ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারা দেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, সারা দেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুল এবং ৪৯ হাজার ৫০০টি সাধারণ বৃত্তি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়।

এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮,৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬,৪৫,০৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪,১৯,৯৮২ জন। পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর বিবেচনায় পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি–৪৩,৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১%) এবং ৩৫,৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯%) বৃত্তি পেয়েছে।

মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২,৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬,২৮১ জন পেয়েছে সাধারণ বৃত্তি। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭,৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯,৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪,৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা, সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলায় এবং সবচেয়ে বেশি ৮,৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে মাসিক ৪৫০ টাকা হওয়ার কথা রয়েছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

শিক্ষার্থীরা এখন অনলাইন এবং মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছে। অনলাইনে ফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।

এ ছাড়া মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: DPE 123456)।

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ বিশ্বকাপ ফুটবল লাইভ স্কোর ২০২৬

সকালের মধ্যে ১৯ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

আপডেট সময় ০২:৫৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার সারা দেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, সারা দেশে মোট ৮২ হাজার ৫০০টি বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। এর মধ্যে ৩৩ হাজার ট্যালেন্টপুল এবং ৪৯ হাজার ৫০০টি সাধারণ বৃত্তি। ট্যালেন্টপুল বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ৮০ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হয়।

এবারের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮,৮১০টি বিদ্যালয়ের মোট ৬,৪৫,০৪১ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত হয়েছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৪,১৯,৯৮২ জন। পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯,২৪৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর বিবেচনায় পাসের হার ৩৮.৮৭ শতাংশ। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যাই বেশি–৪৩,৩৫৪ জন ছাত্রী (৫৪.৭১%) এবং ৩৫,৮৯২ জন ছাত্র (৪৫.২৯%) বৃত্তি পেয়েছে।

মোট বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩২,৯৬৫ জন পেয়েছে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) এবং ৪৬,২৮১ জন পেয়েছে সাধারণ বৃত্তি। বিদ্যালয়ভিত্তিক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৫৭,৯৬২ জন এবং কিন্ডারগার্টেন থেকে ৯,৯৯৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪,৬৮২টি বৃত্তি পেয়েছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা, সবচেয়ে কম ১৮৮টি বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান জেলায় এবং সবচেয়ে বেশি ৮,৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছে দিনাজপুর জেলায়।

বর্তমানে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ৩০০ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে এই হার বৃদ্ধি পেয়ে ট্যালেন্টপুলে মাসিক ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিতে মাসিক ৪৫০ টাকা হওয়ার কথা রয়েছে।

যেভাবে জানা যাবে ফলাফল

শিক্ষার্থীরা এখন অনলাইন এবং মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছে। অনলাইনে ফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল।

এ ছাড়া মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে DPE লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। (উদাহরণ: DPE 123456)।