ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং

🌤️ বাংলাদেশের বিভাগসমূহের লাইভ আবহাওয়া

এবার চট্টগ্রামের রাউজানে বুকে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের শিকদারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানে আলম উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের শিকদার ঘাটা এলাকার মৃত হামদু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলযোগে এসে জানে আলমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি বুকে গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।

স্থানীয় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তিনি একটি চাঁদাবাজি মামলায় আটক হয়ে কারাভোগ শেষে মুক্তি পান। তবে তিনি রাউজানে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মাসে রাউজানে ১৯ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল ১৩টি। এছাড়া গত ১৬ মাসে গুলি বিনিময়ের ৩২টি ঘটনায় অর্ধশত লোক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায় জানে আলম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন।

এর আগে ৫ নভেম্বর কোয়েপাড়া গ্রামে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। গত ২৫ অক্টোবর তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পৌরসভার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকায় যুবদল নেতা আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। ৬ জুলাই কদলপুর ইউনিয়নে গুলিতে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. সেলিম নিহত হন। এ সময় এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। ২২ এপ্রিল সদর ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের গাজীপাড়ায় যুবদলকর্মী মো. ইব্রাহীমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন কদলপুরে একজন অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন।

গত ১৯ এপ্রিল রাউজানের বাগোয়ানে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মানিককে মুখে বন্দুক ঢুকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় নিহতের এক সহযোগীও গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ জানুয়ারি নোয়াপাড়ায় চাক্তাইয়ের শুঁটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাগনেও গুলিবিদ্ধ হন।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন

নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন
আপলোডকারির তথ্য

NewsBijoy24. Com

📰 নিউজবিজয়২৪.কম এমন একটি অনলাইন সংবাদপত্র, যার প্রতিটি শব্দে জড়িয়ে আছে সত্যের অঙ্গীকার ও মানবিকতার দায়বদ্ধতা। এই পত্রিকাটি উৎসর্গ করা হলো আমার পরম শ্রদ্ধেয় মা ও বাবার পবিত্র স্মৃতির উদ্দেশ্যে-যারা আজ এই পৃথিবীতে নেই, কিন্তু তাদের শিক্ষা, আদর্শ ও দোয়ার আলো আজও আমাদের পথ দেখায়। তাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত এই সংবাদমাধ্যমের লক্ষ্য সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের প্রতিবাদ এবং মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানো। হে আল্লাহ, আমার মা-বাবাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন। NewsBijoy24.Com 📰 সত্যের পথে, বিশ্বাসের সাথে।
জনপ্রিয় সংবাদ
⚽ ইউরোপ ইউরোপা লিগ, দ্বিতীয় বাছাইপর্বের পরিসংখ্যান ও লাইভ স্কোর

ম্যানেজার পদে নিয়োগ, কর্মস্থল ঢাকা

এবার চট্টগ্রামের রাউজানে বুকে গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারি ২০২৬

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের শিকদারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

🔔 নিউজ বিজয়ের সর্বশেষ খবর পেতে টেলিগ্রাম চ্যানেল জয়েন করুন

জানে আলম উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের শিকদার ঘাটা এলাকার মৃত হামদু মিয়ার ছেলে।

জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলযোগে এসে জানে আলমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি বুকে গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।

স্থানীয় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তিনি একটি চাঁদাবাজি মামলায় আটক হয়ে কারাভোগ শেষে মুক্তি পান। তবে তিনি রাউজানে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মাসে রাউজানে ১৯ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল ১৩টি। এছাড়া গত ১৬ মাসে গুলি বিনিময়ের ৩২টি ঘটনায় অর্ধশত লোক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায় জানে আলম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন।

এর আগে ৫ নভেম্বর কোয়েপাড়া গ্রামে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। গত ২৫ অক্টোবর তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পৌরসভার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকায় যুবদল নেতা আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। ৬ জুলাই কদলপুর ইউনিয়নে গুলিতে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. সেলিম নিহত হন। এ সময় এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। ২২ এপ্রিল সদর ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের গাজীপাড়ায় যুবদলকর্মী মো. ইব্রাহীমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন কদলপুরে একজন অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন।

গত ১৯ এপ্রিল রাউজানের বাগোয়ানে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মানিককে মুখে বন্দুক ঢুকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় নিহতের এক সহযোগীও গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ জানুয়ারি নোয়াপাড়ায় চাক্তাইয়ের শুঁটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাগনেও গুলিবিদ্ধ হন।
নিউজ বিজয় ২৪ডট কম/এফএইচএন