সন্তানের মধ্যে একজন বড় হয়ে গেছে। আরেকজন কিশোর বয়সী, সে নিয়মিত নামাজ আদায় করে এবং আমাদের দেখাদেখি সে হজের সব বিধান পালন করবেন। প্রশ্ন হলো, এই বয়সে হজ করলে কি তার ফরজ হজ আদায় হবে নাকি বড় হওয়ার পর পুনরায় হজ করতে হবে?

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

উত্তর: আপনি কোন বয়সের সন্তানকে কিশোরবয়সী বলছেন তা স্পষ্ট নয়। আপনার সন্তান যদি ইসলামের নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তার হজ ফরজ হজ হিসেবে আদায় হবে। আর আপনার সন্তান যদি অপ্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে, তাহলে তার হজ নফল গণ্য হবে। তাই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর হজ করার সামর্থ্য অর্জন করলে তাকে আবার নিজের ফরজ হজ আদায় করতে হবে।

ইসলামে যে বয়সে ছেলে-মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য হয়

ছেলে ও মেয়ে শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কিছু আলামত শরিয়তে বলে দেওয়া হয়েছে। এগুলো না পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট বয়সসীমাও রয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য করা হয়।
ছেলে শিশুদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আলামত ৩টি:

১. স্বপ্নদোষ হওয়া।
২. অন্য কোনোভাবে বীর্যপাত হওয়া
৩. দাড়ি-মোচ ওঠা

মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আলামত ৩টি:

১. স্বপ্নদোষ হওয়া।
২. হায়েজ বা মসিকের রক্ত আসা।
৩. গর্ভধারণ করা।

কোনো ছেলে মেয়ের মধ্যে এ সব আলামতের কোনোটি প্রকাশ না পেলে হিজরি বর্ষ হিসাবে পনেরো বছর পূর্ণ হলে তাদেরকে শরিয়তে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য করা হয়।

আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ওহুদ যুদ্ধের দিন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেননি; তখন আমি ১৪ বছরের বালক ছিলাম। পরে খন্দকের যুদ্ধে যখন আমি ১৫ বছর বয়স্ক ছিলাম তখন তিনি আমাকে যুদ্ধে যাওয়ার অনুমতি দেন। নাফে (রহ.) বলেন, আমি খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজের কাছে গিয়ে এ হাদিস শোনালে তিনি বলেন, এটাই হচ্ছে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়সের সীমারেখা। তারপর তিনি তাঁর গভর্নরদের লিখিত নির্দেশ পাঠালেন যে, যাদের বয়স ১৫ হয়েছে, তাদের যেন সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয় এবং তাদের জন্য যেন ভাতা নির্দিষ্ট করা হয়। (সহিহ বুখারি: ২৬৬৪, সহিহ মুসলিম: ১৮৬৮)