রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় সংসদে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আমার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। আমি এ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি (মো. সাহাবুদ্দিন) পদত্যাগ করেছেন। সংবিধান অনুসারে, যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবেও শপথ নিয়েছি, যদি প্রয়োজন হয়। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার যখন ডেপুটি স্পিকারের শপথ নেন, এতে বর্ণিত থাকে যখন স্পিকারের চেয়ার কোনো কারণে শূন্য থাকে, তখন ডেপুটি স্পিকার স্পিকারের পদে দায়িত্ব পালন করবে।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। এ ছাড়া স্পিকারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন ডেপুটি স্পিকার।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলটির মনোনীত ব্যক্তি নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন বলা আশা করা যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার (ভারপ্রাপ্ত স্পিকার) ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা।
অনলাইন ডেস্ক : 

























